ঢাকা ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূমি ব্যবহার অনুমোদন দেবে না আরব আমিরাত

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৯:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 5

None

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ঘোষণা করেছে যে, তাদের আকাশসীমা, ভূখণ্ড বা জলসীমা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো শত্রুতামূলক সামরিক কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যবহার করা হবে না।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দেশটি আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি আনুগত্য ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষাকে প্রধান প্রাধান্য দিয়ে জানিয়েছে যে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো হামলার জন্য তারা লজিস্টিক বা সামরিক সহায়তাও দেবে না।

এ সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এসেছে, যেখানে গত বছরের শেষ থেকে ইরানে অর্থনৈতিক অসন্তোষের কারণে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে এবং চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি তা ব্যাপক রূপ নেয়। মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক বিক্ষোভে অন্তত ৬ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

ইউএই-এর এই পদক্ষেপ মার্কিন সামরিক উপস্থিতির মধ্যেও গুরুত্ব বহন করছে। আবুধাবির আল-ধাফরা বিমানঘাঁটিতে হাজার হাজার মার্কিন সৈন্য অবস্থান করলেও দেশটি স্পষ্টভাবে নিরপেক্ষ থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নৌবহর উপসাগরীয় অঞ্চলে পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন, যা ইরানের ওপর নজরদারির প্রতিফলন।

এই পদক্ষেপই আবুধাবির অবস্থানকে স্পষ্ট করে—যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিরাপত্তা সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো সামরিক সহায়তা দেওয়া হবে না এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমন ও কূটনৈতিক সংলাপকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূমি ব্যবহার অনুমোদন দেবে না আরব আমিরাত

সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৯:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ঘোষণা করেছে যে, তাদের আকাশসীমা, ভূখণ্ড বা জলসীমা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো শত্রুতামূলক সামরিক কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যবহার করা হবে না।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দেশটি আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি আনুগত্য ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষাকে প্রধান প্রাধান্য দিয়ে জানিয়েছে যে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো হামলার জন্য তারা লজিস্টিক বা সামরিক সহায়তাও দেবে না।

এ সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এসেছে, যেখানে গত বছরের শেষ থেকে ইরানে অর্থনৈতিক অসন্তোষের কারণে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে এবং চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি তা ব্যাপক রূপ নেয়। মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক বিক্ষোভে অন্তত ৬ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

ইউএই-এর এই পদক্ষেপ মার্কিন সামরিক উপস্থিতির মধ্যেও গুরুত্ব বহন করছে। আবুধাবির আল-ধাফরা বিমানঘাঁটিতে হাজার হাজার মার্কিন সৈন্য অবস্থান করলেও দেশটি স্পষ্টভাবে নিরপেক্ষ থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নৌবহর উপসাগরীয় অঞ্চলে পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন, যা ইরানের ওপর নজরদারির প্রতিফলন।

এই পদক্ষেপই আবুধাবির অবস্থানকে স্পষ্ট করে—যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিরাপত্তা সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো সামরিক সহায়তা দেওয়া হবে না এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমন ও কূটনৈতিক সংলাপকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।