ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, আগৈলঝাড়া (বরিশাল)
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪০:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫
  • / 320

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে চালের বস্তার মূল্য নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ডিলারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ কার্ডধারীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বনিক তাৎক্ষণিকভাবে বস্তার টাকা নেওয়া বন্ধ করেন।

জানা গেছে, উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের ৭৮০ জন কার্ডধারী বছরে পাঁচ মাস ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি চাল ৪৫০ টাকায় গ্রহণ করেন। বুধবার সকাল ১০টার দিকে বাকাল ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন বটতলায় ৩৯৪ জন কার্ডধারীর মাঝে চাল বিতরণ শুরু করেন ডিলার আশীষ সরকার। এ সময় সরকারি নিয়ম অমান্য করে তিনি প্রতি কার্ডধারীর কাছ থেকে চালের মূল্যের সঙ্গে প্রতি বস্তায় অতিরিক্ত ১৫ টাকা নেন।

এ নিয়ে কার্ডধারীরা আপত্তি জানালে উপস্থিত ইউনিয়ন সমাজকর্মী ইব্রাহিম মিয়া বিষয়টি ট্যাগ অফিসার সুশান্ত বালাকে ফোনে জানান। পরে ট্যাগ অফিসারের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়।

কার্ডধারী ইব্রাহিম পাইক, কনিকা দত্ত, ইলিয়াস হোসেন ও চপল কুমার বলেন, আগে ৪৫০ টাকায় চালসহ বস্তা পেতেন, কিন্তু এবার অতিরিক্ত ১৫ টাকা দিতে হয়েছে।

প্রথমে ২০–২৫ জনের কাছ থেকে বস্তার মূল্য নেওয়ার কথা স্বীকার করলেও পরে ডিলার আশীষ সরকার তা অস্বীকার করেন।

বাকাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিপুল দাস বলেন, “আমার ইউনিয়নে আগে এমন ঘটনা ঘটেনি। উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি বন্ধ করে দিয়েছে।”

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

আগৈলঝাড়া উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আবু সাইয়েদ বলেন, বস্তার জন্য আলাদা টাকা নেওয়ার কোনো সরকারি নিয়ম নেই। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বনিক বলেন, “ট্যাগ অফিসারের সঙ্গে কথা বলে ডিলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪০:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে চালের বস্তার মূল্য নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ডিলারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ কার্ডধারীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বনিক তাৎক্ষণিকভাবে বস্তার টাকা নেওয়া বন্ধ করেন।

জানা গেছে, উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের ৭৮০ জন কার্ডধারী বছরে পাঁচ মাস ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি চাল ৪৫০ টাকায় গ্রহণ করেন। বুধবার সকাল ১০টার দিকে বাকাল ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন বটতলায় ৩৯৪ জন কার্ডধারীর মাঝে চাল বিতরণ শুরু করেন ডিলার আশীষ সরকার। এ সময় সরকারি নিয়ম অমান্য করে তিনি প্রতি কার্ডধারীর কাছ থেকে চালের মূল্যের সঙ্গে প্রতি বস্তায় অতিরিক্ত ১৫ টাকা নেন।

এ নিয়ে কার্ডধারীরা আপত্তি জানালে উপস্থিত ইউনিয়ন সমাজকর্মী ইব্রাহিম মিয়া বিষয়টি ট্যাগ অফিসার সুশান্ত বালাকে ফোনে জানান। পরে ট্যাগ অফিসারের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়।

কার্ডধারী ইব্রাহিম পাইক, কনিকা দত্ত, ইলিয়াস হোসেন ও চপল কুমার বলেন, আগে ৪৫০ টাকায় চালসহ বস্তা পেতেন, কিন্তু এবার অতিরিক্ত ১৫ টাকা দিতে হয়েছে।

প্রথমে ২০–২৫ জনের কাছ থেকে বস্তার মূল্য নেওয়ার কথা স্বীকার করলেও পরে ডিলার আশীষ সরকার তা অস্বীকার করেন।

বাকাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিপুল দাস বলেন, “আমার ইউনিয়নে আগে এমন ঘটনা ঘটেনি। উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি বন্ধ করে দিয়েছে।”

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

আগৈলঝাড়া উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আবু সাইয়েদ বলেন, বস্তার জন্য আলাদা টাকা নেওয়ার কোনো সরকারি নিয়ম নেই। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বনিক বলেন, “ট্যাগ অফিসারের সঙ্গে কথা বলে ডিলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”