ঢাকা ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এনবিআরের আরও ৪ কর্মকর্তা বরখাস্ত

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:১৯:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / 98

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)

আন্দোলনের সময় দাপ্তরিক কাজে বাধা দেওয়ায় আরও চার কর কর্মকর্তা সাময়িকভাবে বরখাস্ত হয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পক্ষ থেকে।

সোমবার (১৮ আগস্ট) অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের (আইআরডি) এক আদেশে তাদের বরখাস্ত করা হয়।

আইআরডি সচিব ও এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান চার কর্মকর্তার বরখাস্তের পৃথক আদেশে স্বাক্ষর করেন।

আদেশে বলা হয়, গত ১২ মে সরকার রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ ২০২৫ জারির পর এর বিরুদ্ধে এনবিআরের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী আন্দোলনে জড়িত হন।

আন্দোলনের অংশ হিসেবে অফিসের কাজে বাধা দেওয়া এবং অন্যদের কাজ বন্ধে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। ফলে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩৯(১) অনুযায়ী তাদের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন সময়ে তারা বিধি মোতাবেক খোরপোষ ভাতা পাবেন।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন—সিলেটের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের অতিরিক্ত কমিশনার সাধন কুমার কুন্ডু; খুলনার মোংলার কাস্টমস হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার আবুল আলা মোহাম্মদ আমীমুল ইহসান খান; চট্টগ্রাম কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট ট্রেনিং একাডেমির যুগ্ম কমিশনার সানোয়ারুল কবির এবং খুলনার কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের উপকমিশনার সাইদুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, সরকার রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ জারির পর আন্দোলনে নেমেছিলেন এনবিআর কর্মকর্তারা। আন্দোলনের পর ধাপে ধাপে এনবিআরের বেশ কিছু কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এনবিআরের আরও ৪ কর্মকর্তা বরখাস্ত

সর্বশেষ আপডেট ০৬:১৯:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

আন্দোলনের সময় দাপ্তরিক কাজে বাধা দেওয়ায় আরও চার কর কর্মকর্তা সাময়িকভাবে বরখাস্ত হয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পক্ষ থেকে।

সোমবার (১৮ আগস্ট) অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের (আইআরডি) এক আদেশে তাদের বরখাস্ত করা হয়।

আইআরডি সচিব ও এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান চার কর্মকর্তার বরখাস্তের পৃথক আদেশে স্বাক্ষর করেন।

আদেশে বলা হয়, গত ১২ মে সরকার রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ ২০২৫ জারির পর এর বিরুদ্ধে এনবিআরের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী আন্দোলনে জড়িত হন।

আন্দোলনের অংশ হিসেবে অফিসের কাজে বাধা দেওয়া এবং অন্যদের কাজ বন্ধে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। ফলে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩৯(১) অনুযায়ী তাদের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন সময়ে তারা বিধি মোতাবেক খোরপোষ ভাতা পাবেন।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন—সিলেটের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের অতিরিক্ত কমিশনার সাধন কুমার কুন্ডু; খুলনার মোংলার কাস্টমস হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার আবুল আলা মোহাম্মদ আমীমুল ইহসান খান; চট্টগ্রাম কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট ট্রেনিং একাডেমির যুগ্ম কমিশনার সানোয়ারুল কবির এবং খুলনার কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের উপকমিশনার সাইদুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, সরকার রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ জারির পর আন্দোলনে নেমেছিলেন এনবিআর কর্মকর্তারা। আন্দোলনের পর ধাপে ধাপে এনবিআরের বেশ কিছু কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।