ঢাকা ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদকের জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:২১:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫
  • / 144

কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল

সরকারি কাজে বাধা ও বেআইনি সমাবেশের অভিযোগে পল্টন থানার মামলায় দণ্ডিত জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুলকে জামিন দিয়েছেন আদালত।

 

রোববার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন।

 

এতে করে তার কারামুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক।

 

২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর শহিদুল ইসলাম বাবুলকে এ মামলার রায়ে এক ধারায় আড়াই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আরেক ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয় তাকে।

বাবুল গত ১৮ আগস্ট ঢাকার হাকিম আদালতে আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে জামিনের আবেদন করলে মহানগর হাকিম মো. সাইফুজ্জামান তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

 

পরদিন ১৯ আগস্ট খালাস চেয়ে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আপিল করেন তার আইনজীবী। একইসঙ্গে তার পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়।

 

ওইদিন আদালত আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে জামিন শুনানির জন্য রোববার দিন ধার্য করে দেয়।

 

বাবুলের পক্ষে জামিন শুনানি করেন আইনজীবী মোসলেহ উদ্দিন জসিম, নিহার হোসেন ফারুকসহ কয়েকজন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করে বলে অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট এইচ এম মাসুম জানান।

 

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কক্সবাজার সফর শেষে গুলশান যাওয়ার পথে দলের নেতাকর্মীরা পল্টন এলাকায় সরকারবিরোধী স্লোগান দেয়। ভিআইপি রোড বন্ধ করে ‘ভাংচুরের চেষ্টা’ চালায়।

ওই ঘটনায় পল্টন মডেল থানার তখনকার এসআই মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল এ মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৯ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা একই থানার এসআই আতাউর রহমান।

মামলার সকল কার্যক্রম শেষে ২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর রায় দেয় আদালত।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদকের জামিন

সর্বশেষ আপডেট ০৪:২১:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

সরকারি কাজে বাধা ও বেআইনি সমাবেশের অভিযোগে পল্টন থানার মামলায় দণ্ডিত জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুলকে জামিন দিয়েছেন আদালত।

 

রোববার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন।

 

এতে করে তার কারামুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক।

 

২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর শহিদুল ইসলাম বাবুলকে এ মামলার রায়ে এক ধারায় আড়াই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আরেক ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয় তাকে।

বাবুল গত ১৮ আগস্ট ঢাকার হাকিম আদালতে আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে জামিনের আবেদন করলে মহানগর হাকিম মো. সাইফুজ্জামান তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

 

পরদিন ১৯ আগস্ট খালাস চেয়ে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আপিল করেন তার আইনজীবী। একইসঙ্গে তার পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়।

 

ওইদিন আদালত আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে জামিন শুনানির জন্য রোববার দিন ধার্য করে দেয়।

 

বাবুলের পক্ষে জামিন শুনানি করেন আইনজীবী মোসলেহ উদ্দিন জসিম, নিহার হোসেন ফারুকসহ কয়েকজন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করে বলে অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট এইচ এম মাসুম জানান।

 

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কক্সবাজার সফর শেষে গুলশান যাওয়ার পথে দলের নেতাকর্মীরা পল্টন এলাকায় সরকারবিরোধী স্লোগান দেয়। ভিআইপি রোড বন্ধ করে ‘ভাংচুরের চেষ্টা’ চালায়।

ওই ঘটনায় পল্টন মডেল থানার তখনকার এসআই মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল এ মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৯ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা একই থানার এসআই আতাউর রহমান।

মামলার সকল কার্যক্রম শেষে ২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর রায় দেয় আদালত।