ওসি প্রদীপ ও লিয়াকতের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখল হাইকোর্ট
- সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৭:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
- / 101
মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক মো. লিয়াকত আলীর মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্ট বহাল রেখেছে। আদালত ৬ আসামির যাবজ্জীবন দণ্ডও অপরিবর্তিত রেখেছেন। এখন আসামিরা ৩০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।
হাইকোর্টের রায় বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের বেঞ্চ ঘোষণা করেন। এর আগে গত ২ জুনও প্রদীপ কুমার দাশ ও লিয়াকত আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছিল। একই সঙ্গে ৬ আসামির যাবজ্জীবন দণ্ড এবং প্রত্যেকের ৫০ হাজার টাকার জরিমানার আদেশও রায়ে বজায় রাখা হয়েছে।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন টেকনাফ থানার সাবেক এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল রুবেল শর্মা, সাগর দেব, কক্সবাজারের বাহারছড়ার মারিশবুনিয়া গ্রামের মো. নুরুল আমিন, মোহাম্মদ আইয়াজ ও মো. নিজাম উদ্দিন।
মামলার ইতিহাস অনুযায়ী, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন সিনহা মো. রাশেদ খান। ঘটনার পাঁচ দিন পর ২০২০ সালের ৫ আগস্ট নিহত সিনহার বোন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। পরে র্যাব ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর চার্জশিট জমা দেয়। অভিযোগে হত্যাকাণ্ডকে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রদীপ কুমার দাশ ও লিয়াকত আলীকে মৃত্যুদণ্ড এবং নন্দদুলাল রক্ষিত, রুবেল শর্মা ও সাগর দেবসহ আরও তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। বাকি সাত আসামি খালাস পান। মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিতকরণের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে, যেখানে দণ্ডিত আসামিরা আপিল করেন।
































