ঢাকা ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানের প্রেসিডেন্টের দুঃখপ্রকাশ, কাতারকে বন্ধুত্বপূর্ণ বার্তা

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:০২:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫
  • / 210

ইরানের প্রেসিডেন্টের দুঃখপ্রকাশ, কাতারকে বন্ধুত্বপূর্ণ বার্তা

মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) পরিচালিত ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর কাতারের প্রতি দুঃখপ্রকাশ করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান।

হামলার পর কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে ফোনালাপে ইরানি প্রেসিডেন্ট বলেন, কাতার বা দেশটির জনগণ কখনোই এ হামলার লক্ষ্য ছিল না। যদি কাতারের আকাশসীমা বা নিরাপত্তা কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে, তাহলে তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

আল-জাজিরার বরাতে জানা যায়, ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, এ হামলা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির বিরুদ্ধে একটি কৌশলগত পদক্ষেপ, যা কাতারের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়নি।

ইরানের প্রেসিডেন্টের দুঃখপ্রকাশ, কাতারকে বন্ধুত্বপূর্ণ বার্তা
ইরানের প্রেসিডেন্টের দুঃখপ্রকাশ, কাতারকে বন্ধুত্বপূর্ণ বার্তা

এর আগে কাতার সরকার এক বিবৃতিতে হামলাটিকে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে বলেছে, কাতারের আকাশসীমা লঙ্ঘিত হওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কাতারের আমির নিজেও হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, “আমরা বরাবরই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনে সংলাপ-ভিত্তিক সমাধানের পক্ষে। এখন সময় এসেছে ইরান আবার আলোচনার টেবিলে ফিরে আসুক।”

ইরান প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান এ উদ্বেগের প্রতি সম্মান জানিয়ে বলেন, “আমরা কাতারকে বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে দেখি এবং এই ঘটনায় যদি কোনো অনিচ্ছাকৃত ক্ষতি হয়ে থাকে, আমরা তার জন্য দুঃখিত।”

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের বার্তা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার প্রয়াস। কাতার ও ইরান ঐতিহাসিকভাবে কৌশলগত ও কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে চললেও আঞ্চলিক রাজনীতিতে তাদের অবস্থান ভিন্ন।

তবে সংলাপ ও শান্তিপূর্ণ সমাধানে দুই দেশই আগ্রহী। বিশেষ করে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের এ দুঃখপ্রকাশকে অনেকে কূটনৈতিক সৌজন্য ও বন্ধুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবেই দেখছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইরানের প্রেসিডেন্টের দুঃখপ্রকাশ, কাতারকে বন্ধুত্বপূর্ণ বার্তা

সর্বশেষ আপডেট ১২:০২:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫

মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) পরিচালিত ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর কাতারের প্রতি দুঃখপ্রকাশ করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান।

হামলার পর কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে ফোনালাপে ইরানি প্রেসিডেন্ট বলেন, কাতার বা দেশটির জনগণ কখনোই এ হামলার লক্ষ্য ছিল না। যদি কাতারের আকাশসীমা বা নিরাপত্তা কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে, তাহলে তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

আল-জাজিরার বরাতে জানা যায়, ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, এ হামলা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির বিরুদ্ধে একটি কৌশলগত পদক্ষেপ, যা কাতারের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়নি।

ইরানের প্রেসিডেন্টের দুঃখপ্রকাশ, কাতারকে বন্ধুত্বপূর্ণ বার্তা
ইরানের প্রেসিডেন্টের দুঃখপ্রকাশ, কাতারকে বন্ধুত্বপূর্ণ বার্তা

এর আগে কাতার সরকার এক বিবৃতিতে হামলাটিকে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে বলেছে, কাতারের আকাশসীমা লঙ্ঘিত হওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কাতারের আমির নিজেও হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, “আমরা বরাবরই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনে সংলাপ-ভিত্তিক সমাধানের পক্ষে। এখন সময় এসেছে ইরান আবার আলোচনার টেবিলে ফিরে আসুক।”

ইরান প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান এ উদ্বেগের প্রতি সম্মান জানিয়ে বলেন, “আমরা কাতারকে বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে দেখি এবং এই ঘটনায় যদি কোনো অনিচ্ছাকৃত ক্ষতি হয়ে থাকে, আমরা তার জন্য দুঃখিত।”

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের বার্তা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার প্রয়াস। কাতার ও ইরান ঐতিহাসিকভাবে কৌশলগত ও কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে চললেও আঞ্চলিক রাজনীতিতে তাদের অবস্থান ভিন্ন।

তবে সংলাপ ও শান্তিপূর্ণ সমাধানে দুই দেশই আগ্রহী। বিশেষ করে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের এ দুঃখপ্রকাশকে অনেকে কূটনৈতিক সৌজন্য ও বন্ধুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবেই দেখছেন।