ঢাকা ০৬:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এস আলমসহ ৩ ভাইয়ের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির নির্দেশ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৫৯:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 74

এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম। ফাইল ছবি

আলোচিত ব্যবসায়িক গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম এবং তার তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির আদেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সাইফুল আলম ছাড়া বাকিরা হলেন- তার তিন ভাই রাশেদুল আলম, মারুফ আলম এবং মাজেদুল আলম। তাদের বিরুদ্ধেও বিদেশ থেকে অর্থ পাচার ও বিদেশে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংক দখলের পর গ্রুপটি সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক দখল করে নেয়। সব মিলিয়ে তারা একসঙ্গে ৮টি ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেয়।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এস আলম গ্রুপ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ হারায়। বর্তমানে গ্রুপের আগের ঋণগুলো একে একে খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিলামে তোলা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ইসলামী ব্যাংক বড় ধরনের সংকটে পড়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এস আলমসহ ৩ ভাইয়ের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির নির্দেশ

সর্বশেষ আপডেট ১২:৫৯:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আলোচিত ব্যবসায়িক গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম এবং তার তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির আদেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সাইফুল আলম ছাড়া বাকিরা হলেন- তার তিন ভাই রাশেদুল আলম, মারুফ আলম এবং মাজেদুল আলম। তাদের বিরুদ্ধেও বিদেশ থেকে অর্থ পাচার ও বিদেশে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংক দখলের পর গ্রুপটি সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক দখল করে নেয়। সব মিলিয়ে তারা একসঙ্গে ৮টি ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেয়।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এস আলম গ্রুপ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ হারায়। বর্তমানে গ্রুপের আগের ঋণগুলো একে একে খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিলামে তোলা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ইসলামী ব্যাংক বড় ধরনের সংকটে পড়েছে।