ইরানের হামলা ঠেকাতে কাতারে টাইফুন যুদ্ধবিমান পাঠালো যুক্তরাজ্য
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:৫২:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
- / 0
প্রতিরক্ষামূলক ক্ষমতার জন্য কাতারে চারটি রয়েল এয়ার ফোর্স টাইফুন বিমান মোতায়েন করা হয়েছে। ক্রেডিট: ক্রাউন কপিরাইট/যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
ইরানের সম্ভাব্য হামলার শঙ্কায় কাতারে চারটি টাইফুন যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে যুক্তরাজ্য। আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করাই এর মূল উদ্দেশ্য। এটি যুক্তরাজ্য–কাতার প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশ এবং মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক স্থিতিশীলতা রক্ষার চেষ্টা হিসেবে দেখানো হচ্ছে।
যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্স (আরএএফ) তাদের এফজিআর৪ টাইফুন জেটগুলো কাতারে পাঠিয়েছে। সাম্প্রতিক বিক্ষোভ দমন এবং ইরানের সরকারের কঠোর কর্মকাণ্ডের পর পরিস্থিতি জটিল হওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, কাতারে মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার সম্ভাবনা রয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র আব্রাহাম লিংকন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপসহ একটি বড় নৌবহর মধ্যপ্রাচ্যে পাঠিয়েছে, যেখানে এফ-১৫ ঈগল যুদ্ধবিমানও প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে।
টাইফুন যুদ্ধবিমানের সক্ষমতা অত্যাধুনিক। ড্রোন প্রতিরোধ, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতকরণ এবং একাধিক লক্ষ্য শনাক্ত করার ক্ষমতা রয়েছে। ২০২৪ সালের ইসরায়েল–ইরান ক্ষেপণাস্ত্র সংঘর্ষের সময় এ যুদ্ধবিমান সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। ইসিআরএস এমকে-২ রাডার আপগ্রেডের মাধ্যমে আকাশ ও স্থল উভয় ক্ষেত্রেই একসঙ্গে একাধিক লক্ষ্য চিহ্নিত ও অনুসরণ করার ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
কাতারের পাইলটরা ২০১৮ সাল থেকে যুক্তরাজ্যের আরএএফ কনিংসবির ১২ স্কোয়াড্রনের সঙ্গে যৌথ প্রশিক্ষণ ও অপারেশনাল অভিজ্ঞতা অর্জন করছেন। কাতার ইতিমধ্যেই ২৪টি টাইফুন যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি করেছে এবং সরবরাহ ২০২২ সাল থেকে শুরু হয়েছে।



































