ঢাকা ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারের সুগন্ধা বিচে রাতের অশান্তি ও অশ্লীল কার্যক্রম

রাজীব সাকলাইন, কক্সবাজার থেকে ফিরে
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:০৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
  • / 120

কক্সবাজারের সুগন্ধা বিচে রাতের অশান্তি ও অশ্লীল কার্যক্রম

পর্যটন শহর কক্সবাজারের সুগন্ধা সমুদ্র সৈকতে রাতের বেলা অশ্লীল কর্মকাণ্ড ও কিছু নারী ব্যবসায়ীর সক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে। দিনের বেলা পর্যটকরা বিচটি উপভোগ করেন, কিন্তু রাত যত গভীর হয়, পরিস্থিতি বদলে যায়।

স্থানীয় দোকানদার ও নিয়মিত বিচ যাতায়াতকারীদের বরাতে জানা গেছে, রাত প্রায় ১১টা থেকে ১২টার দিকে কিছু নারী ব্যবসায়ী পর্যটকদের দিকে নজর দিয়ে কর্মকাণ্ড শুরু করেন। তখন অনেক পর্যটক এখানে বারবিকিউ বা সারারাত সূর্যোদয় দেখার জন্য অবস্থান করেন। অভিযোগ রয়েছে, অন্ধকার ও নির্জন জায়গায় নারী ও পুরুষদের একটি চক্র টাকার বিনিময়ে অশ্লীল কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে। এই চক্র বিদেশি ও স্থানীয় পর্যটকদের প্রলোভন দেখিয়ে লেনদেন চালায়।

একজন চানাচুর বিক্রেতা জানিয়েছেন, “আমি সারারাত বিচে বিক্রি করি। রাতের গভীরে কিছু নারী-পুরুষ আসে, যেখানে পুরুষরা নারীদের জন্য কাস্টমার খুঁজে। পুলিশ টহল দিলে তারা সরে যায়, কিন্তু কিছু সময় পর পুনরায় ফিরে আসে।”

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে এখানে এই ধরনের কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে, এবং সাম্প্রতিক সময়ে তা আরও বেড়েছে। এতে কক্সবাজারের পর্যটন ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তাদের মতে, রাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত আলো, সিসিটিভি এবং নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো হলে এই সমস্যা কমানো সম্ভব এবং পরিবার বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কক্সবাজারের সুগন্ধা বিচে রাতের অশান্তি ও অশ্লীল কার্যক্রম

সর্বশেষ আপডেট ০১:০৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

পর্যটন শহর কক্সবাজারের সুগন্ধা সমুদ্র সৈকতে রাতের বেলা অশ্লীল কর্মকাণ্ড ও কিছু নারী ব্যবসায়ীর সক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে। দিনের বেলা পর্যটকরা বিচটি উপভোগ করেন, কিন্তু রাত যত গভীর হয়, পরিস্থিতি বদলে যায়।

স্থানীয় দোকানদার ও নিয়মিত বিচ যাতায়াতকারীদের বরাতে জানা গেছে, রাত প্রায় ১১টা থেকে ১২টার দিকে কিছু নারী ব্যবসায়ী পর্যটকদের দিকে নজর দিয়ে কর্মকাণ্ড শুরু করেন। তখন অনেক পর্যটক এখানে বারবিকিউ বা সারারাত সূর্যোদয় দেখার জন্য অবস্থান করেন। অভিযোগ রয়েছে, অন্ধকার ও নির্জন জায়গায় নারী ও পুরুষদের একটি চক্র টাকার বিনিময়ে অশ্লীল কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে। এই চক্র বিদেশি ও স্থানীয় পর্যটকদের প্রলোভন দেখিয়ে লেনদেন চালায়।

একজন চানাচুর বিক্রেতা জানিয়েছেন, “আমি সারারাত বিচে বিক্রি করি। রাতের গভীরে কিছু নারী-পুরুষ আসে, যেখানে পুরুষরা নারীদের জন্য কাস্টমার খুঁজে। পুলিশ টহল দিলে তারা সরে যায়, কিন্তু কিছু সময় পর পুনরায় ফিরে আসে।”

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে এখানে এই ধরনের কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে, এবং সাম্প্রতিক সময়ে তা আরও বেড়েছে। এতে কক্সবাজারের পর্যটন ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তাদের মতে, রাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত আলো, সিসিটিভি এবং নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো হলে এই সমস্যা কমানো সম্ভব এবং পরিবার বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়।