ক্রিপ্টো বৈধতায় ট্রাম্পের ইউটার্ন: জিনিয়াস অ্যাক্ট পাস
- সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫
- / 96
এক সময় যাকে “ভবিষ্যতের কেলেঙ্কারি” বলে তীব্র সমালোচনা করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, এবার সেই ক্রিপ্টোকারেন্সিকেই আইনি বৈধতা দিল যুক্তরাষ্ট্র। কংগ্রেসে পাস হয়েছে জাতীয় ক্রিপ্টো বিল ‘জিনিয়াস অ্যাক্ট’। এই আইন মূলত স্টেবলকয়েন নামের এক ধরনের ডিজিটাল মুদ্রার জন্য নিয়ন্ত্রক কাঠামো নির্ধারণ করেছে, যার মূল্য ডলারের মতো নিরাপদ সম্পদের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে।
আইনে স্পষ্ট করা হয়েছে, প্রতিটি স্টেবলকয়েনের বিপরীতে ১ মার্কিন ডলার বা সমপর্যায়ের সরকারি রিজার্ভ থাকতে হবে। এতে মুদ্রাটির মান স্থিতিশীল থাকবে এবং তা লেনদেন বা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নিরাপদ বিবেচিত হবে। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এখন ব্যবহারকারীরা দ্রুত এবং কম খরচে এক ক্রিপ্টো মুদ্রা থেকে অন্যটিতে রূপান্তর করতে পারবেন।
বহুদিন ধরেই ক্রিপ্টো ইন্ডাস্ট্রি একটি নির্দিষ্ট আইনি কাঠামোর দাবি জানিয়ে আসছিল। ‘জিনিয়াস অ্যাক্ট’-এর মাধ্যমে সেই কাঠামো আনুষ্ঠানিকভাবে তৈরি হলো। চমকপ্রদভাবে, ট্রাম্প এবার এ শিল্পের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। নির্বাচনি প্রচারে প্রযুক্তিখাতের দিক থেকে সমর্থন পাওয়ার পর তিনি ‘ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়াল’-এর মতো একাধিক ক্রিপ্টো কোম্পানির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হয়েছেন।
তবে সমালোচকেরা সতর্ক করেছেন যে, এই আইন নতুন ঝুঁকির দ্বার খুলে দিতে পারে। বিশেষ করে ব্যাংকিং খাতে প্রযুক্তি কোম্পানির সম্পৃক্ততা বাড়বে, অথচ তাদের ওপর এখনো প্রচলিত ব্যাংকগুলোর মতো কঠোর নজরদারি নেই। তবুও আইনপ্রণেতারা মনে করছেন, এই বিলের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক খাত প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনমুখী হবে।
ক্রিপ্টো মুদ্রাকে বৈধতার আওতায় এনে যুক্তরাষ্ট্র এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করল, যেখানে পুরনো অবস্থান থেকে সরে এসে সাবেক-নয়, বর্তমান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই ডিজিটাল অর্থনীতিকে সমর্থনের পথে এগিয়ে গেলেন।
































