ঢাকা ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় প্রেমিকের খোঁজে বেরিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণী

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
  • / 186

কুমিল্লায় প্রেমিকের খোঁজে বেরিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণী

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলায় প্রেমিকের খোঁজে বেরিয়ে এক তরুণী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন লাকসাম পৌরসভার পেয়ারাপুর দক্ষিণ পাড়ার এনায়েত রহমান সাক্কু (১৯), বড়তুপা গ্রামের সাগর (২৬) ও কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চর কাওনা গ্রামের স্বপন মিয়া (২১)। এছাড়া মামলার অন্য আসামি খোরশেদ (২৬) পলাতক থাকলেও তাকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) সন্ধ্যায় লাকসাম থানার ওসি নাজনীন সুলতানা গণমাধ্যমকে জানান, ৮ জুন ভুক্তভোগী তরুণী তাঁর প্রেমিককে খুঁজতে লাকসাম বাজারে আসেন। সেখানে তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় সাক্কুর, যিনি একজন অটোরিকশাচালক। তরুণীকে নিয়ে প্রেমিককে খুঁজতে বের হন সাক্কু।

রাত ১০টার দিকে তাঁরা লাকসাম রেলস্টেশনের পাশে বসে থাকলে তিন যুবক এসে তাঁদের উত্ত্যক্ত করতে শুরু করে। সাক্কু নিজেকে তরুণীর স্বামী বলে পরিচয় দিলেও পরে স্বীকার করেন, তিনি ওই তরুণীর কেউ নন।

এরপর সাক্কুসহ তিন যুবক তরুণীকে জোরপূর্বক রেললাইনের পাশে একটি পরিত্যক্ত টিনের ঘরে নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে।

ভুক্তভোগী তরুণী বিষয়টি পুলিশকে জানানোর পর তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে তরুণীর মামাতো ভাই লাকসাম থানায় চারজনকে আসামি করে মামলা করেন। পুলিশ সোমবার রাতেই অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে এবং আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

ওসি নাজনীন সুলতানা বলেন, “পলাতক আসামি খোরশেদকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কুমিল্লায় প্রেমিকের খোঁজে বেরিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণী

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলায় প্রেমিকের খোঁজে বেরিয়ে এক তরুণী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন লাকসাম পৌরসভার পেয়ারাপুর দক্ষিণ পাড়ার এনায়েত রহমান সাক্কু (১৯), বড়তুপা গ্রামের সাগর (২৬) ও কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চর কাওনা গ্রামের স্বপন মিয়া (২১)। এছাড়া মামলার অন্য আসামি খোরশেদ (২৬) পলাতক থাকলেও তাকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) সন্ধ্যায় লাকসাম থানার ওসি নাজনীন সুলতানা গণমাধ্যমকে জানান, ৮ জুন ভুক্তভোগী তরুণী তাঁর প্রেমিককে খুঁজতে লাকসাম বাজারে আসেন। সেখানে তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় সাক্কুর, যিনি একজন অটোরিকশাচালক। তরুণীকে নিয়ে প্রেমিককে খুঁজতে বের হন সাক্কু।

রাত ১০টার দিকে তাঁরা লাকসাম রেলস্টেশনের পাশে বসে থাকলে তিন যুবক এসে তাঁদের উত্ত্যক্ত করতে শুরু করে। সাক্কু নিজেকে তরুণীর স্বামী বলে পরিচয় দিলেও পরে স্বীকার করেন, তিনি ওই তরুণীর কেউ নন।

এরপর সাক্কুসহ তিন যুবক তরুণীকে জোরপূর্বক রেললাইনের পাশে একটি পরিত্যক্ত টিনের ঘরে নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে।

ভুক্তভোগী তরুণী বিষয়টি পুলিশকে জানানোর পর তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে তরুণীর মামাতো ভাই লাকসাম থানায় চারজনকে আসামি করে মামলা করেন। পুলিশ সোমবার রাতেই অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে এবং আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

ওসি নাজনীন সুলতানা বলেন, “পলাতক আসামি খোরশেদকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”