ঢাকা ০৬:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার সৈকতে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ ও লাইসেন্স বাতিলের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৩:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 153

কক্সবাজার সৈকতে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ ও লাইসেন্স বাতিলের উদ্যোগ

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়িতে অবৈধভাবে স্থাপিত দোকান উচ্ছেদ এবং সংশ্লিষ্ট লাইসেন্স বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয় থেকে ভূমি মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

পরিবেশ মন্ত্রণালয় জানায়, এসব দোকান সৈকতের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করছে এবং আইন ও বিধি লঙ্ঘন করে লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ECA) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬ অনুযায়ী ইসিএ এলাকায় পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক স্থাপনা স্থাপন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রমের অনুমোদন ছাড়া করা যাবে না বলে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিল কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এছাড়া, হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্ট বিভিন্ন সময়ে সৈকতে স্থাপনা নির্মাণের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কক্সবাজার সৈকতে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ ও লাইসেন্স বাতিলের উদ্যোগ

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৩:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়িতে অবৈধভাবে স্থাপিত দোকান উচ্ছেদ এবং সংশ্লিষ্ট লাইসেন্স বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয় থেকে ভূমি মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

পরিবেশ মন্ত্রণালয় জানায়, এসব দোকান সৈকতের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করছে এবং আইন ও বিধি লঙ্ঘন করে লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ECA) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬ অনুযায়ী ইসিএ এলাকায় পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক স্থাপনা স্থাপন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রমের অনুমোদন ছাড়া করা যাবে না বলে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিল কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এছাড়া, হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্ট বিভিন্ন সময়ে সৈকতে স্থাপনা নির্মাণের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন।