কক্সবাজার-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন আলোচনায় আব্দুল্লাহ
- সর্বশেষ আপডেট ০৩:১৩:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
- / 329
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে—এমনটি ধরে নিয়েই প্রস্তুতি শুরু করেছে বিএনপি। ইতোমধ্যে দলটি প্রার্থী বাছাইয়ে জনমত জরিপ শুরু করেছে। এসব জরিপে ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৮ সালের মনোনয়ন পাওয়া অধিকাংশ প্রার্থীর জনপ্রিয়তা বজায় রয়েছে।
তবে এ সত্ত্বেও অন্তত শতাধিক আসনে অপেক্ষাকৃত তরুণ ও নতুন নেতাদের মনোনয়ন নিয়ে বিএনপির ভেতরে-বাইরে আলোচনা চলছে। এসব সম্ভাব্য তরুণ প্রার্থীর অনেকে ইতোমধ্যে এলাকাবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত পেলে এই নতুন মুখরাই আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন পেতে পারেন।
এমন আলোচিত তরুণদের মধ্যে কক্সবাজার-৪ আসনে (উখিয়া-টেকনাফ) সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছেন দীর্ঘ ১৭ বছরের অধিক সময় ধরে আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সক্রিয় থাকা জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক ও সীমান্ত জনপদের মজলুম জননেতা আলহাজ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে তিনি প্রায় অর্ধশতাধিক মিথ্যা মামলা, হামলা ও জেলজুলুমের শিকার হয়েছেন।
বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রার্থী বাছাই, নির্বাচনি ইশতেহার ও জোট—এই তিনটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করেই প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটি। প্রার্থী মনোনয়নে এবার গুরুত্ব পাচ্ছেন ত্যাগী, সৎ ও জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নেতারা। এলাকার জনপ্রিয়তা ও জনমত জরিপের ফলাফলকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, “বিএনপিতে অতীতে অনেক নতুন প্রার্থী এসেছেন; যারা এমপি ও মন্ত্রী হয়েছেন। যাকে মনোনয়ন দিলে জয়ের সম্ভাবনা বেশি, তাকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, “অনেকের ত্যাগ থাকলেও যোগ্যতা না-ও থাকতে পারে। এমন প্রার্থীদের ভবিষ্যতে অন্যভাবে মূল্যায়ন করা হবে। তবে যাকে দিলে আসনটি নিরাপদ হবে, তাকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে।”
“রাজনীতিতে বয়স নয়, কার্যকারিতা গুরুত্বপূর্ণ। ত্যাগী হলেও যিনি জয় এনে দিতে পারবেন না, তাকেও প্রস্তুত করতে হবে। কোনো আসন কারও জন্য নির্ধারিত নয়,” যোগ করেন গয়েশ্বর চন্দ্র।
জানা গেছে, কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে আলহাজ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ নীরবে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের নির্দেশনায় তিনি কাজ করছেন। তরুণ এই নেতার লক্ষ্য সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা।

































