ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঋণ না দিতে পারায় অসুস্থ নারী তালাবদ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চুয়াডাঙ্গা
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৯:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫
  • / 249

ঋণ না দিতে পারায় অসুস্থ নারী তালাবদ্ধ

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় ঋণের টাকা সম্পূর্ণভাবে পরিশোধ করতে না পারায় মোছা. নুরুন নাহার (৪৭) নামে এক অসুস্থ নারীকে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) কার্যালয়ে তালাবদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার বিআরডিবি কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

নুরুন নাহারের ছোট ছেলে জানান, তার মা বিআরডিবি থেকে ঋণ নিয়েছিলেন। পরিশোধের অংশ হিসেবে তারা ১০ হাজার টাকা নিয়ে অফিসে গেলে কর্মকর্তারা জানান, পুরো টাকা ছাড়া গ্রহণ করা হবে না। এরপর অসুস্থ মাকে অফিসের বারান্দায় তালা মেরে আটকে রাখেন মাঠ কর্মকর্তা আবেদা খাতুন।

অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে আবেদা খাতুন বলেন, “নুরুন নাহার প্রায় ১৪ মাস আগে তিন লাখ টাকা ঋণ নেন। চার মাস আগে পরিশোধের সময় শেষ হয়েছে। বারবার তাগাদা দিলেও তিনি অজুহাত দেন। আমার নিজের বেতন বন্ধ, তাই চাপে ছিলাম।”

তালাবদ্ধ অবস্থায় নুরুন নাহার বলেন, তিনি টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বললেও কর্মকর্তারা তখনই পুরো অর্থ দাবি করেন, না পারায় তাকে আটকে রাখা হয়।

পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে রাত ৮টার দিকে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে।

জীবননগর উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা জামিল আখতার বলেন, “ঘটনার খবর পেয়ে আমি নিজেই এসেছি। তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ঋণ না দিতে পারায় অসুস্থ নারী তালাবদ্ধ

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৯:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় ঋণের টাকা সম্পূর্ণভাবে পরিশোধ করতে না পারায় মোছা. নুরুন নাহার (৪৭) নামে এক অসুস্থ নারীকে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) কার্যালয়ে তালাবদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার বিআরডিবি কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

নুরুন নাহারের ছোট ছেলে জানান, তার মা বিআরডিবি থেকে ঋণ নিয়েছিলেন। পরিশোধের অংশ হিসেবে তারা ১০ হাজার টাকা নিয়ে অফিসে গেলে কর্মকর্তারা জানান, পুরো টাকা ছাড়া গ্রহণ করা হবে না। এরপর অসুস্থ মাকে অফিসের বারান্দায় তালা মেরে আটকে রাখেন মাঠ কর্মকর্তা আবেদা খাতুন।

অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে আবেদা খাতুন বলেন, “নুরুন নাহার প্রায় ১৪ মাস আগে তিন লাখ টাকা ঋণ নেন। চার মাস আগে পরিশোধের সময় শেষ হয়েছে। বারবার তাগাদা দিলেও তিনি অজুহাত দেন। আমার নিজের বেতন বন্ধ, তাই চাপে ছিলাম।”

তালাবদ্ধ অবস্থায় নুরুন নাহার বলেন, তিনি টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বললেও কর্মকর্তারা তখনই পুরো অর্থ দাবি করেন, না পারায় তাকে আটকে রাখা হয়।

পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে রাত ৮টার দিকে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে।

জীবননগর উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা জামিল আখতার বলেন, “ঘটনার খবর পেয়ে আমি নিজেই এসেছি। তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”