ঢাকা ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইবি শিক্ষক হাফিজুল ইসলাম চাকরিচ্যুত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ইবি (কুষ্টিয়া)
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৬:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫
  • / 274

যৌন হয়রানি, সমকামিতায় বাধ্য করা, অশ্লীল গালিগালাজ, নম্বর কমিয়ে দেওয়া, হুমকি ও রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারসহ নানা গুরুতর অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাফিজুল ইসলামকে চাকরি থেকে অপসারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

৩০ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬৮তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শান্তি-শৃঙ্খলার স্বার্থে হাফিজুল ইসলামের কর্মকাণ্ডকে শৃঙ্খলা বিধির পরিপন্থি বিবেচনায় তাকে ৩১ মে থেকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে।

এর আগে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে একই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামলে তাকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয় এবং ইনক্রিমেন্ট বাতিল করা হয়। তবে শিক্ষার্থীরা এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে স্থায়ী অপসারণের দাবিতে ফের আন্দোলন শুরু করে। পরে পুনরায় তদন্ত শেষে বর্তমান সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, শিক্ষক হাফিজ তাদের উপর শারীরিক-মানসিক নির্যাতন চালাতেন, জোরপূর্বক সমকামিতায় বাধ্য করতেন, ছাত্রীদের চেহারা-পরিবার নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য করতেন। ছাত্রলীগের মিছিলে পাঠাতে এটেনডেন্স ব্যবহার করতেন এবং কথা না শুনলে নম্বর কমিয়ে দিতেন।

এই শিক্ষককে ঘিরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে পুরো ক্যাম্পাসে। কুশপুত্তলিকা মিছিল, বিক্ষোভ এবং লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার পরই প্রশাসন তার অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয়। শিক্ষার্থীরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ রক্ষার আহ্বান জানান।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইবি শিক্ষক হাফিজুল ইসলাম চাকরিচ্যুত

সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৬:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

যৌন হয়রানি, সমকামিতায় বাধ্য করা, অশ্লীল গালিগালাজ, নম্বর কমিয়ে দেওয়া, হুমকি ও রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারসহ নানা গুরুতর অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাফিজুল ইসলামকে চাকরি থেকে অপসারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

৩০ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬৮তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শান্তি-শৃঙ্খলার স্বার্থে হাফিজুল ইসলামের কর্মকাণ্ডকে শৃঙ্খলা বিধির পরিপন্থি বিবেচনায় তাকে ৩১ মে থেকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে।

এর আগে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে একই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামলে তাকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয় এবং ইনক্রিমেন্ট বাতিল করা হয়। তবে শিক্ষার্থীরা এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে স্থায়ী অপসারণের দাবিতে ফের আন্দোলন শুরু করে। পরে পুনরায় তদন্ত শেষে বর্তমান সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, শিক্ষক হাফিজ তাদের উপর শারীরিক-মানসিক নির্যাতন চালাতেন, জোরপূর্বক সমকামিতায় বাধ্য করতেন, ছাত্রীদের চেহারা-পরিবার নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য করতেন। ছাত্রলীগের মিছিলে পাঠাতে এটেনডেন্স ব্যবহার করতেন এবং কথা না শুনলে নম্বর কমিয়ে দিতেন।

এই শিক্ষককে ঘিরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে পুরো ক্যাম্পাসে। কুশপুত্তলিকা মিছিল, বিক্ষোভ এবং লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার পরই প্রশাসন তার অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয়। শিক্ষার্থীরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ রক্ষার আহ্বান জানান।