উপদেষ্টাদের ‘সততার’ ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করল বিএনপি
- সর্বশেষ আপডেট ০১:৩০:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫
- / 183
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের ‘সততার’ ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেছে বিএনপি। শনিবার রাতে গণমাধ্যমকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের পক্ষে এ মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, “আজকে একটি পত্রিকায় একজন সাবেক সচিবকে (নাম উল্লেখ না করে) উদ্ধৃত করে একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে যে, উনি বলেছেন আটজন উপদেষ্টা নাকি দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। এই ধরনের একটি রিপোর্ট বেরিয়েছে। আমি বলতে চাই, হুইচ ইজ নট আওয়ার্স। এটার সঙ্গে আমাদের (বিএনপি) কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা প্রধান উপদেষ্টাসহ এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সব উপদেষ্টাকে অত্যন্ত সম্মান করি এবং তাঁদের ওপর, তাঁদের সততার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখি।”
কয়েকটি পত্রিকায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব এবিএম আবদুস সাত্তারের বরাত দিয়ে ৮ উপদেষ্টা নিয়ে বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মির্জা ফখরুল বলেন, “আমি শুনেছি, একজন সাবেক সচিব, যদি উনি এই ধরনের কথা বলে থাকেন—সেটা তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাপার। এটার সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, ওই বক্তব্যের দায় সম্পূর্ণভাবে তাঁর নিজের, দলের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।”
শুক্রবার রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অ্যাসোসিয়েশনের এক সেমিনারে এই অভিযোগ করেন অফিসার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও বৈষম্যবিরোধী কর্মচারী ঐক্য ফোরামের সভাপতি এবিএম আবদুস সাত্তার। তিনি বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ৮২ ব্যাচের কর্মকর্তা। তবে তিনি উপদেষ্টাদের নাম উল্লেখ করেননি।
আব্দুস সাত্তার বলেন, জুলাই আন্দোলনের রক্তের ওপর দিয়ে চেয়ারে বসা অন্তত ৮ জন উপদেষ্টার দুর্নীতির প্রমাণ গোয়েন্দা সংস্থার কাছে রয়েছে, কিন্তু ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, একজন উপদেষ্টার এপিএসের অ্যাকাউন্টে ২০০ কোটি টাকা পাওয়া গেছে, তবুও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, নূরজাহান বেগমের মতো ব্যক্তির কি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চালানো উচিত? কিংবা অভিজ্ঞতা ছাড়াই স্থানীয় সরকার ও যুব ও ক্রীড়া—এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া কতটা যৌক্তিক?
































