ময়মনসিংহের সার্কিট হাউজ ময়দানে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচনী জনসভায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান জামায়াতে ইসলামীকে লক্ষ্য করে অভিযোগ করেন, একটি দল স্বৈরাচারী দলটির মতো ভাষা ব্যবহার করছে।
আরও পড়তে পারেন
তিনি বলেন, “ওরা বলে বিএনপি দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন ছিল। কিন্তু ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত তাদেরও দুজন সদস্য বিএনপি সরকারের অংশ ছিলেন। যদি বিএনপি এতটাই দুর্নীতিগ্রস্ত হতো, তারা কেন পদত্যাগ করে সরে আসেননি?”
তারেক রহমান আরও বলেন, ওই দুই সদস্য সরকারে থাকাকালীন পদত্যাগ করেননি, কারণ তারা জানতেন যে তখন খালেদা জিয়া কঠোরভাবে দুর্নীতি দমন করছিলেন।
তিনি ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, জামালপুর ও শেরপুরে নদীভাঙন, কর্মসংস্থান, ব্রিজ, রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ ও কালভার্ট নির্মাণের দীর্ঘমেয়াদী সমস্যার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় জনগণের ভোটাধিকার সীমিত থাকায় এই সমস্যা সমাধান সম্ভব হয়নি।
জনসভায় তারেক রহমান বলেন, যুবকরা কর্মসংস্থানের সুযোগ চায় এবং দেশব্যাপী মিল-ফ্যাক্টরি, ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি ও নিরাপদ চাকরির পরিবেশ দরকার। কৃষক ও মৎস্যচাষিদের জন্য নতুন কার্ড বিতরণের পরিকল্পনার কথা তিনি তুলে ধরেন।
এছাড়া মেয়েদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার প্রসার নিশ্চিত করতে বিএনপি সরকার হলে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপির অতীত অভিজ্ঞতা রয়েছে কীভাবে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানো, রাস্তাঘাট নির্মাণ, শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া এবং মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। মাদক সমস্যা সমাধানে যুবকদের প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের গুরুত্বের কথাও তিনি তুলে ধরেন।
জনসভায় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন, সাবেক এমপি আফজাল এইচ খান, বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল আলম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়ারেছ আলী মামুন, আবু ওয়াহাব আকন্দ, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, আইন বিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামাল এবং ধানের শীষের প্রার্থীরা।

































