ঢাকা ১১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেন বাংলদেশ ছাড়ছেন ভারতীয়রা?

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:১৪:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 8

ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশে কর্মরত ভারতীয় কর্মকর্তা ও কূটনীতিকদের পরিবার সদস্যদের দেশত্যাগ—দুটি ভিন্ন ঘটনায় হলেও—একই সময়ে ঘটায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও আঞ্চলিক কূটনৈতিক টানাপোড়েন নিয়ে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভারতীয় কর্মকর্তাদের হঠাৎ দেশ ছাড়ার ঘটনা এবং কূটনীতিকদের পরিবারের প্রত্যাহার—দুটিই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারী) বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে কর্মরত নয়জন ভারতীয় কর্মকর্তা কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে দেশ ত্যাগ করায় প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা সকালে প্ল্যান্ট এলাকা ত্যাগ করে দুপুরের মধ্যেই সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন।

প্ল্যান্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই কর্মকর্তারা আগে কখনো নিরাপত্তা ঝুঁকি বা ব্যক্তিগত আশঙ্কার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানাননি। চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেও এভাবে হঠাৎ চলে যাওয়াকে তারা অস্বাভাবিক হিসেবে দেখছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে জানানো হয়েছে এবং পেছনের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

৯ কর্মকর্তা হলেন- ন্যাশনাল থারর্মার পাওয়ার কোম্পানির (এনটিপিসি) ভারত থেকে পেশনে পাওয়ার প্লান্ট মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্লান্টে কর্মরত জি এম সিউজ প্রতিম ভর্মন, জি এম বিশ্বজিৎ মন্ডল, জিএম এন-সুরায়া প্রকসা রায়, এজিএম কেসাবা পলাকী, ডিজিএম সুরেয়া কান্ত মন্দেকার, ডিজি এম সুরেন্দ্র লম্বা, এজিএম পাপ্পু লাল মিনা, ডিজিএম অর্নিবান সাহা সিএফ ও ইমানুয়েল পনরাজ দেবরাজ।

এর আগেই ২১ জানুয়ারী নিরাপত্তার অযুহাতে ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের বাংলাদেশ ত্যাগের বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়।

ওই সময় ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি জানা, ভারত সরকার বাংলাদেশে নিযুক্ত কূটনীতিকদের জন্য ‘নন-ফ্যামিলি পোস্টিং’ কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে কর্মরত ভারতীয় কর্মকর্তাদের পরিবার-পরিজনদের দেশে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে আরও বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই নিরাপত্তা মূল্যায়নের অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত বিবেচনায় ছিল। যদিও কূটনৈতিক মিশনগুলো পূর্ণ শক্তিতেই কাজ চালিয়ে যাবে, তবে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতি আপাতত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছে নয়াদিল্লি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কেন বাংলদেশ ছাড়ছেন ভারতীয়রা?

সর্বশেষ আপডেট ১০:১৪:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশে কর্মরত ভারতীয় কর্মকর্তা ও কূটনীতিকদের পরিবার সদস্যদের দেশত্যাগ—দুটি ভিন্ন ঘটনায় হলেও—একই সময়ে ঘটায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও আঞ্চলিক কূটনৈতিক টানাপোড়েন নিয়ে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভারতীয় কর্মকর্তাদের হঠাৎ দেশ ছাড়ার ঘটনা এবং কূটনীতিকদের পরিবারের প্রত্যাহার—দুটিই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারী) বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে কর্মরত নয়জন ভারতীয় কর্মকর্তা কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে দেশ ত্যাগ করায় প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা সকালে প্ল্যান্ট এলাকা ত্যাগ করে দুপুরের মধ্যেই সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন।

প্ল্যান্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই কর্মকর্তারা আগে কখনো নিরাপত্তা ঝুঁকি বা ব্যক্তিগত আশঙ্কার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানাননি। চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেও এভাবে হঠাৎ চলে যাওয়াকে তারা অস্বাভাবিক হিসেবে দেখছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে জানানো হয়েছে এবং পেছনের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

৯ কর্মকর্তা হলেন- ন্যাশনাল থারর্মার পাওয়ার কোম্পানির (এনটিপিসি) ভারত থেকে পেশনে পাওয়ার প্লান্ট মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্লান্টে কর্মরত জি এম সিউজ প্রতিম ভর্মন, জি এম বিশ্বজিৎ মন্ডল, জিএম এন-সুরায়া প্রকসা রায়, এজিএম কেসাবা পলাকী, ডিজিএম সুরেয়া কান্ত মন্দেকার, ডিজি এম সুরেন্দ্র লম্বা, এজিএম পাপ্পু লাল মিনা, ডিজিএম অর্নিবান সাহা সিএফ ও ইমানুয়েল পনরাজ দেবরাজ।

এর আগেই ২১ জানুয়ারী নিরাপত্তার অযুহাতে ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের বাংলাদেশ ত্যাগের বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়।

ওই সময় ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি জানা, ভারত সরকার বাংলাদেশে নিযুক্ত কূটনীতিকদের জন্য ‘নন-ফ্যামিলি পোস্টিং’ কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে কর্মরত ভারতীয় কর্মকর্তাদের পরিবার-পরিজনদের দেশে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে আরও বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই নিরাপত্তা মূল্যায়নের অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত বিবেচনায় ছিল। যদিও কূটনৈতিক মিশনগুলো পূর্ণ শক্তিতেই কাজ চালিয়ে যাবে, তবে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতি আপাতত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছে নয়াদিল্লি।