এইচএসসিতে কত পেয়েছিলেন সাফা, ফারিণ, হিমিরা
- সর্বশেষ আপডেট ০৫:১০:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
- / 230
এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে আজ। এ ফলাফল ঘিরেই একসময় উত্তেজনা, প্রত্যাশা আর একটু ভয় মেশানো আনন্দ ছিল তারকাদের মনে। হাজারো শিক্ষার্থীর মতো দেশের এই অভিনয়শিল্পীরাও একসময় অপেক্ষা করেছিলেন এমন দিনের জন্য। কেউ পেয়েছিলেন দারুণ ফল, কেউ হয়তো ততটা নয়। বেশির ভাগ তারকাই জানান, এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিনটি ছিল তাঁদের জন্য উৎকণ্ঠার। একসময় উৎকণ্ঠা কাটিয়ে সফলতার সঙ্গে কৃতকার্য হন সাফা কবির, পূজা চেরী, তাসনিয়া ফারিণ, দীঘি, জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি, সাদিয়া আয়মান ও তটিনীরা। কে কত পেয়েছিলেন?
সাফা পেয়েছিলেন ৪.৫০
২০১২ সালে এইচএসসি পাস করেন সাফা কবির। ফলাফল কী হবে- এ চিন্তাই তাঁকে সবচেয়ে বেশি ভাবায়। পরে দুপুরের দিকে ভয়ে ভয়ে যান ফলাফল জানতে। সাফা জানান, পড়াশোনায় তাঁর খুব বেশি মনোযোগ ছিল না। পড়তে ভালো লাগত না।
পূজা পেয়েছিলেন ৪.০৮
২০২২ সালে ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন অভিনেত্রী পূজা চেরী। পরীক্ষার সময় পড়ে যায় শুটিং। ব্যস্ততার মধ্যেই পরীক্ষা দিতে হয়। যে কারণে ফলাফল প্রকাশের দিন শঙ্কায় ছিলেন এই ঢালিউড নায়িকা।
ফারিণ পেয়েছিলেন জিপিও-৫
পড়াশোনা নিয়ে সব সময়ই চাপে থাকতেন তাসনিয়া ফারিণ। কখনো বলতেন, খারাপ করলে পড়াশোনা করে আর লাভ কী। বিকল্প ব্যবস্থা নেবেন। তখনই আরও মনোযোগী হয়ে পড়াশোনা করতেন। হলি ক্রস কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন ফারিণ।
তটিনী পেয়েছিলেন গোল্ডেন এ+
পড়াশোনায় খুব মনোযোগ ছিল তানজিম সাইয়ারা তটিনী। সারাক্ষণ নাকি বই নিয়ে বসে থাকতেন। ফলাফল নিয়ে ভয় ও চিন্তায় ঘাবড়ে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী তটিনী। তিনি এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন বরিশাল মহিলা কলেজ থেকে।
সাদিয়া পেয়েছিলেন ৪.৩৯
ফলাফলের আগে থেকেই সবার মতোই দুশ্চিন্তায় ছিলেন অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। সেদিন তিনি চাইছিলেন স্বাভাবিক থাকতে। কিন্তু ফলাফল তাঁকে স্বাভাবিক থাকতে দেয়নি। ২০১৭ সালে তিনি এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁর কলেজ ছিল বরিশাল মহিলা কলেজ।
দীঘির পেয়েছিলেন ৩.৭৫
একেক সময় একেক জিপিএ পয়েন্ট পাওয়ার খবর ছড়ায়। পরে দীঘি নিজেই জানিয়েছিলেন তিনি জিপিএ ৩.৭৫ পেয়েছেন। আমার অনেক প্রত্যাশা ছিল না। ধরেই নিয়েছিলাম, রেজাল্ট এ রকমই হবে। ২০১৯ সালে এসএসসি পাস করে ঢাকার স্টামফোর্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন তিনি।
হিমি পেয়েছিলেন এ+
২০১৭ সালে পরীক্ষার ফলাফলের দিন তিনি ভয়ে ছিলেন। যাঁরাই ফল দেখছেন, তাঁরা সবাই জিপিএ ৪ থেকে বড়জোর ৪.৫০ পেয়েছেন। হয়তো আমিও এমনই পাব। পরে রেজাল্টে দেখি জিপিএ-৫ পেয়েছি। সেবার ঢাকার ক্যামব্রিয়ান কলেজ থেকে হিমিই তাঁদের ব্যাচ থেকে একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন।
































