ঢাকা ১২:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এটাই কি বিশ্বমঞ্চে মেসির শেষ ম্যাচ?

ক্রীড়া ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৫৫:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
  • / 209

এটাই কি বিশ্বমঞ্চে মেসির শেষ ম্যাচ?

৩৮ বছর বয়সেও বিশ্বমঞ্চে বল পায়ে জাদু দেখিয়েছেন লিওনেল মেসি। তবে ক্লাব বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় পিএসজির কাছে ইন্টার মায়ামির ৪-০ ব্যবধানে পরাজয়ের পর প্রশ্ন উঠছে—এটাই কি বিশ্বমঞ্চে মেসির শেষ ম্যাচ?

পিএসজির বিপক্ষে ম্যাচটিই হতে পারে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অধ্যায় লিও মেসির শেষ আন্তর্জাতিক উপস্থিতি। মেসির সাবেক ক্লাব পিএসজির হয়ে সাফল্য না পেলেও এই ম্যাচে কিছু মুহূর্তে পুরোনো দিনের মেসিকে আবারও মনে করিয়ে দেন তিনি।

ইন্টার মায়ামির কোচ হ্যাভিয়ের মাশ্চেরানো বলেন, “পিএসজি এখন সব কিছু জিতলেও মানুষ মাঠে আসে শুধু মেসিকে দেখতে।” আর পিএসজির ডিফেন্ডার লুকাস বেরালদো বলেন, “যার খেলা দেখে বড় হয়েছি, তার বিপক্ষে মাঠে নামা স্বপ্ন পূরণের মতো।”

শেষ ম্যাচে গোল না পেলেও চিপ পাস, ফ্রি-কিক এবং হেড—সব মিলিয়ে মেসি যেন তার ক্যারিয়ারের নানা স্মৃতি ফিরিয়ে আনেন। ফুটবলবিশ্লেষকরা বলছেন, এটাই হয়তো মেসির শেষ আন্তর্জাতিক মঞ্চে উপস্থিতি।

তার বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী ২০২৫ সালের এমএলএস মৌসুম শেষে ইন্টার মায়ামির সঙ্গে তার যাত্রার ইতি ঘটবে। ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।

মেসির সতীর্থ লুইস সুয়ারেজ আশা প্রকাশ করলেও ফুটবল বিশ্লেষক গুইলেম বালাগ মনে করেন, মেসি নিজেও হয়তো জানেন না সামনে কী করবেন। পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে শান্তিপূর্ণ জীবন, ক্লাবের চাপহীনতা—সব কিছু মিলিয়ে তিনি হয়তো ধীরে ধীরে আড়ালে চলে যেতে পারেন।

মঞ্চপ্রেমীদের জন্য এ এক আবেগঘন বিদায় হতে পারে। হয়তো এটাই ছিল সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলারের শেষ নৃত্য বিশ্বমঞ্চে।

কারণ একজন মেসি মাঠ ছাড়েন ঠিকই, কিন্তু তার ছায়া ফুটবল মাঠের প্রতিটি ঘাসে রয়ে যায়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এটাই কি বিশ্বমঞ্চে মেসির শেষ ম্যাচ?

সর্বশেষ আপডেট ১২:৫৫:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

৩৮ বছর বয়সেও বিশ্বমঞ্চে বল পায়ে জাদু দেখিয়েছেন লিওনেল মেসি। তবে ক্লাব বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় পিএসজির কাছে ইন্টার মায়ামির ৪-০ ব্যবধানে পরাজয়ের পর প্রশ্ন উঠছে—এটাই কি বিশ্বমঞ্চে মেসির শেষ ম্যাচ?

পিএসজির বিপক্ষে ম্যাচটিই হতে পারে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অধ্যায় লিও মেসির শেষ আন্তর্জাতিক উপস্থিতি। মেসির সাবেক ক্লাব পিএসজির হয়ে সাফল্য না পেলেও এই ম্যাচে কিছু মুহূর্তে পুরোনো দিনের মেসিকে আবারও মনে করিয়ে দেন তিনি।

ইন্টার মায়ামির কোচ হ্যাভিয়ের মাশ্চেরানো বলেন, “পিএসজি এখন সব কিছু জিতলেও মানুষ মাঠে আসে শুধু মেসিকে দেখতে।” আর পিএসজির ডিফেন্ডার লুকাস বেরালদো বলেন, “যার খেলা দেখে বড় হয়েছি, তার বিপক্ষে মাঠে নামা স্বপ্ন পূরণের মতো।”

শেষ ম্যাচে গোল না পেলেও চিপ পাস, ফ্রি-কিক এবং হেড—সব মিলিয়ে মেসি যেন তার ক্যারিয়ারের নানা স্মৃতি ফিরিয়ে আনেন। ফুটবলবিশ্লেষকরা বলছেন, এটাই হয়তো মেসির শেষ আন্তর্জাতিক মঞ্চে উপস্থিতি।

তার বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী ২০২৫ সালের এমএলএস মৌসুম শেষে ইন্টার মায়ামির সঙ্গে তার যাত্রার ইতি ঘটবে। ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।

মেসির সতীর্থ লুইস সুয়ারেজ আশা প্রকাশ করলেও ফুটবল বিশ্লেষক গুইলেম বালাগ মনে করেন, মেসি নিজেও হয়তো জানেন না সামনে কী করবেন। পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে শান্তিপূর্ণ জীবন, ক্লাবের চাপহীনতা—সব কিছু মিলিয়ে তিনি হয়তো ধীরে ধীরে আড়ালে চলে যেতে পারেন।

মঞ্চপ্রেমীদের জন্য এ এক আবেগঘন বিদায় হতে পারে। হয়তো এটাই ছিল সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলারের শেষ নৃত্য বিশ্বমঞ্চে।

কারণ একজন মেসি মাঠ ছাড়েন ঠিকই, কিন্তু তার ছায়া ফুটবল মাঠের প্রতিটি ঘাসে রয়ে যায়।