ঢাকা ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইন্দোনেশিয়ায় মাদ্রাসা ভবন ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / 73

ইন্দোনেশিয়ায় মাদ্রাসা ভবন ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭

ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভার সিদোয়ারজো শহরে মাদ্রাসা ভবন ধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭ জনে। এখনও ২৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। সময় যেতেই তাদের জীবিত উদ্ধার হওয়ার সম্ভাবনা কমছে। দুর্ঘটনা ঘটে গত সোমবার, যখন আসরের নামাজ চলছিল এবং ভবনের একটি অংশ হঠাৎ ধসে পড়ে।

দেশটির জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার অপারেশন ডিরেক্টর যুধি ব্রামান্তিও এক বিবৃতিতে জানান, রবিবার সকাল পর্যন্ত ১৪১ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে এবং ৩৭ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। তিনি আরও জানান, এখনও ২৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

স্থানীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার প্রধান নানং সিগিতও মৃতের সংখ্যা ৩৭ জন বলে নিশ্চিত করেছেন।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদ্রাসা ভবনটির নির্মাণ মান নিম্নগুণের কারণে ধসে পড়েছে। নিখোঁজদের জীবিত উদ্ধার করার সর্বোত্তম সময় ৭২ ঘণ্টা পার হওয়ার পর, গত বৃহস্পতিবার উদ্ধারকাজে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছেন তাদের পরিবার।

স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার সময় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা আসরের নামাজের জন্য একত্র হচ্ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইন্দোনেশিয়ায় মাদ্রাসা ভবন ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭

সর্বশেষ আপডেট ১১:১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভার সিদোয়ারজো শহরে মাদ্রাসা ভবন ধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭ জনে। এখনও ২৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। সময় যেতেই তাদের জীবিত উদ্ধার হওয়ার সম্ভাবনা কমছে। দুর্ঘটনা ঘটে গত সোমবার, যখন আসরের নামাজ চলছিল এবং ভবনের একটি অংশ হঠাৎ ধসে পড়ে।

দেশটির জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার অপারেশন ডিরেক্টর যুধি ব্রামান্তিও এক বিবৃতিতে জানান, রবিবার সকাল পর্যন্ত ১৪১ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে এবং ৩৭ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। তিনি আরও জানান, এখনও ২৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

স্থানীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার প্রধান নানং সিগিতও মৃতের সংখ্যা ৩৭ জন বলে নিশ্চিত করেছেন।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদ্রাসা ভবনটির নির্মাণ মান নিম্নগুণের কারণে ধসে পড়েছে। নিখোঁজদের জীবিত উদ্ধার করার সর্বোত্তম সময় ৭২ ঘণ্টা পার হওয়ার পর, গত বৃহস্পতিবার উদ্ধারকাজে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছেন তাদের পরিবার।

স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার সময় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা আসরের নামাজের জন্য একত্র হচ্ছিলেন।