ঢাকা ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কলেজছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ, যুবকের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, চাঁদপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৬:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
  • / 198

চাঁদপুরে কলেজশিক্ষার্থীকে অপরহণ ও ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় এক যুবককে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩১ মে) দুপুরে চাঁদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) মো. আব্দুল হান্নান এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বিশ্বনাথ চন্দ্র দাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্চারামপুর থানার দড়িয়া দৌলত মুল্লক গ্রামের মতিলাল চন্দ্র দাসের ছেলে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, আসামি তার কয়েকজন সহযোগী নিয়ে ২০১৩ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ওই শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজে না পেয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপর ৯ অক্টোবর অপহৃরণের শিকার শিক্ষার্থী তার চাচার কাছে ফোন করে জানায় বিশ্বনাথ চন্দ্র দাস তার সহযোগীদের নিয়ে তাকে অপহরণ করে তার বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখে। এই ঘটনায় ওই কলেজ শিক্ষার্থীর চাচা মতলব দক্ষিণ থানায় ৯ অক্টোবর থানায় মামলা করে।

পরবর্তীতে মতলব দক্ষিণ থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জামাল উদ্দিন মামলাটি তদন্ত করে ২০১৩ সালের ২৬ নভেম্বর আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।

মামলার পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শিরিন সুলতানা মুক্তা জানান, প্রায় ১২ বছর মামলাটি চলমান অবস্থায় ৪ জনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ করে আদালত। আসামির অনপুস্থিতিতে স্বাক্ষ্য প্রমাণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে বিচারক এ রায় দেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কলেজছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ, যুবকের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৬:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

চাঁদপুরে কলেজশিক্ষার্থীকে অপরহণ ও ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় এক যুবককে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩১ মে) দুপুরে চাঁদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) মো. আব্দুল হান্নান এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বিশ্বনাথ চন্দ্র দাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্চারামপুর থানার দড়িয়া দৌলত মুল্লক গ্রামের মতিলাল চন্দ্র দাসের ছেলে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, আসামি তার কয়েকজন সহযোগী নিয়ে ২০১৩ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ওই শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজে না পেয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপর ৯ অক্টোবর অপহৃরণের শিকার শিক্ষার্থী তার চাচার কাছে ফোন করে জানায় বিশ্বনাথ চন্দ্র দাস তার সহযোগীদের নিয়ে তাকে অপহরণ করে তার বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখে। এই ঘটনায় ওই কলেজ শিক্ষার্থীর চাচা মতলব দক্ষিণ থানায় ৯ অক্টোবর থানায় মামলা করে।

পরবর্তীতে মতলব দক্ষিণ থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জামাল উদ্দিন মামলাটি তদন্ত করে ২০১৩ সালের ২৬ নভেম্বর আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।

মামলার পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শিরিন সুলতানা মুক্তা জানান, প্রায় ১২ বছর মামলাটি চলমান অবস্থায় ৪ জনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ করে আদালত। আসামির অনপুস্থিতিতে স্বাক্ষ্য প্রমাণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে বিচারক এ রায় দেন।