ঢাকা ১২:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উখিয়ায় চার নবজাতকের মৃত্যু, শোকে স্তব্ধ পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক, উখিয়া
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৫৩:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
  • / 109

উখিয়ায় চার নবজাতকের মৃত্যু, শোকে স্তব্ধ পরিবার

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের মোছারখোলা এলাকায় এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। প্রবাসী রবিউল আলম ও তাঁর স্ত্রী ইয়াছমিন আক্তারের ঘরে জন্ম নেওয়া চার নবজাতকই মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে মারা গেছে, যা পরিবার ও এলাকাবাসীর মনে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে।

গত মঙ্গলবার কক্সবাজার শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ইয়াছমিন আক্তার জন্ম দেন তিন ছেলে ও এক কন্যা সন্তানের। অস্ত্রোপচারে নেতৃত্ব দেন গাইনী বিশেষজ্ঞ ডা. আরিফা মেহের রুমী ও সার্জন ডা. মোসাম্মৎ রোকসানা আক্তার। সহকারী হিসেবে ছিলেন ডা. নুর মোহাম্মদ ও ডা. কৌশিক দত্ত।

জন্মের পর মা ও নবজাতকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। কিন্তু বুধবার সকালে প্রথম সন্তানের মৃত্যু ঘটে। এরপর বৃহস্পতিবার ভোররাতে ও সকালে বাকি তিন শিশুও মৃত্যুবরণ করে।

পরিবারের পক্ষ থেকে ইয়াছমিনের আত্মীয় আবুল ফয়সাল ফাহিম জানান, “চারটি প্রাণের একসাথে আগমন আমাদের কাছে স্বপ্নের মতো ছিল। কিন্তু সেই আনন্দ দীর্ঘস্থায়ী হলো না, আমরা শোকাহত।”

বর্তমানে মা ইয়াছমিন আক্তার হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন আছেন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোক ও বিষাদের ছায়া। স্থানীয় বাসিন্দারা পরিবারটির প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।

শোকবিহ্বল পিতা রবিউল আলম বলেন, “চারটি সন্তানের আগমন আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের খবর ছিল। আমি প্রবাসে থাকলেও মনে মনে সেই মুহূর্তে উপস্থিত ছিলাম। কিন্তু নিয়তির নির্মমতা এই আনন্দকে কেড়ে নিল মাত্র দুই দিনের মধ্যে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

উখিয়ায় চার নবজাতকের মৃত্যু, শোকে স্তব্ধ পরিবার

সর্বশেষ আপডেট ১১:৫৩:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের মোছারখোলা এলাকায় এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। প্রবাসী রবিউল আলম ও তাঁর স্ত্রী ইয়াছমিন আক্তারের ঘরে জন্ম নেওয়া চার নবজাতকই মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে মারা গেছে, যা পরিবার ও এলাকাবাসীর মনে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে।

গত মঙ্গলবার কক্সবাজার শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ইয়াছমিন আক্তার জন্ম দেন তিন ছেলে ও এক কন্যা সন্তানের। অস্ত্রোপচারে নেতৃত্ব দেন গাইনী বিশেষজ্ঞ ডা. আরিফা মেহের রুমী ও সার্জন ডা. মোসাম্মৎ রোকসানা আক্তার। সহকারী হিসেবে ছিলেন ডা. নুর মোহাম্মদ ও ডা. কৌশিক দত্ত।

জন্মের পর মা ও নবজাতকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। কিন্তু বুধবার সকালে প্রথম সন্তানের মৃত্যু ঘটে। এরপর বৃহস্পতিবার ভোররাতে ও সকালে বাকি তিন শিশুও মৃত্যুবরণ করে।

পরিবারের পক্ষ থেকে ইয়াছমিনের আত্মীয় আবুল ফয়সাল ফাহিম জানান, “চারটি প্রাণের একসাথে আগমন আমাদের কাছে স্বপ্নের মতো ছিল। কিন্তু সেই আনন্দ দীর্ঘস্থায়ী হলো না, আমরা শোকাহত।”

বর্তমানে মা ইয়াছমিন আক্তার হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন আছেন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোক ও বিষাদের ছায়া। স্থানীয় বাসিন্দারা পরিবারটির প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।

শোকবিহ্বল পিতা রবিউল আলম বলেন, “চারটি সন্তানের আগমন আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের খবর ছিল। আমি প্রবাসে থাকলেও মনে মনে সেই মুহূর্তে উপস্থিত ছিলাম। কিন্তু নিয়তির নির্মমতা এই আনন্দকে কেড়ে নিল মাত্র দুই দিনের মধ্যে।”