ঢাকা ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার

ইমাম মুহিবুল্লাহ অপহরণ পুরোটাই সাজানো গল্প

নিজস্ব প্রতিবদেক, টঙ্গী (গাজীপুর)
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৫২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫
  • / 86

খতিব ও পেশ ইমাম মো. মুহিবুল্লাহ মিয়াজী। ছবি: প্রতিনিধি

গাজীপুরের টঙ্গী থেকে খতিব ও পেশ ইমাম মো. মুহিবুল্লাহ মিয়াজীকে অপহরণের ঘটনা মিথ্যা, তিনি নিজেই গা ঢাকা দিয়েছিলেন। তাঁকে উদ্ধার পর মামলায় যা বলেছেন, তার পুরোটাই সাজানো গল্প।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান।

চৌহান বলেন, মুহিবুল্লাহ অপহরণের যে বর্ণনা দিয়েছেন এবং যে সময় ও স্থান থেকে তাঁকে তুলে নেওয়ার কথা বলেছেন, সেই সময়ের ওইসব এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে পুলিশ অপহরণের কোনো প্রমাণ পায়নি। তিনি নিজেই নিজের পায়ে শিকল লাগিয়ে শুয়েছিলেন। তাঁকে উদ্ধার পর মামলায় যা বলেছেন, তার পুরোটাই সাজানো গল্প।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মুফতি মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহ মিয়াজী টঙ্গীর টিঅ্যান্ডটি কলোনি জামে মসজিদের খতিব। তাঁকে অপহরণ করা হয়েছিল, এমন অভিযোগে তিনি ২৪ অক্টোবর টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি মামলা করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, এ ঘটনায় ইমাম মুহিবুল্লাহর বাসের সহযাত্রী এবং বাসের সুপারভাইজারও পুলিশের হেফাজতে আছে। ইতোমধ্যে ইমাম মুহিবউল্লাহ পুলিশের কাছে প্রকৃত ঘটনা স্বীকার করেছেন।

এর আগে, সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে মাওলানা মুহিব্বুল্লাহকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য টঙ্গী পূর্ব থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্রিফিং দেওয়া হয়নি, তবে সূত্র জানায়- জিজ্ঞাসাবাদের সময় মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ স্বীকার করেছেন যে ঘটনাটি তার নিজের ইচ্ছাতেই ঘটেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার

ইমাম মুহিবুল্লাহ অপহরণ পুরোটাই সাজানো গল্প

সর্বশেষ আপডেট ০২:৫২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

গাজীপুরের টঙ্গী থেকে খতিব ও পেশ ইমাম মো. মুহিবুল্লাহ মিয়াজীকে অপহরণের ঘটনা মিথ্যা, তিনি নিজেই গা ঢাকা দিয়েছিলেন। তাঁকে উদ্ধার পর মামলায় যা বলেছেন, তার পুরোটাই সাজানো গল্প।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান।

চৌহান বলেন, মুহিবুল্লাহ অপহরণের যে বর্ণনা দিয়েছেন এবং যে সময় ও স্থান থেকে তাঁকে তুলে নেওয়ার কথা বলেছেন, সেই সময়ের ওইসব এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে পুলিশ অপহরণের কোনো প্রমাণ পায়নি। তিনি নিজেই নিজের পায়ে শিকল লাগিয়ে শুয়েছিলেন। তাঁকে উদ্ধার পর মামলায় যা বলেছেন, তার পুরোটাই সাজানো গল্প।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মুফতি মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহ মিয়াজী টঙ্গীর টিঅ্যান্ডটি কলোনি জামে মসজিদের খতিব। তাঁকে অপহরণ করা হয়েছিল, এমন অভিযোগে তিনি ২৪ অক্টোবর টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি মামলা করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, এ ঘটনায় ইমাম মুহিবুল্লাহর বাসের সহযাত্রী এবং বাসের সুপারভাইজারও পুলিশের হেফাজতে আছে। ইতোমধ্যে ইমাম মুহিবউল্লাহ পুলিশের কাছে প্রকৃত ঘটনা স্বীকার করেছেন।

এর আগে, সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে মাওলানা মুহিব্বুল্লাহকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য টঙ্গী পূর্ব থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্রিফিং দেওয়া হয়নি, তবে সূত্র জানায়- জিজ্ঞাসাবাদের সময় মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ স্বীকার করেছেন যে ঘটনাটি তার নিজের ইচ্ছাতেই ঘটেছে।