ঢাকা ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে চসিক মেয়রের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবদেক, চট্টগ্রাম
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৪৯:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 75

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ‘গুরুতর’ অভিযোগ এনেছেন। প্রকাশ্যে এক সভায় তিনি বলেছেন, ‘স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা প্রকল্পের ফাইল দেখলে সেটা মন্ত্রণালয়ে থেকে বাসায় নিয়ে যান, এরপর সেটা আর ফেরত আসে না।

সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেট ইউনিভার্সিটি আয়োজিত পরিচ্ছন্নতা সচেতনতামূলক প্রচারাভিযানে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে এ অভিযোগ করেন।

চসিক মেয়র বলেন, ‘আমাদের তিনটি প্রজেক্ট এখনো এলজিআরডি মিনিস্ট্রিতে আছে। অ্যাডভাইজার সাহেব যখন দেখেন যে, এটা একটা প্রজেক্ট, তখন উনি ফাইলটা আর মিনিস্ট্রিতে রাখেন না, উনি সেটা ঘরে নিয়ে চলে যান। দিজ ইজ দ্য প্যাথেটিক সিনারিও, দ্যাট উই আর ফেসিং নাও আডেইজ। ফাইল আছে, সব আছে, কিন্তু খুব চমৎকারভাবে উনারা বাসায় নিয়ে চলে যান, মিনিস্ট্রি থেকে ফাইল গায়েব হয়ে যায়।’

মন্ত্রণালয়ের ‘অসহযোগিতার’ কারণে কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে ইঙ্গিত দিয়ে মেয়র বলেন, ‘ইউকের প্রজেক্টটা আমি আর করতে পারিনি। জাপান অ্যাজ ওয়েল অ্যাজ কোরিয়ার প্রজেক্টও। আজ এগুলো যদি আমি অনেক দ্রুত পেতাম, তাহলে চট্টগ্রাম শহর অনেক সুন্দর করে দিতে পারতাম।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে চসিক মেয়রের অভিযোগ

সর্বশেষ আপডেট ১১:৪৯:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ‘গুরুতর’ অভিযোগ এনেছেন। প্রকাশ্যে এক সভায় তিনি বলেছেন, ‘স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা প্রকল্পের ফাইল দেখলে সেটা মন্ত্রণালয়ে থেকে বাসায় নিয়ে যান, এরপর সেটা আর ফেরত আসে না।

সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেট ইউনিভার্সিটি আয়োজিত পরিচ্ছন্নতা সচেতনতামূলক প্রচারাভিযানে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে এ অভিযোগ করেন।

চসিক মেয়র বলেন, ‘আমাদের তিনটি প্রজেক্ট এখনো এলজিআরডি মিনিস্ট্রিতে আছে। অ্যাডভাইজার সাহেব যখন দেখেন যে, এটা একটা প্রজেক্ট, তখন উনি ফাইলটা আর মিনিস্ট্রিতে রাখেন না, উনি সেটা ঘরে নিয়ে চলে যান। দিজ ইজ দ্য প্যাথেটিক সিনারিও, দ্যাট উই আর ফেসিং নাও আডেইজ। ফাইল আছে, সব আছে, কিন্তু খুব চমৎকারভাবে উনারা বাসায় নিয়ে চলে যান, মিনিস্ট্রি থেকে ফাইল গায়েব হয়ে যায়।’

মন্ত্রণালয়ের ‘অসহযোগিতার’ কারণে কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে ইঙ্গিত দিয়ে মেয়র বলেন, ‘ইউকের প্রজেক্টটা আমি আর করতে পারিনি। জাপান অ্যাজ ওয়েল অ্যাজ কোরিয়ার প্রজেক্টও। আজ এগুলো যদি আমি অনেক দ্রুত পেতাম, তাহলে চট্টগ্রাম শহর অনেক সুন্দর করে দিতে পারতাম।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব।