ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘এটা কোনো নির্বাচন নয়, ছিল একেবারে হাস্যকর’

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৪:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫
  • / 62

সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ফাইল ছবি

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাম্প্রতিক নির্বাচনকে ‘সমঝোতা’ ও ‘হাস্যকর’ বলে আখ্যায়িত করেছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। নির্বাচনের পর দেশে ফিরে ক্লাবগুলোর প্রতিবাদী সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, যা হয়েছে, তা আসলে কোনো নির্বাচনই নয়।

তামিম জানান, একটি অলিখিত সমঝোতার কারণে তিনি প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছিলেন। গুলশানে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমি মনে করি না এটি কোনো নির্বাচন ছিল। কিছু অলিখিত নিয়ম ছিল, আমি সেগুলো ভাঙতে চেয়েছি। সেই সমঝোতায় একমত ছিলাম না বলেই আমি সরে দাঁড়িয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রথম দিন থেকেই একটি সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন চেয়েছিলাম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে তা হয়নি।”

ই-ভোটিং প্রক্রিয়া নিয়েও তামিম প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “খুব হাস্যকর বিষয় দেখলাম—৪২টির মতো ভোট পড়েছে, যার ৩৪টিই ই-ভোট। অথচ এই ৩৪ জন ভোটারই ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন। তাহলে ই-ভোটিংয়ের প্রয়োজন কী? যারা নির্বাচিত হয়েছেন, তারাও নিজেরা উপস্থিত থেকেও ই-ভোট দিয়েছেন।”

নিজের প্রার্থিতা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন উল্লেখ করে তামিম বলেন, “১৫টি ক্লাবের ভোটাধিকার বাতিল হলেও আমি জিততাম বলে বিশ্বাস করি। আমি যদি ব্যক্তিগতভাবে দাঁড়াতাম, তবুও সহজেই পাস করতাম। কারণ, আমি জানি আমরা সবাই ক্রিকেটের স্বার্থেই আছি।”

এদিকে নির্বাচনের আগে নির্বাচনে অংশ না নেওয়া ক্লাবগুলোর একটি পক্ষ লিগ বর্জনের হুমকি দিয়েছিল। এখন তারা জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের ক্রিকেট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

‘এটা কোনো নির্বাচন নয়, ছিল একেবারে হাস্যকর’

সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৪:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাম্প্রতিক নির্বাচনকে ‘সমঝোতা’ ও ‘হাস্যকর’ বলে আখ্যায়িত করেছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। নির্বাচনের পর দেশে ফিরে ক্লাবগুলোর প্রতিবাদী সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, যা হয়েছে, তা আসলে কোনো নির্বাচনই নয়।

তামিম জানান, একটি অলিখিত সমঝোতার কারণে তিনি প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছিলেন। গুলশানে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমি মনে করি না এটি কোনো নির্বাচন ছিল। কিছু অলিখিত নিয়ম ছিল, আমি সেগুলো ভাঙতে চেয়েছি। সেই সমঝোতায় একমত ছিলাম না বলেই আমি সরে দাঁড়িয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রথম দিন থেকেই একটি সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন চেয়েছিলাম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে তা হয়নি।”

ই-ভোটিং প্রক্রিয়া নিয়েও তামিম প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “খুব হাস্যকর বিষয় দেখলাম—৪২টির মতো ভোট পড়েছে, যার ৩৪টিই ই-ভোট। অথচ এই ৩৪ জন ভোটারই ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন। তাহলে ই-ভোটিংয়ের প্রয়োজন কী? যারা নির্বাচিত হয়েছেন, তারাও নিজেরা উপস্থিত থেকেও ই-ভোট দিয়েছেন।”

নিজের প্রার্থিতা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন উল্লেখ করে তামিম বলেন, “১৫টি ক্লাবের ভোটাধিকার বাতিল হলেও আমি জিততাম বলে বিশ্বাস করি। আমি যদি ব্যক্তিগতভাবে দাঁড়াতাম, তবুও সহজেই পাস করতাম। কারণ, আমি জানি আমরা সবাই ক্রিকেটের স্বার্থেই আছি।”

এদিকে নির্বাচনের আগে নির্বাচনে অংশ না নেওয়া ক্লাবগুলোর একটি পক্ষ লিগ বর্জনের হুমকি দিয়েছিল। এখন তারা জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের ক্রিকেট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে।