ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ওমান সাগরে তেলের জাহাজ আটক করল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:০৬:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫
  • / 199

ওমান সাগরে তেলের জাহাজ আটক করল ইরান

ওমান সাগরে তেল পাচারের অভিযোগে একটি বিদেশি ট্যাংকার জব্দ করেছে ইরান। জাহাজটিতে প্রায় ২০ লাখ লিটার চোরাই তেল ছিল বলে দাবি করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১৬ জুলাই) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ‘মেহর নিউজ’ এ তথ্য নিশ্চিত করে।

হরমুজগান প্রদেশের প্রধান বিচারপতি মুজতবা গাহরেমানি জানান, ওমান উপসাগরে সন্দেহজনক গতিবিধি এবং বৈধ কাগজপত্রের অনুপস্থিতির ভিত্তিতে ট্যাংকারটিকে থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির সময় ২০ লাখ লিটার অবৈধভাবে বহন করা জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়।

তিনি আরও জানান, জাহাজটির ক্যাপ্টেনসহ মোট ১৭ জন ক্রুকে আটক করা হয়েছে। তবে আটককৃতদের পরিচয়, জাতীয়তা বা জাহাজটির নাম প্রকাশ করা হয়নি।

ঘটনার পর জাস্ক কাউন্টি প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বিচারপতি গাহরেমানি বলেন, “বিদেশিদের সহায়তায় যারা ইরানের জাতীয় সম্পদ লুটপাটে ও জ্বালানি চোরাচালানে জড়িত, তাদের কার্যকলাপ বিচার বিভাগের নজর এড়াতে পারবে না।”

তিনি আরও জানান, জাহাজের সব প্রাসঙ্গিক নথিপত্র যাচাই এবং জব্দ তেলের প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণে প্রমাণ সংগ্রহ চলছে। তদন্ত শেষ হলে মামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে।

বিচারপতি আরও সতর্ক করে বলেন, “অপরাধ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ও অনমনীয় শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, ইরানের উপকূলবর্তী এলাকায় এর আগেও একাধিকবার ট্যাংকার জব্দ ও জ্বালানি পাচারবিরোধী অভিযান চালানো হয়েছে। ইরান এসব কার্যকলাপকে তাদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার বিরুদ্ধে হুমকি হিসেবে দেখে থাকে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ওমান সাগরে তেলের জাহাজ আটক করল ইরান

সর্বশেষ আপডেট ১০:০৬:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

ওমান সাগরে তেল পাচারের অভিযোগে একটি বিদেশি ট্যাংকার জব্দ করেছে ইরান। জাহাজটিতে প্রায় ২০ লাখ লিটার চোরাই তেল ছিল বলে দাবি করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১৬ জুলাই) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ‘মেহর নিউজ’ এ তথ্য নিশ্চিত করে।

হরমুজগান প্রদেশের প্রধান বিচারপতি মুজতবা গাহরেমানি জানান, ওমান উপসাগরে সন্দেহজনক গতিবিধি এবং বৈধ কাগজপত্রের অনুপস্থিতির ভিত্তিতে ট্যাংকারটিকে থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির সময় ২০ লাখ লিটার অবৈধভাবে বহন করা জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়।

তিনি আরও জানান, জাহাজটির ক্যাপ্টেনসহ মোট ১৭ জন ক্রুকে আটক করা হয়েছে। তবে আটককৃতদের পরিচয়, জাতীয়তা বা জাহাজটির নাম প্রকাশ করা হয়নি।

ঘটনার পর জাস্ক কাউন্টি প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বিচারপতি গাহরেমানি বলেন, “বিদেশিদের সহায়তায় যারা ইরানের জাতীয় সম্পদ লুটপাটে ও জ্বালানি চোরাচালানে জড়িত, তাদের কার্যকলাপ বিচার বিভাগের নজর এড়াতে পারবে না।”

তিনি আরও জানান, জাহাজের সব প্রাসঙ্গিক নথিপত্র যাচাই এবং জব্দ তেলের প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণে প্রমাণ সংগ্রহ চলছে। তদন্ত শেষ হলে মামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে।

বিচারপতি আরও সতর্ক করে বলেন, “অপরাধ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ও অনমনীয় শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, ইরানের উপকূলবর্তী এলাকায় এর আগেও একাধিকবার ট্যাংকার জব্দ ও জ্বালানি পাচারবিরোধী অভিযান চালানো হয়েছে। ইরান এসব কার্যকলাপকে তাদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার বিরুদ্ধে হুমকি হিসেবে দেখে থাকে।