ঢাকা ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরান-ইসরায়েল সংঘাত: বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:২০:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫
  • / 212

ইরান-ইসরায়েল সংঘাত: বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বিশ্ববাজার। এই উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়েছে জ্বালানি তেলের দামে।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ব্যারেলপ্রতি ৭৪.৪৬ ডলার, যা আগের তুলনায় ১.২৩ ডলার বা ১.৭ শতাংশ বেশি। একইভাবে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম বেড়ে হয়েছে ৭২.৮৫ ডলার, যা আগের তুলনায় ১.০৮ ডলার বা ১.৫ শতাংশ বেশি।

যদিও সরবরাহে এখনো বড় কোনো বাধার মুখে পড়েনি বিশ্ব, তবুও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইসরায়েলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের দক্ষিণ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে আংশিকভাবে উৎপাদন বন্ধ হয়েছে। একইসঙ্গে ইরানের শাহরান তেল ডিপোতেও হামলা হয়েছে।

বিশ্ববাজারে সবচেয়ে বড় আলোড়ন তৈরি করেছে গত শুক্রবারের একদিনে ১৩ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি, যা ২০২২ সালের মার্চের পর একদিনে সবচেয়ে বড় উত্থান। বিশ্লেষকদের মতে, এরকম প্রবণতা চলতে থাকলে বাজার অস্থিরতা আরও বাড়বে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, হরমুজ প্রণালি ঘিরেও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইরানের এক জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা এই প্রণালি বন্ধের কথা বিবেচনা করছে। গোল্ডম্যান স্যাকস জানিয়েছে, বিশ্বের মোট তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।

এই প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন দেখা দেবে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো আমদানি-রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতির ওপর এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। সময়মতো পণ্য সরবরাহ ব্যাহত হলে রপ্তানি চুক্তি বাতিলের ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইরান-ইসরায়েল সংঘাত: বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

সর্বশেষ আপডেট ০৭:২০:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বিশ্ববাজার। এই উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়েছে জ্বালানি তেলের দামে।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ব্যারেলপ্রতি ৭৪.৪৬ ডলার, যা আগের তুলনায় ১.২৩ ডলার বা ১.৭ শতাংশ বেশি। একইভাবে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম বেড়ে হয়েছে ৭২.৮৫ ডলার, যা আগের তুলনায় ১.০৮ ডলার বা ১.৫ শতাংশ বেশি।

যদিও সরবরাহে এখনো বড় কোনো বাধার মুখে পড়েনি বিশ্ব, তবুও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইসরায়েলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের দক্ষিণ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে আংশিকভাবে উৎপাদন বন্ধ হয়েছে। একইসঙ্গে ইরানের শাহরান তেল ডিপোতেও হামলা হয়েছে।

বিশ্ববাজারে সবচেয়ে বড় আলোড়ন তৈরি করেছে গত শুক্রবারের একদিনে ১৩ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি, যা ২০২২ সালের মার্চের পর একদিনে সবচেয়ে বড় উত্থান। বিশ্লেষকদের মতে, এরকম প্রবণতা চলতে থাকলে বাজার অস্থিরতা আরও বাড়বে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, হরমুজ প্রণালি ঘিরেও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইরানের এক জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা এই প্রণালি বন্ধের কথা বিবেচনা করছে। গোল্ডম্যান স্যাকস জানিয়েছে, বিশ্বের মোট তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।

এই প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন দেখা দেবে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো আমদানি-রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতির ওপর এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। সময়মতো পণ্য সরবরাহ ব্যাহত হলে রপ্তানি চুক্তি বাতিলের ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।