ঢাকা ১১:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ওয়ার্ড কাউন্সিলর বাপ্পীর নির্দেশে হাদিকে হত্যা: পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবদেক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৫:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 51

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সমর্থিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাজুল ইসলাম বাপ্পীর নির্দেশে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে দাবি করছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলার কারণেই শরিফ হাদিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়।

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় পলাতক ফয়সাল করিম মাসুদসহ মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে গত ২৮ ডিসেম্বর ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী এক বক্তব্যে বলেন, শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড রহস্যজনক এবং এতে একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি তখনই জানান, ৭ জানুয়ারির মধ্যেই মামলার চার্জশিট দাখিল করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা দুই সন্ত্রাসীর গুলিতে গুরুতর আহত হন শরিফ ওসমান বিন হাদি। রিকশায় থাকা অবস্থায় তার মাথায় গুলি লাগে।

আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারিভাবে তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি মারা যান।

গত ২০ ডিসেম্বর দুপুর আড়াইটার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় লাখো মানুষের অংশগ্রহণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ওয়ার্ড কাউন্সিলর বাপ্পীর নির্দেশে হাদিকে হত্যা: পুলিশ

সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৫:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সমর্থিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাজুল ইসলাম বাপ্পীর নির্দেশে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে দাবি করছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলার কারণেই শরিফ হাদিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়।

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় পলাতক ফয়সাল করিম মাসুদসহ মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে গত ২৮ ডিসেম্বর ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী এক বক্তব্যে বলেন, শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড রহস্যজনক এবং এতে একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি তখনই জানান, ৭ জানুয়ারির মধ্যেই মামলার চার্জশিট দাখিল করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা দুই সন্ত্রাসীর গুলিতে গুরুতর আহত হন শরিফ ওসমান বিন হাদি। রিকশায় থাকা অবস্থায় তার মাথায় গুলি লাগে।

আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারিভাবে তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি মারা যান।

গত ২০ ডিসেম্বর দুপুর আড়াইটার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় লাখো মানুষের অংশগ্রহণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।