ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেনিয়ায় ভয়াবহ ভূমিধসে নিহত বেড়ে ২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:১১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫
  • / 99

কেনিয়ায় ভয়াবহ ভূমিধসে নিহত বেড়ে ২১

কয়েক দিন ধরে প্রবল বর্ষণের কারণে কেনিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ এলগেও-মারাকোয়েতের চেসোঙ্গোচ জেলার পাহাড়ি অঞ্চলে বড় ভূমিধস ঘটেছে। এতে অন্তত ২১ জন নিহত এবং ৩০ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

শুক্রবার গভীর রাতে চেসোঙ্গোচ জেলার রিফ্ট উপত্যকা অঞ্চলে এই ভূমিধস ঘটে। নিহত ও নিখোঁজের পাশাপাশি বেশ কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৩০ জনকে হেলিকপ্টারে করে নিকটবর্তী এলডোরেট শহরের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভূমিধসে রিফ্ট উপত্যকা অঞ্চলের এক হাজারেরও বেশি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক ব্যাপকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে। শনিবার থেকে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছেন দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীরা। তবে সড়ক নেটওয়ার্ক ভেঙে পড়ায় এবং বৃষ্টি এখনও চলমান থাকায় উদ্ধার তৎপরতা কাঙ্খিত গতিতে হচ্ছে না।

ভূমিধস থেকে বেঁচে যাওয়া স্থানীয় বাসিন্দা স্টিফেন কিটোনি বলেন, “অন্যান্য দিনের মতো শুক্রবার রাতে আমি স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে ঘুমিয়েছিলাম। হঠাৎ বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। পরিস্থিতি বুঝে আমরা নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে ছুটে যাই।”

কেনিয়ার পার্বত্য জেলা চেসোঙ্গোচে ভূমিধস বিরল দুর্যোগ। এর আগে ২০১০ এবং ২০১২ সালের বর্ষাকালে এই জেলায় ভূমিধস ঘটেছিল, যেখানে কয়েক ডজন মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। এছাড়া ২০২০ সালে ব্যাপক বন্যায় একটি শপিং সেন্টার ভেসে গিয়েছিল।

সূত্র: সিএনএন

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কেনিয়ায় ভয়াবহ ভূমিধসে নিহত বেড়ে ২১

সর্বশেষ আপডেট ১২:১১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

কয়েক দিন ধরে প্রবল বর্ষণের কারণে কেনিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ এলগেও-মারাকোয়েতের চেসোঙ্গোচ জেলার পাহাড়ি অঞ্চলে বড় ভূমিধস ঘটেছে। এতে অন্তত ২১ জন নিহত এবং ৩০ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

শুক্রবার গভীর রাতে চেসোঙ্গোচ জেলার রিফ্ট উপত্যকা অঞ্চলে এই ভূমিধস ঘটে। নিহত ও নিখোঁজের পাশাপাশি বেশ কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৩০ জনকে হেলিকপ্টারে করে নিকটবর্তী এলডোরেট শহরের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভূমিধসে রিফ্ট উপত্যকা অঞ্চলের এক হাজারেরও বেশি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক ব্যাপকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে। শনিবার থেকে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছেন দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীরা। তবে সড়ক নেটওয়ার্ক ভেঙে পড়ায় এবং বৃষ্টি এখনও চলমান থাকায় উদ্ধার তৎপরতা কাঙ্খিত গতিতে হচ্ছে না।

ভূমিধস থেকে বেঁচে যাওয়া স্থানীয় বাসিন্দা স্টিফেন কিটোনি বলেন, “অন্যান্য দিনের মতো শুক্রবার রাতে আমি স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে ঘুমিয়েছিলাম। হঠাৎ বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। পরিস্থিতি বুঝে আমরা নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে ছুটে যাই।”

কেনিয়ার পার্বত্য জেলা চেসোঙ্গোচে ভূমিধস বিরল দুর্যোগ। এর আগে ২০১০ এবং ২০১২ সালের বর্ষাকালে এই জেলায় ভূমিধস ঘটেছিল, যেখানে কয়েক ডজন মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। এছাড়া ২০২০ সালে ব্যাপক বন্যায় একটি শপিং সেন্টার ভেসে গিয়েছিল।

সূত্র: সিএনএন