ঢাকা ০৫:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেউ কিছু জানে না, এমন অনেক মিটিং হচ্ছে: আমির খসরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:১৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
  • / 77

কেউ কিছু জানে না, এমন অনেক মিটিং হচ্ছে: আমির খসরু

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, “অনেক মিটিং হচ্ছে, যেগুলো সম্পর্কে কেউ কিছু জানে না।”

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ঢাকায় নবনিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

আওয়ামী লীগের এক নেতার বাসায় তিন দেশের কূটনীতিকদের বৈঠক প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে আমির খসরু বলেন, “কূটনীতিকরা কার বাসায় বৈঠক করবেন, সেটা নিয়ে বিএনপির কোনো ভাবনা নেই। কতজন, কোথায় বৈঠক করছে—এ নিয়ে আমরা মন্তব্য করতে চাই না। এসব বৈঠক রাজনীতিতে কোনো প্রভাব ফেলে না। কেউ কিছু জানে না, এমনও অনেক বৈঠক হচ্ছে, যেগুলোর আমাদের কাছে কোনো গুরুত্ব নেই।”

তিনি বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। জনগণ কী চায়, সেটাই বড় বিষয়। দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে জনগণের সিদ্ধান্ত।”

বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নেতৃত্ব দেন। উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ।

বৈঠক শেষে আমির খসরু জানান, বিএনপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে সরকারে এলে ১৮ মাসের মধ্যে এক কোটি কর্মসংস্থান তৈরি করা হবে। “এই কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য দক্ষতা উন্নয়ন অপরিহার্য। সে কারণে জার্মানির সঙ্গে সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ,” বলেন তিনি।

তিনি আরও জানান, বৈঠকে স্কিল ডেভেলপমেন্ট ছাড়াও জার্মান বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। “জার্মানি ইতোমধ্যে বাংলাদেশকে ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে দেখছে। তারা চীন ও ভারতে বিনিয়োগ করেছে, এখন বাংলাদেশেও আগ্রহ দেখাচ্ছে,” বলেন তিনি।

বিএনপি নেতা আরও বলেন, বিনিয়োগের জন্য স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ জরুরি। “আমরা বিনিয়োগকারীদের কাছে আমাদের নীতিমালা ও সিদ্ধান্ত লিখিতভাবে তুলে ধরেছি, যা বাস্তবায়িত হলে বিনিয়োগের কোনো বাধা থাকবে না। নির্বাচিত সরকার এলে বিনিয়োগকারীরা স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে পারবে। সবাই এখন নির্বাচনের অপেক্ষায় আছে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কেউ কিছু জানে না, এমন অনেক মিটিং হচ্ছে: আমির খসরু

সর্বশেষ আপডেট ০৩:১৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, “অনেক মিটিং হচ্ছে, যেগুলো সম্পর্কে কেউ কিছু জানে না।”

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ঢাকায় নবনিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

আওয়ামী লীগের এক নেতার বাসায় তিন দেশের কূটনীতিকদের বৈঠক প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে আমির খসরু বলেন, “কূটনীতিকরা কার বাসায় বৈঠক করবেন, সেটা নিয়ে বিএনপির কোনো ভাবনা নেই। কতজন, কোথায় বৈঠক করছে—এ নিয়ে আমরা মন্তব্য করতে চাই না। এসব বৈঠক রাজনীতিতে কোনো প্রভাব ফেলে না। কেউ কিছু জানে না, এমনও অনেক বৈঠক হচ্ছে, যেগুলোর আমাদের কাছে কোনো গুরুত্ব নেই।”

তিনি বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। জনগণ কী চায়, সেটাই বড় বিষয়। দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে জনগণের সিদ্ধান্ত।”

বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নেতৃত্ব দেন। উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ।

বৈঠক শেষে আমির খসরু জানান, বিএনপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে সরকারে এলে ১৮ মাসের মধ্যে এক কোটি কর্মসংস্থান তৈরি করা হবে। “এই কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য দক্ষতা উন্নয়ন অপরিহার্য। সে কারণে জার্মানির সঙ্গে সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ,” বলেন তিনি।

তিনি আরও জানান, বৈঠকে স্কিল ডেভেলপমেন্ট ছাড়াও জার্মান বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। “জার্মানি ইতোমধ্যে বাংলাদেশকে ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে দেখছে। তারা চীন ও ভারতে বিনিয়োগ করেছে, এখন বাংলাদেশেও আগ্রহ দেখাচ্ছে,” বলেন তিনি।

বিএনপি নেতা আরও বলেন, বিনিয়োগের জন্য স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ জরুরি। “আমরা বিনিয়োগকারীদের কাছে আমাদের নীতিমালা ও সিদ্ধান্ত লিখিতভাবে তুলে ধরেছি, যা বাস্তবায়িত হলে বিনিয়োগের কোনো বাধা থাকবে না। নির্বাচিত সরকার এলে বিনিয়োগকারীরা স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে পারবে। সবাই এখন নির্বাচনের অপেক্ষায় আছে।”