ঢাকা ১২:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এক টানে ১৫০ মণ ইলিশ, বিক্রি হলো ৪০ লাখ টাকায়

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরগুনা
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫
  • / 101

এক টানে ১৫০ মণ ইলিশ, বিক্রি হলো ৪০ লাখ টাকায়

বঙ্গোপসাগর থেকে এক ট্রলারে ধরা পড়েছে ১৫০ মণ ইলিশ। শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকালে বরগুনার পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ট্রলারটি পৌঁছায়। ২৭ হাজার টাকা মণ দরে এসব ইলিশ বিক্রি হয় মোট ৪০ লাখ ৫০ হাজার টাকায়।

মাছগুলো বিক্রির জন্য তোলা হয় সাইফ ফিশ নামে একটি আড়তে, যেখানে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি সম্পন্ন হয়। জানা যায়, ইলিশগুলো গত ২৯ অক্টোবর কুয়াকাটা থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার গভীর সমুদ্রে ধরা পড়ে।

এফবি সাফওয়ান-৩ নামের ট্রলারটি ১৯ জন জেলে নিয়ে ২৯ অক্টোবর পাথরঘাটা থেকে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যায়। ওইদিন বিকেলে জাল ফেলার পরেই বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ে।

ট্রলারের মাঝি রুবেল বলেন, “জাল ফেলেই দেখি জালে শুধু ইলিশ আর ইলিশ। আমাদের ট্রলারের তিনটি কলই পূর্ণ হয়ে যায়। এত মাছ ছিল যে, জালসহ কিছু মাছ ফেলে আসতে হয়েছে।”

ট্রলারের মালিক মানিক মিয়া জানান, “অনেক দিন সাগরে পর্যাপ্ত মাছ পাওয়া যাচ্ছিল না। ফলে আমাদের ক্ষতি হচ্ছিল। এবার এত পরিমাণ ইলিশ পাওয়ায় আগের লোকসানের কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারব।”

আড়তদার মোস্তফা আলম বলেন, “আমার আড়তেই মাছ বিক্রি হয়েছে। সাগরে ট্রলিং নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে এবার ইলিশ ধরা পড়েছে বেশি।”

বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, “২২ দিনের অবরোধ শেষে জেলেরা সাগরে গিয়েই প্রচুর ইলিশ পেয়েছে, এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। দীর্ঘদিন ধরে বিএফডিসিতে এত বড় পরিমাণ ইলিশ আসেনি। হঠাৎ এক ট্রলারে ১৫০ মণ ইলিশ পাওয়া আমাদের সবাইকে আশাবাদী করেছে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এক টানে ১৫০ মণ ইলিশ, বিক্রি হলো ৪০ লাখ টাকায়

সর্বশেষ আপডেট ১১:০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫

বঙ্গোপসাগর থেকে এক ট্রলারে ধরা পড়েছে ১৫০ মণ ইলিশ। শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকালে বরগুনার পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ট্রলারটি পৌঁছায়। ২৭ হাজার টাকা মণ দরে এসব ইলিশ বিক্রি হয় মোট ৪০ লাখ ৫০ হাজার টাকায়।

মাছগুলো বিক্রির জন্য তোলা হয় সাইফ ফিশ নামে একটি আড়তে, যেখানে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি সম্পন্ন হয়। জানা যায়, ইলিশগুলো গত ২৯ অক্টোবর কুয়াকাটা থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার গভীর সমুদ্রে ধরা পড়ে।

এফবি সাফওয়ান-৩ নামের ট্রলারটি ১৯ জন জেলে নিয়ে ২৯ অক্টোবর পাথরঘাটা থেকে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যায়। ওইদিন বিকেলে জাল ফেলার পরেই বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ে।

ট্রলারের মাঝি রুবেল বলেন, “জাল ফেলেই দেখি জালে শুধু ইলিশ আর ইলিশ। আমাদের ট্রলারের তিনটি কলই পূর্ণ হয়ে যায়। এত মাছ ছিল যে, জালসহ কিছু মাছ ফেলে আসতে হয়েছে।”

ট্রলারের মালিক মানিক মিয়া জানান, “অনেক দিন সাগরে পর্যাপ্ত মাছ পাওয়া যাচ্ছিল না। ফলে আমাদের ক্ষতি হচ্ছিল। এবার এত পরিমাণ ইলিশ পাওয়ায় আগের লোকসানের কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারব।”

আড়তদার মোস্তফা আলম বলেন, “আমার আড়তেই মাছ বিক্রি হয়েছে। সাগরে ট্রলিং নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে এবার ইলিশ ধরা পড়েছে বেশি।”

বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, “২২ দিনের অবরোধ শেষে জেলেরা সাগরে গিয়েই প্রচুর ইলিশ পেয়েছে, এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। দীর্ঘদিন ধরে বিএফডিসিতে এত বড় পরিমাণ ইলিশ আসেনি। হঠাৎ এক ট্রলারে ১৫০ মণ ইলিশ পাওয়া আমাদের সবাইকে আশাবাদী করেছে।”