ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কারাগারে সন্তান জন্ম দিলেন হত্যা মামলার আসামি

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:০৮:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
  • / 146

কারাগারে সন্তান জন্ম দিলেন হত্যা মামলার আসামি

কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্মৃতি আক্তার নামের হত্যা মামলার এক আসামি সন্তান প্রসব করেছেন। বুধবার (২৭ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুন।

এর আগে সোমবার রাতে ওই নারী কারাবন্দি সন্তান প্রসব করেন। মা ও নবজাতক দুজনেই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কারাবন্দি ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন।

কারাবন্দি স্মৃতি আক্তার জেলার তিতাস উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের মজিদপুর গ্রামের হোসেন মিয়ার স্ত্রী। গত ১১ আগস্ট তিনি একটি হত্যা মামলার আসামি হয়ে কুমিল্লা কারাগারে আসেন।

কুমিল্লা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুন বলেন, সোমবার ওই নারীর প্রসব ব্যথা উঠলে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করি। পরে চিকিৎসক জানান, তার সিজারিয়ান অপারেশন করতে হবে। আমরা তার পরিবারের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে তাৎক্ষণিক অনুমতি দিই। পরে তিনি কন্যাসন্তান প্রসব করেন।

জেল সুপার আরও বলেন, আমরা তার চিকিৎসা সেবা, খাবারের ব্যবস্থা ও শিশুর জন্য পোশাকসহ যাবতীয় সব ব্যবস্থা করেছি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কারাগারে সন্তান জন্ম দিলেন হত্যা মামলার আসামি

সর্বশেষ আপডেট ১২:০৮:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্মৃতি আক্তার নামের হত্যা মামলার এক আসামি সন্তান প্রসব করেছেন। বুধবার (২৭ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুন।

এর আগে সোমবার রাতে ওই নারী কারাবন্দি সন্তান প্রসব করেন। মা ও নবজাতক দুজনেই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কারাবন্দি ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন।

কারাবন্দি স্মৃতি আক্তার জেলার তিতাস উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের মজিদপুর গ্রামের হোসেন মিয়ার স্ত্রী। গত ১১ আগস্ট তিনি একটি হত্যা মামলার আসামি হয়ে কুমিল্লা কারাগারে আসেন।

কুমিল্লা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুন বলেন, সোমবার ওই নারীর প্রসব ব্যথা উঠলে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করি। পরে চিকিৎসক জানান, তার সিজারিয়ান অপারেশন করতে হবে। আমরা তার পরিবারের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে তাৎক্ষণিক অনুমতি দিই। পরে তিনি কন্যাসন্তান প্রসব করেন।

জেল সুপার আরও বলেন, আমরা তার চিকিৎসা সেবা, খাবারের ব্যবস্থা ও শিশুর জন্য পোশাকসহ যাবতীয় সব ব্যবস্থা করেছি।