ঢাকা ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এমবাপের গোলে জিতেছে রিয়াল মাদ্রিদ

ক্রীড়া ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৪০:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • / 96

এমবাপের গোলে জিতেছে রিয়াল মাদ্রিদ

স্প্যানিশ লা লিগায় আবারও শীর্ষে ফিরেছে রিয়াল মাদ্রিদ। গেতাফের মাঠে ১-০ গোলের জয় নিয়ে ফিরেছে ইউরোপিয়ান জায়ান্টরা। ম্যাচের ৮০ মিনিটে একমাত্র গোলটি করেন কিলিয়ান এমবাপে

গেতাফে নিজেই রিয়ালের পথ সহজ করে তোলে। ম্যাচের শেষ দিকে ৭ মিনিটের ব্যবধানে (৭৭ থেকে ৮৪ মিনিটে) দুই খেলোয়াড় অ্যালান নিওম ও অ্যালেক্স সানক্রিস লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন।

দুই লাল কার্ডের মাঝেই আসে ম্যাচের নির্ণায়ক গোল। আর্দা গুলারের নিখুঁত পাস পেয়ে এমবাপে বল জালে পাঠান। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে এটি ছিল টানা ১১তম ম্যাচে তার গোল। ম্যাচ শেষে সপ্তমবারের মতো ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ হন তিনি।

পুরো খেলায় রিয়ালের দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। ৭৫ শতাংশ সময় বল ছিল তাদের নিয়ন্ত্রণে, গোলের উদ্দেশে নেয় ২৩টি শট—এর মধ্যে ১০টি ছিল অন টার্গেট, তবুও গোল আসে কেবল একটিই।

প্রথমার্ধেই কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করেন এমবাপে, ডেভিড আলাবা ও তরুণ ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো। দ্বিতীয়ার্ধে ৫৫ মিনিটে মাস্তানতুয়োনোর বদলি হিসেবে মাঠে নামেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। সেই সিদ্ধান্তই বদলে দেয় ম্যাচের গতি।

৭৬ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় নিওম ভিনিসিয়ুসকে কনুই মেরে ফাউল করলে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকার পরই আসে রিয়ালের গোল। এরপর ৮৪ মিনিটে আবারও ভিনিসিয়ুসকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন সানক্রিস, ফলে গেতাফে নামতে হয় নয় জন নিয়ে।

শেষ পর্যন্ত ব্যবধান আর বাড়াতে না পারলেও এমবাপের সেই এক গোলই যথেষ্ট হয় জয়ের জন্য।

এই জয়ের ফলে ৯ ম্যাচে ৮ জয় ও ১ ড্র নিয়ে ২৪ পয়েন্টে তালিকার শীর্ষে রিয়াল মাদ্রিদ। সমান ম্যাচে ২২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে নেমেছে বার্সেলোনা। আর ১১ পয়েন্ট নিয়ে ১২তম অবস্থানে আছে গেতাফে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এমবাপের গোলে জিতেছে রিয়াল মাদ্রিদ

সর্বশেষ আপডেট ১০:৪০:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

স্প্যানিশ লা লিগায় আবারও শীর্ষে ফিরেছে রিয়াল মাদ্রিদ। গেতাফের মাঠে ১-০ গোলের জয় নিয়ে ফিরেছে ইউরোপিয়ান জায়ান্টরা। ম্যাচের ৮০ মিনিটে একমাত্র গোলটি করেন কিলিয়ান এমবাপে

গেতাফে নিজেই রিয়ালের পথ সহজ করে তোলে। ম্যাচের শেষ দিকে ৭ মিনিটের ব্যবধানে (৭৭ থেকে ৮৪ মিনিটে) দুই খেলোয়াড় অ্যালান নিওম ও অ্যালেক্স সানক্রিস লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন।

দুই লাল কার্ডের মাঝেই আসে ম্যাচের নির্ণায়ক গোল। আর্দা গুলারের নিখুঁত পাস পেয়ে এমবাপে বল জালে পাঠান। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে এটি ছিল টানা ১১তম ম্যাচে তার গোল। ম্যাচ শেষে সপ্তমবারের মতো ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ হন তিনি।

পুরো খেলায় রিয়ালের দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। ৭৫ শতাংশ সময় বল ছিল তাদের নিয়ন্ত্রণে, গোলের উদ্দেশে নেয় ২৩টি শট—এর মধ্যে ১০টি ছিল অন টার্গেট, তবুও গোল আসে কেবল একটিই।

প্রথমার্ধেই কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করেন এমবাপে, ডেভিড আলাবা ও তরুণ ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো। দ্বিতীয়ার্ধে ৫৫ মিনিটে মাস্তানতুয়োনোর বদলি হিসেবে মাঠে নামেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। সেই সিদ্ধান্তই বদলে দেয় ম্যাচের গতি।

৭৬ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় নিওম ভিনিসিয়ুসকে কনুই মেরে ফাউল করলে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকার পরই আসে রিয়ালের গোল। এরপর ৮৪ মিনিটে আবারও ভিনিসিয়ুসকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন সানক্রিস, ফলে গেতাফে নামতে হয় নয় জন নিয়ে।

শেষ পর্যন্ত ব্যবধান আর বাড়াতে না পারলেও এমবাপের সেই এক গোলই যথেষ্ট হয় জয়ের জন্য।

এই জয়ের ফলে ৯ ম্যাচে ৮ জয় ও ১ ড্র নিয়ে ২৪ পয়েন্টে তালিকার শীর্ষে রিয়াল মাদ্রিদ। সমান ম্যাচে ২২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে নেমেছে বার্সেলোনা। আর ১১ পয়েন্ট নিয়ে ১২তম অবস্থানে আছে গেতাফে।