ঢাকা ০৫:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এনজিওর ঋণের চাপে কৃষকের আত্মহত্যা

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৫৮:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / 245

এনজিওর ঋণের চাপে কৃষক আত্মহত্যা

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার খাড়ইল গ্রামে ঋণের চাপের কারণে আকবর হোসেন (৫০) নামে এক কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। তিনি খাড়ইল গ্রামের লোকমান হোসনের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আকবর হোসেন অন্তত ১১টি এনজিও এবং স্থানীয় সুদ কারবারিদের কাছ থেকে ৬–৭ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন, যা তিনি পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছিলেন।

পুলিশ ও পরিবারের বরাত দিয়ে জানা যায়, সোমবার সকাল ৬:৩০টার দিকে আকবর হোসেন নিজের পান বরজে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। তার ছেলে সুজন শাহ জানান, ‘‘বাবা একটি এনজিও থেকে চার লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। তবে এই বছর পানের বাজারে দাম কম থাকায় তিনি ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারছিলেন না। প্রতিদিন এনজিওর পক্ষ থেকে চাপ দেওয়া হতো, যা বাবার উপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করেছিল।’’

সুজন আরও জানালেন, তার বাবার ঋণ ছিল ব্রাক, আশা, প্রশিকা, ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার (ভার্ক), ডাম ফাউন্ডেশন ফর ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট (ডিএফইডি), শাপলা গ্রাম উন্নয়ন সংস্থা, রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক), ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও), গ্রামীণ প্রচেষ্টা, পল্লী মঙ্গল কর্মসূচি (পিএমকে) এবং গ্রামীণ উন্নয়ন কেন্দ্র (গাক) এনজিওগুলোতে।

মোহনপুর থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন, ‘‘আকবর হোসেনের পান বরজ ছিল, কিন্তু এ বছর লোকসানের কারণে ঋণ পরিশোধ সম্ভব হয়নি। হতাশায় তিনি আত্মহত্যা করেছেন।’’ তিনি আরও জানালেন, নিহতের পরিবার যদি এনজিওয়ের নামে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করতে চায়, তবে তা করা সম্ভব, তবে পরিবার এমন কোনো মামলা করার মনোভাব দেখাচ্ছে না।

নিহতের দুই ছেলে সুজন শাহ (৩০) এবং সুমন শাহ (১৮)।

প্রসঙ্গত, এর আগে একটি ঘটনা ঘটেছিল যেখানে ঋণের চাপ ও খাবারের অভাবে মিনারুল নামে এক ব্যক্তি তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার পর চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এনজিওর ঋণের চাপে কৃষকের আত্মহত্যা

সর্বশেষ আপডেট ১২:৫৮:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার খাড়ইল গ্রামে ঋণের চাপের কারণে আকবর হোসেন (৫০) নামে এক কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। তিনি খাড়ইল গ্রামের লোকমান হোসনের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আকবর হোসেন অন্তত ১১টি এনজিও এবং স্থানীয় সুদ কারবারিদের কাছ থেকে ৬–৭ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন, যা তিনি পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছিলেন।

পুলিশ ও পরিবারের বরাত দিয়ে জানা যায়, সোমবার সকাল ৬:৩০টার দিকে আকবর হোসেন নিজের পান বরজে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। তার ছেলে সুজন শাহ জানান, ‘‘বাবা একটি এনজিও থেকে চার লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। তবে এই বছর পানের বাজারে দাম কম থাকায় তিনি ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারছিলেন না। প্রতিদিন এনজিওর পক্ষ থেকে চাপ দেওয়া হতো, যা বাবার উপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করেছিল।’’

সুজন আরও জানালেন, তার বাবার ঋণ ছিল ব্রাক, আশা, প্রশিকা, ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার (ভার্ক), ডাম ফাউন্ডেশন ফর ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট (ডিএফইডি), শাপলা গ্রাম উন্নয়ন সংস্থা, রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক), ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও), গ্রামীণ প্রচেষ্টা, পল্লী মঙ্গল কর্মসূচি (পিএমকে) এবং গ্রামীণ উন্নয়ন কেন্দ্র (গাক) এনজিওগুলোতে।

মোহনপুর থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন, ‘‘আকবর হোসেনের পান বরজ ছিল, কিন্তু এ বছর লোকসানের কারণে ঋণ পরিশোধ সম্ভব হয়নি। হতাশায় তিনি আত্মহত্যা করেছেন।’’ তিনি আরও জানালেন, নিহতের পরিবার যদি এনজিওয়ের নামে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করতে চায়, তবে তা করা সম্ভব, তবে পরিবার এমন কোনো মামলা করার মনোভাব দেখাচ্ছে না।

নিহতের দুই ছেলে সুজন শাহ (৩০) এবং সুমন শাহ (১৮)।

প্রসঙ্গত, এর আগে একটি ঘটনা ঘটেছিল যেখানে ঋণের চাপ ও খাবারের অভাবে মিনারুল নামে এক ব্যক্তি তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার পর চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেন।