ঢাকা ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লা-৪ আসনে হাসনাতের মনোনয়ন বৈধ, মঞ্জুরের আবেদন বাতিল করেছে ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:০২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 128

এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ (বামে) ও বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। ফাইল ছবি

কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছিলেন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন (ইসি) এই আবেদন নামঞ্জুর করে, ফলে হাসনাতের মনোনয়ন বৈধই থাকল

অপরদিকে ঋণ খেলাপির জেরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুলের প্রার্থিতা বাতিল করেছে ইসি । আপিল শুনানি শেষে কমিশন একই দিন বিকেলে এ সিদ্ধান্ত জানায়।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন কমিশন ভবনের বেজমেন্ট-২ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত শুনানিতে কমিশন সংশ্লিষ্ট নথি ও অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে ঋণ খেলাপির কারণে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বহাল রাখা যায় না।

এই আসনে ১০ দলীয় নির্বাচনী জোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এনসিপির নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ। এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন।

অন্যদিকে, বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীও পাল্টা আপিল দায়ের করে হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন। দুই পক্ষের আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।

গত ৯ জানুয়ারি কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী নির্বাচন কমিশনে হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। এর আগেই হাসনাত নিজেই মঞ্জুরুলের মনোনয়ন বাতিল চেয়ে কমিশনে আবেদন করেছিলেন।

কুমিল্লা-৪ আসনের এই ভোট প্রতিযোগিতায় মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ঋণ খেলাপির অভিযোগে রয়েছেন। এই প্রেক্ষিতে আদালত তার নাম স্থগিত করে জারি করা রুল দুই সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টকে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের আদালতে এ আদেশ দেওয়া হয়। এ অবস্থায় আইন অনুযায়ী তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না।

তবে প্রিমিয়ার ব্যাংকের আইনজীবীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ঋণ পুনঃতফসিল করেছেন। তাই রুল নিষ্পত্তি হলে শীঘ্রই তিনি ঋণ খেলাপি তালিকা থেকে মুক্ত হবেন।

আদালতে প্রিমিয়ার ব্যাংকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার বিভূতি তরফদার। অপরপক্ষে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী সাইফুল্লাহ মামুন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কুমিল্লা-৪ আসনে হাসনাতের মনোনয়ন বৈধ, মঞ্জুরের আবেদন বাতিল করেছে ইসি

সর্বশেষ আপডেট ০৫:০২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছিলেন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন (ইসি) এই আবেদন নামঞ্জুর করে, ফলে হাসনাতের মনোনয়ন বৈধই থাকল

অপরদিকে ঋণ খেলাপির জেরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুলের প্রার্থিতা বাতিল করেছে ইসি । আপিল শুনানি শেষে কমিশন একই দিন বিকেলে এ সিদ্ধান্ত জানায়।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন কমিশন ভবনের বেজমেন্ট-২ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত শুনানিতে কমিশন সংশ্লিষ্ট নথি ও অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে ঋণ খেলাপির কারণে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বহাল রাখা যায় না।

এই আসনে ১০ দলীয় নির্বাচনী জোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এনসিপির নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ। এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন।

অন্যদিকে, বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীও পাল্টা আপিল দায়ের করে হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন। দুই পক্ষের আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।

গত ৯ জানুয়ারি কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী নির্বাচন কমিশনে হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। এর আগেই হাসনাত নিজেই মঞ্জুরুলের মনোনয়ন বাতিল চেয়ে কমিশনে আবেদন করেছিলেন।

কুমিল্লা-৪ আসনের এই ভোট প্রতিযোগিতায় মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ঋণ খেলাপির অভিযোগে রয়েছেন। এই প্রেক্ষিতে আদালত তার নাম স্থগিত করে জারি করা রুল দুই সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টকে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের আদালতে এ আদেশ দেওয়া হয়। এ অবস্থায় আইন অনুযায়ী তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না।

তবে প্রিমিয়ার ব্যাংকের আইনজীবীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ঋণ পুনঃতফসিল করেছেন। তাই রুল নিষ্পত্তি হলে শীঘ্রই তিনি ঋণ খেলাপি তালিকা থেকে মুক্ত হবেন।

আদালতে প্রিমিয়ার ব্যাংকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার বিভূতি তরফদার। অপরপক্ষে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী সাইফুল্লাহ মামুন।