ইসির প্রশংসায় গাজীপুর বিএনপি, সমালোচনায় বাগেরহাটবাসী
- সর্বশেষ আপডেট ০১:৪১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫
- / 113
একটি সংসদীয় আসন বাড়ানোর জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রশংসা পেয়েছে গাজীপুরবাসীর কাছ থেকে। তারা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতেও ইসির সঙ্গে থাকবে। একটি আসন বাড়ানোর কারণে গাজীপুরবাসীর অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতার বাণে সিক্ত হয়েছে নির্বাচন কমিশন।
অন্যদিকে, একটি সংসদীয় আসন কমানোর কারণে বাগেরহাটবাসী ইসির সমালোচনা করেছে।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে ঢাকা অঞ্চলের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে গাজীপুরের প্রতিনিধিরা দাবি-আপত্তির শুনানিতে অংশ নেন। ছোটখাটো অভিযোগ থাকলেও তারা ইসির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন। এসময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনসহ চার নির্বাচন কমিশনার উপস্থিত ছিলেন। ইসি সচিব আখতার আহমেদ শুনানিটি সঞ্চালনা করেন।
শুনানিতে বিএনপি নেতা একেএম ফজলুল হক মিলন বলেন, “আমাদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল গাজীপুরে আসন বাড়ানো। সিইসি ও অন্যান্য কমিশনাররা অতীতের যে কোনো সময়ে চেয়ে বেশি সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতায় দায়িত্ব পালন করছেন। আমরা গাজীপুরবাসীর প্রতি আপনার বদান্যতায় কৃতজ্ঞ। সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যে কোনো ধরনের সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিচ্ছি।”
তিনি আরও বলেন, “আপনাদের পাশে থেকে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। যেকোনো আন্দোলন, সংগ্রামে ন্যায়সঙ্গত বিষয়ে সাড়া দেবো। অধিকার আদায়ে ইসিকে সহায়তা করবো।”
কৃতজ্ঞতার জবাবে শুনানি শেষে মঞ্চ থেকে ইসি সচিব বলেন, “আপনারা এসেছেন, এতেই আমরা ধন্য।”
গত ৩০ জুলাই ৩০০ সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে খসড়া প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। ভোটার সংখ্যার সমতা আনতে গিয়ে বাগেরহাটের আসন চারটি থেকে কমিয়ে তিনটি করার প্রস্তাব করা হয়। অন্যদিকে, গাজীপুর জেলায় একটি আসন বাড়িয়ে ছয়টি করা হয়। বাগেরহাটবাসী আসন কমানোর কারণে ইসির কঠোর সমালোচনা করলেও, গাজীপুরবাসীর প্রতিক্রিয়া উল্টো।
শুনানি থেকে বেরিয়ে গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম মঞ্জুরুল করিম রনি বলেন, “আজকের শুনানিতে কয়েকজন বিভিন্ন আসনে থানা ও ওয়ার্ড সংযোজনের দাবি জানিয়েছেন। বাকি সবাই ইসির পক্ষে ছিল। আসন বাড়ানোর কারণে আমরা কমিশনকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছি।”
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক একেএম ফজলুল হক মিলন বলেন, “এবার গাজীপুরে ৫টি থেকে ৬টি আসন হয়েছে। আমরা ইসিকে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছি। আমাদের ছোটখাটো কিছু দাবি ছিল, যা অত্যন্ত শালীনতার সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে। দুয়েকটি বিষয়ে ইসি যে সিদ্ধান্ত দেবেন, আমরা তা মেনে নেব।”
এবার ৮৩টি সংসদীয় এলাকার সীমানা নিয়ে এক হাজার ৭৬০টি আপত্তি-পরামর্শের আবেদন নির্বাচন কমিশনে জমা হয়েছে। ২৪–২৭ আগস্ট শুনানি শেষে এসব আপত্তি নিষ্পত্তি করে চূড়ান্ত সীমানা প্রকাশ করবে ইসি।
































