ঢাকা ০১:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
জাতীয় পার্টি নেতা

খালাস পেয়ে বললেন, ন্যায়বিচার পেয়েছি

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
  • / 169

খালাস পেয়ে বললেন, ন্যায়বিচার পেয়েছি

সাতক্ষীরার তালা সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও জাতীয় পার্টি নেতা এস.এম নজরুল ইসলামসহ চারজন ছিনতাই ও ডাকাতির মামলায় খালাস পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) দুপুরে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক শরীফ মো. সানাউল হক এই রায় ঘোষণা করেন।

খালাস পাওয়া আসামিরা হলেন, তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস.এম নজরুল ইসলাম (৫৫), আটারই গ্রামের মজিবর গাজী (৪৫), শাহপুর গ্রামের সেলিম গাজী (৩৫) এবং রফিকুল মোল্লা (৪২)।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৭ সালের ১২ জুলাই সন্ধ্যায় তালার ইসলামকাটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে থেকে বাদী জিএম আলাউদ্দীনের কাছ থেকে ৮৫ হাজার টাকা অস্ত্রের মুখে ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

তবে আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আশরাফুজ্জামান বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এ মামলা সাজানো হয়েছিল। আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে চারজনকেই খালাস দিয়েছেন।

রায় ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়ায় এস.এম নজরুল ইসলাম বলেন, “আমি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলাম। ২০১৬ সালে জনগণের ভোটে আমি বিজয়ী হলেও, নৌকা প্রতীকের আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে জয়ী ঘোষণা করা হয়। এরপর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের ইন্ধনে আমার বিরুদ্ধে কাল্পনিক অভিযোগে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। আজ একটি মামলায় আদালত আমাকে খালাস দিয়েছেন। আমি ন্যায়বিচার পেয়েছি।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জাতীয় পার্টি নেতা

খালাস পেয়ে বললেন, ন্যায়বিচার পেয়েছি

সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

সাতক্ষীরার তালা সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও জাতীয় পার্টি নেতা এস.এম নজরুল ইসলামসহ চারজন ছিনতাই ও ডাকাতির মামলায় খালাস পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) দুপুরে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক শরীফ মো. সানাউল হক এই রায় ঘোষণা করেন।

খালাস পাওয়া আসামিরা হলেন, তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস.এম নজরুল ইসলাম (৫৫), আটারই গ্রামের মজিবর গাজী (৪৫), শাহপুর গ্রামের সেলিম গাজী (৩৫) এবং রফিকুল মোল্লা (৪২)।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৭ সালের ১২ জুলাই সন্ধ্যায় তালার ইসলামকাটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে থেকে বাদী জিএম আলাউদ্দীনের কাছ থেকে ৮৫ হাজার টাকা অস্ত্রের মুখে ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

তবে আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আশরাফুজ্জামান বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এ মামলা সাজানো হয়েছিল। আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে চারজনকেই খালাস দিয়েছেন।

রায় ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়ায় এস.এম নজরুল ইসলাম বলেন, “আমি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলাম। ২০১৬ সালে জনগণের ভোটে আমি বিজয়ী হলেও, নৌকা প্রতীকের আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে জয়ী ঘোষণা করা হয়। এরপর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের ইন্ধনে আমার বিরুদ্ধে কাল্পনিক অভিযোগে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। আজ একটি মামলায় আদালত আমাকে খালাস দিয়েছেন। আমি ন্যায়বিচার পেয়েছি।”