ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার সৈকতে বন্ধ হচ্ছে লাইফগার্ড সেবা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৩৫:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 131

কক্সবাজার সৈকতে বন্ধ হচ্ছে লাইফগার্ড সেবা

কক্সবাজারে পর্যটক সুরক্ষার জন্য প্রায় এক দশক ধরে চলমান বেসরকারি সংস্থা ‘সি-সেইফ লাইফগার্ড’ কার্যক্রম তহবিল সংকটের কারণে বন্ধের পথে। নব্বইয়ের দশক থেকে সৈকতের উন্নয়ন ও পর্যটনের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই সেবা সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত চালু থাকবে। অক্টোবর থেকে সৈকতে গোসলে নামা পর্যটকরা ঝুঁকিতে পড়বেন।

প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সুগন্ধা, কলাতলী ও লাবণী পয়েন্টে ২৭ জন লাইফগার্ড পর্যটকদের সুরক্ষায় দায়িত্ব পালন করতেন। কিন্তু অর্থাভাবে তাদের বেতন-ভাতা দিতে পারছে না সংস্থা। এতে ২৭ জন লাইফগার্ডসহ ৩৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মসংস্থান হারাবেন।

২০১২ সাল থেকে ‘রয়্যাল ন্যাশনাল লাইফবোট ইনস্টিটিউট’-এর অর্থায়নে সি-সেইফ লাইফগার্ড সেবা পরিচালনা করে আসছে। এই সময় তারা অন্তত ৮১৫ পর্যটককে উদ্ধার করেছেন, আর ৬৫ জনের মৃত্যু রোধ করা সম্ভব হয়নি।

সংস্থার কর্মকর্তা ইমতিয়াজ আহমেদ জানিয়েছেন, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় সেপ্টেম্বরেই কার্যক্রম বন্ধ হচ্ছে। জেলা প্রশাসন হোটেলগুলোর মাধ্যমে সেবা চালু রাখার চেষ্টা করছে, তবে হোটেল মালিকরা এখনও অর্থ যোগানে সাড়া দেয়নি।

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কক্সবাজারের নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিত করতে লাইফগার্ড সেবা অব্যাহত রাখা রাষ্ট্র ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। তহবিল সংকটে সেবা বন্ধ হলে পর্যটক নিরাপত্তা ও স্থানীয় পর্যটন শিল্পের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কক্সবাজার সৈকতে বন্ধ হচ্ছে লাইফগার্ড সেবা

সর্বশেষ আপডেট ০১:৩৫:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কক্সবাজারে পর্যটক সুরক্ষার জন্য প্রায় এক দশক ধরে চলমান বেসরকারি সংস্থা ‘সি-সেইফ লাইফগার্ড’ কার্যক্রম তহবিল সংকটের কারণে বন্ধের পথে। নব্বইয়ের দশক থেকে সৈকতের উন্নয়ন ও পর্যটনের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই সেবা সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত চালু থাকবে। অক্টোবর থেকে সৈকতে গোসলে নামা পর্যটকরা ঝুঁকিতে পড়বেন।

প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সুগন্ধা, কলাতলী ও লাবণী পয়েন্টে ২৭ জন লাইফগার্ড পর্যটকদের সুরক্ষায় দায়িত্ব পালন করতেন। কিন্তু অর্থাভাবে তাদের বেতন-ভাতা দিতে পারছে না সংস্থা। এতে ২৭ জন লাইফগার্ডসহ ৩৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মসংস্থান হারাবেন।

২০১২ সাল থেকে ‘রয়্যাল ন্যাশনাল লাইফবোট ইনস্টিটিউট’-এর অর্থায়নে সি-সেইফ লাইফগার্ড সেবা পরিচালনা করে আসছে। এই সময় তারা অন্তত ৮১৫ পর্যটককে উদ্ধার করেছেন, আর ৬৫ জনের মৃত্যু রোধ করা সম্ভব হয়নি।

সংস্থার কর্মকর্তা ইমতিয়াজ আহমেদ জানিয়েছেন, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় সেপ্টেম্বরেই কার্যক্রম বন্ধ হচ্ছে। জেলা প্রশাসন হোটেলগুলোর মাধ্যমে সেবা চালু রাখার চেষ্টা করছে, তবে হোটেল মালিকরা এখনও অর্থ যোগানে সাড়া দেয়নি।

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কক্সবাজারের নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিত করতে লাইফগার্ড সেবা অব্যাহত রাখা রাষ্ট্র ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। তহবিল সংকটে সেবা বন্ধ হলে পর্যটক নিরাপত্তা ও স্থানীয় পর্যটন শিল্পের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।