ঢাকা ০৮:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

একসঙ্গে চার সন্তানের জন্মদিলেন সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, উখিয়া
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:২৬:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫
  • / 124

উখিয়ায় চার নবজাতকের মৃত্যু, শোকে স্তব্ধ পরিবার

কক্সবাজারের ইউনিয়ন হাসপাতাল পিএলসিতে একসঙ্গে চার নবজাতকের জন্ম দিয়েছেন ইয়াছমিন আক্তার নামে এক গৃহবধূ। মঙ্গলবার (১৭ জুন) দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিন ছেলে ও এক মেয়ের জন্ম হয়। এই বিরল ঘটনায় পরিবার, চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মাঝে বইছে আনন্দের জোয়ার।

জানা গেছে, ইয়াছমিন আক্তার উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মুছারখোলা গ্রামের সৌদি প্রবাসী রবিউল আলমের স্ত্রী। দীর্ঘ আট বছর ধরে রবিউল আলম সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। তিনি সন্তানদের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

অস্ত্রোপচার পরিচালনা করেন গাইনী বিশেষজ্ঞ ডা. আরিফা মেহের রুমীর নেতৃত্বে ডা. মোসাম্মাৎ রোকসানা আক্তার, ডা. নূর মোহাম্মদ ও ডা. কৌশিক দত্ত। সকালেই ইয়াছমিনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পূর্বপ্রস্তুতি নিয়ে সফলভাবে অপারেশনটি সম্পন্ন করা হয়।

নবজাতকদের দাদা নূর আহমদ বলেন, “মাশাআল্লাহ, একসঙ্গে তিন নাতি আর এক নাতনি পেয়ে আমি অত্যন্ত খুশি। আমার ছেলে সৌদি থেকেও দোয়া চেয়েছে। আল্লাহর অশেষ রহমত।”

অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসক ডা. মোসাম্মাৎ রোকসানা আক্তার বলেন, “গর্ভাবস্থাটি অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। আমরা সতর্কতার সঙ্গে প্রস্তুতি নিই। সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মা ও চার নবজাতক সুস্থ—এটাই সবচেয়ে বড় অর্জন।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

একসঙ্গে চার সন্তানের জন্মদিলেন সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৯:২৬:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫

কক্সবাজারের ইউনিয়ন হাসপাতাল পিএলসিতে একসঙ্গে চার নবজাতকের জন্ম দিয়েছেন ইয়াছমিন আক্তার নামে এক গৃহবধূ। মঙ্গলবার (১৭ জুন) দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিন ছেলে ও এক মেয়ের জন্ম হয়। এই বিরল ঘটনায় পরিবার, চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মাঝে বইছে আনন্দের জোয়ার।

জানা গেছে, ইয়াছমিন আক্তার উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মুছারখোলা গ্রামের সৌদি প্রবাসী রবিউল আলমের স্ত্রী। দীর্ঘ আট বছর ধরে রবিউল আলম সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। তিনি সন্তানদের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

অস্ত্রোপচার পরিচালনা করেন গাইনী বিশেষজ্ঞ ডা. আরিফা মেহের রুমীর নেতৃত্বে ডা. মোসাম্মাৎ রোকসানা আক্তার, ডা. নূর মোহাম্মদ ও ডা. কৌশিক দত্ত। সকালেই ইয়াছমিনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পূর্বপ্রস্তুতি নিয়ে সফলভাবে অপারেশনটি সম্পন্ন করা হয়।

নবজাতকদের দাদা নূর আহমদ বলেন, “মাশাআল্লাহ, একসঙ্গে তিন নাতি আর এক নাতনি পেয়ে আমি অত্যন্ত খুশি। আমার ছেলে সৌদি থেকেও দোয়া চেয়েছে। আল্লাহর অশেষ রহমত।”

অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসক ডা. মোসাম্মাৎ রোকসানা আক্তার বলেন, “গর্ভাবস্থাটি অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। আমরা সতর্কতার সঙ্গে প্রস্তুতি নিই। সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মা ও চার নবজাতক সুস্থ—এটাই সবচেয়ে বড় অর্জন।”