এশিয়া সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্প, এরপর কী হবে?
- সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
- / 117
এশিয়া সফরে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই সপ্তাহের শেষে এশিয়া সফরের জন্য রওনা হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি মনে করছেন, এই বিশ্বব্যাপী ভ্রমণ তাকে এমন সব বড় সমস্যা সমাধানে সাহায্য করবে, যেখানে ভুল করার কোনো সুযোগই নেই। খবর এপি।
এই সফরের ওপর নির্ভর করছে বিশ্ব অর্থনীতির ভবিষ্যৎ। বিশেষ করে, চীনা নেতা শি জিনপিংয়ের সাথে তার বৈঠকে বাণিজ্য উত্তেজনা কমবে কি না, তার ওপর অনেক কিছুই নির্ভর করছে। একটি ভুল পদক্ষেপ আমেরিকার শিল্প খাতে বড় ধরনের ধাক্কা দিতে পারে। কারণ, এই শিল্পগুলো ইতিমধ্যেই ট্রাম্পের আগ্রাসী শুল্ক, সরকারি ছাঁটাই এবং রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিপর্যস্ত।
জানুয়ারিতে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে ট্রাম্পের হুটহাট সিদ্ধান্ত নেওয়ার কৌশল কখনও সফল হয়েছে, আবার কখনও ব্যর্থ। যেমন, হামাস ইসরায়েলি জিম্মিদের ফিরিয়ে দিয়েছে, কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি এখনও ভঙ্গুর। চীনের সাথে বাণিজ্য যুদ্ধ এই বছর কখনও বেড়েছে, কখনও কমেছে। আর ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনও থামেনি, যদিও ট্রাম্প এই সংঘাত সমাধানের চেষ্টা করেছেন।
ট্রাম্পের এই সফর ঘিরে বেশ রহস্য তৈরি হয়েছে। হোয়াইট হাউস থেকে তার ভ্রমণসূচির বেশিরভাগ অংশ সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। প্রেসিডেন্ট সোমবার বলেছেন, তিনি প্রথমে মালয়েশিয়া যাবেন, যেখানে একটি আঞ্চলিক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এরপর তিনি জাপান যাবেন, যেখানে তিনি বিদেশি বিনিয়োগ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন। এরপর তিনি দক্ষিণ কোরিয়াও সফর করবেন। সেখানে তিনি আরও কিছু বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কাজ করবেন এবং শি জিনপিংয়ের সাথে বসার আশা করছেন।
সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘চীনের প্রেসিডেন্ট শি-এর সাথে আমার খুব ভালো সম্পর্ক রয়েছে।” তিনি শুল্ক কমানোর প্রস্তাব দিলেও বলেন, “তাদেরও আমাদের কিছু দিতে হবে।” এর মধ্যে রয়েছে মার্কিন সয়াবিন কেনা, ফেন্টানিল তৈরির উপাদানের প্রবাহ কমানো এবং বিরল খনিজ পদার্থের ওপর থেকে বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া।
এশিয়ায় ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গি মূলত শুল্ক ব্যবহার করে অন্যায্য বাণিজ্য প্রথাগুলোকে শায়েস্তা করার ওপর কেন্দ্র করে। এর ফলে অনেক দেশই উদ্বিগ্ন, কারণ তারা রপ্তানির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল। ট্রাম্পের সাথে শি-এর বৈঠক নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। দুই নেতার মধ্যে বিরোধ আন্তর্জাতিক অর্থনীতিকে এক ভয়াবহ সংকটের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
































