ঢাকা ০৮:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় সন্তানের গলায় অস্ত্র ধরে মাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৯:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 172

ধর্ষণ

সন্তানের গলায় অস্ত্র ধরে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মালামাল লুটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে ঘটনা ঘটলেও সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) থানায় ধর্ষণ ও লুটের পৃথক দুটি মামলা করেন ভুক্তভোগী নারী ও তার শ্বশুর।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন রাতে লাবু (৩৬), তারিখ (৪২) ও সুবেল (৩৫)-সহ ৭/৮ জন ভুক্তভোগী নারীর বাড়িতে প্রবেশ করে তার স্বামী ও দেবরকে হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করতে চাইলে বাধা দেন তিনি। পরে তার তিন বছরের শিশু সন্তানের গলায় অস্ত্র ধরে লাবু, সুবেল ও তারিখ ধর্ষণ করে।

এদিকে, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর চলে যাওয়ার সময় ঘরে থাকা স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায়। পরিবারের লোকজন চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা এসে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় গৃহবধূ বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলা এবং তার শ্বশুর বাদী হয়ে ডাকাতি মামলা করেন।

দৌলতপুর থানার ওসি সোলাইমান শেখ বলেন, মামলার পরপরই তিন আসামি লাবু, সুবেল ও তারিখকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপরাধের সঙ্গে জড়িত কেউ রক্ষা পাবে না। অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং সবাইকে গ্রেপ্তার করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কুষ্টিয়ায় সন্তানের গলায় অস্ত্র ধরে মাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৯:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সন্তানের গলায় অস্ত্র ধরে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মালামাল লুটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে ঘটনা ঘটলেও সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) থানায় ধর্ষণ ও লুটের পৃথক দুটি মামলা করেন ভুক্তভোগী নারী ও তার শ্বশুর।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন রাতে লাবু (৩৬), তারিখ (৪২) ও সুবেল (৩৫)-সহ ৭/৮ জন ভুক্তভোগী নারীর বাড়িতে প্রবেশ করে তার স্বামী ও দেবরকে হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করতে চাইলে বাধা দেন তিনি। পরে তার তিন বছরের শিশু সন্তানের গলায় অস্ত্র ধরে লাবু, সুবেল ও তারিখ ধর্ষণ করে।

এদিকে, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর চলে যাওয়ার সময় ঘরে থাকা স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায়। পরিবারের লোকজন চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা এসে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় গৃহবধূ বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলা এবং তার শ্বশুর বাদী হয়ে ডাকাতি মামলা করেন।

দৌলতপুর থানার ওসি সোলাইমান শেখ বলেন, মামলার পরপরই তিন আসামি লাবু, সুবেল ও তারিখকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপরাধের সঙ্গে জড়িত কেউ রক্ষা পাবে না। অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং সবাইকে গ্রেপ্তার করা হবে।