ঢাকা ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুয়েতে বাংলাদেশিসহ সাত জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:০২:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 129

কুয়েতে বাংলাদেশিসহ সাত জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর। ছবি: সংগৃহীত

হত্যা ও মাদক পাচারের অভিযোগে দুই বাংলাদেশীসহ সাতজনের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করেছে কুয়েত সরকার। অল-সেয়াসাহ দৈনিকের বরাত দিয়ে আরব টাইমস জানায়, বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্রীয় কারাগারে এ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

 

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে তিনজন কুয়েতি, দুইজন বাংলাদেশি এবং দুইজন ইরানি নাগরিক রয়েছেন। খবরটি কুয়েত কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

ফাঁসিতে ঝুলানোদের মধ্যে কুয়েতি নাগরিক আবদুল আজিজ আল-জাতারি ও আহমেদ আল-জালালের হত্যাকারীরাও ছিলেন। এছাড়াও দুই ইরানি নাগরিককে মাদক পাচারের অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।

এক মামলায় আসামিদের পক্ষ থেকে আত্মীয়রা প্রায় দুই মিলিয়ন কুয়েতি দিনার ব্লাড মানি পরিশোধের চেষ্টা করেছিলেন, তবে সময়মতো তা সম্ভব হয়নি। ফলে সাজাপ্রাপ্তদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে সমস্ত আইনানুগ রিভিউ ও আপিল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে, এক আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও ভিকটিম পরিবারের ক্ষমার ভিত্তিতে তা স্থগিত করা হয়েছে। নতুন আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তার দণ্ড কার্যকর হবে না। পারিবারিক প্যারডন পাওয়া ওই আসামির নাম বা পরিচয় প্রকাশ করেনি কুয়েতি কর্তৃপক্ষ।

তবে প্রাথমিকভাবে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তদের নাম, পরিচয় জানা যায়নি।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কুয়েতে বাংলাদেশিসহ সাত জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

সর্বশেষ আপডেট ০৪:০২:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

হত্যা ও মাদক পাচারের অভিযোগে দুই বাংলাদেশীসহ সাতজনের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করেছে কুয়েত সরকার। অল-সেয়াসাহ দৈনিকের বরাত দিয়ে আরব টাইমস জানায়, বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্রীয় কারাগারে এ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

 

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে তিনজন কুয়েতি, দুইজন বাংলাদেশি এবং দুইজন ইরানি নাগরিক রয়েছেন। খবরটি কুয়েত কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

ফাঁসিতে ঝুলানোদের মধ্যে কুয়েতি নাগরিক আবদুল আজিজ আল-জাতারি ও আহমেদ আল-জালালের হত্যাকারীরাও ছিলেন। এছাড়াও দুই ইরানি নাগরিককে মাদক পাচারের অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।

এক মামলায় আসামিদের পক্ষ থেকে আত্মীয়রা প্রায় দুই মিলিয়ন কুয়েতি দিনার ব্লাড মানি পরিশোধের চেষ্টা করেছিলেন, তবে সময়মতো তা সম্ভব হয়নি। ফলে সাজাপ্রাপ্তদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে সমস্ত আইনানুগ রিভিউ ও আপিল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে, এক আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও ভিকটিম পরিবারের ক্ষমার ভিত্তিতে তা স্থগিত করা হয়েছে। নতুন আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তার দণ্ড কার্যকর হবে না। পারিবারিক প্যারডন পাওয়া ওই আসামির নাম বা পরিচয় প্রকাশ করেনি কুয়েতি কর্তৃপক্ষ।

তবে প্রাথমিকভাবে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তদের নাম, পরিচয় জানা যায়নি।