ঢাকা ০৪:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
পাকিস্তানকে হারিয়ে

ইতিহাসগড়া সিরিজ জয় বাংলাদেশের

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:০০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫
  • / 262

ইতিহাসগড়া সিরিজ জয় বাংলাদেশের

বাংলাদেশের নিশ্চিত জয়ের মঞ্চ প্রস্তুত। এমন এক ম্যাচ প্রায় ঘুরিয়েই দিয়েছিলেন ফাহিম আশরাফ। চার-ছক্কায় পাকিস্তানকে জয়ের একদম দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছিলেন তিনি। ৭ বলে তখন দরকার মাত্র ১৩ রান। রিশাদ হোসেনের আগের বলেও ছক্কা মেরেছিলেন ফাহিম। পরের বলেই বোল্ড।

শেষ ওভারে পাকিস্তানের দরকার পড়ে ১৩ রান। মোস্তাফিজুর রহমানের করা ওই ওভারে প্রথম বলেই চার হাঁকিয়ে বুক ধড়ফড় বাড়িয়ে তোলেন আহমেদ দানিয়েল। পরের বলেও হাঁকিয়েছিলেন ছক্কার জন্য। তবে এবার মিডউইকেটে শামীম পাটোয়ারী ক্যাচ নেন। হাঁফ ছেড়ে বাঁচে বাংলাদেশ। উল্লাসে ফেটে পড়ে পুরো গ্যালারি।

মিরপুরে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে রুদ্ধশ্বাস এক লড়াইয়ে পাকিস্তানকে ৮ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথমবার পাকিস্তানের বিপক্ষে একের অধিক ম্যাচ খেলা টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে ইতিহাসও গড়েছে টাইগাররা।

এ নিয়ে টানা চারটি টি-টোয়েন্টি জিতেছে বাংলাদেশ। এই রেকর্ডও এবারই প্রথম। শ্রীলঙ্কায় শেষ দুই ম্যাচ জিতে ইতিহাস গড়ে প্রথমবার টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিজের করে নিয়েছিল টাইগাররা। এবার পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা দুই জয়।

প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৩৩ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ। জবাবে ১৯.২ ওভারে ১২৫ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান।

পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য ছিল ১৩৪ রানের। শেখ মেহেদীকে দিয়ে বোলিং উদ্বোধন করেন অধিনায়ক লিটন দাস। প্রথম ওভারের শেষ বলে দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে উইকেট হারায় পাকিস্তান। পারভেজ ইমন ডিপ পয়েন্টে ডাইভ দিয়ে বল থামান, রিশাদ হোসেন থ্রো করেন। স্টাম্প ভাঙেন লিটন। সাইম আইয়ুব ফেরেন ১ রান করে।

পরের ওভারে শরিফুল ইসলামের দুর্দান্ত সুইংয়ে এলবিডব্লিউ হন মোহাম্মদ হারিস, গোল্ডেন ডাক। আম্পায়ার আঙুল তুলে দিলে রিভিউ নিয়েছিলেন হারিস, তবে কাজ হয়নি। ৯ রানে ২ উইকেট হারায় পাকিস্তান।

গত ম্যাচে পাকিস্তানের হাল ধরা ফখর জামানও এবার পারেননি। শরিফুলের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফেরেন তিনি (৮ বলে ৮)। লেগ সাইডে ক্যাচ ধরেন উইকেটরক্ষক লিটন।

পঞ্চম ওভারে টানা দুই বলে দুর্দান্ত বাউন্সারে ব্যাটারদের পরাস্ত করেন তানজিম সাকিব। হাসান নেওয়াজ আর মোহাম্মদ নওয়াজ-দুই ব্যাটারই উইকেটরক্ষককে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ০ রানে। ১৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বলতে গেলে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে পাকিস্তান।

বিপদ দেখে মাটি কামড়ে থাকার চেষ্টা করেন অধিনায়ক সালমান আগা। ২৩ বল খেলে অবশেষে ধৈর্য হারান। ইনিংসের দশম ওভারে শেখ মেহেদীকে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে লংঅনে ক্যাচ হন সালমান।

রিশাদ হোসেনের করা পরের ওভারে আউট হতে পারতেন ফাহিম আশরাফ বা খুশদিল শাহ। ফাহিমের পায়ে বল লাগলে আঙুল তুলে দিয়েছিলেন আম্পায়ার। রিভিউ নেন ফাহিম। দেখা যায়, বল স্টাম্পের ওপরে যাচ্ছে।

এক বল পর রিভার্স সুইপ করেন খুশদিল শাহ। এবার ডিপ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে সহজ ক্যাচ ফেলে দেন পারভেজ ইমন। ১১ রানে জীবন পান খুশদিল। তবে বেশিদূর যেতে পারেননি। শেখ মেহেদী পরের ওভারেই এলবিডব্লিউ করে দেন খুশদিলকে (১৮ বলে ১৩)।

শেষ দিকে আব্বাস আফ্রিদি আর ফাহিম আশরাফের ব্যাটে আশা দেখছিল পাকিস্তান। ১৩ বলে ১৯ করা আব্বাসকে বোল্ড করেন শরিফুল ইসলাম। তবে ফাহিম আশরাফ দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত তার প্রতিরোধ ভাঙেন রিশাদ। ৩২ বলে ৪টি করে চার ও ছক্কায় ফাহিম করেন ৫১।

বাংলাদেশের শরিফুল ১৭ রানে ৩টি এবং শেখ মেহেদী ও তানজিম হাসান সাকিব নেন দুটি করে উইকেট।

এর আগে ২৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বসেছিল বাংলাদেশ। সেই বিপর্যয় থেকে শেখ মেহেদী ও জাকের আলীর লড়াকু জুটি। মেহেদী ৩৩ করে আউট হলেও জাকের আলী দলকে টেনে নিয়েছেন শেষ পর্যন্ত। ছক্কা মেরে ফিফটি পূরণ করা জাকেরের ব্যাটে ভর করে সম্মানজনক পুঁজি পর্যন্ত গেছে বাংলাদেশ। ইনিংসের শেষ বলে ১৩৩ রানে অলআউট হয় টাইগাররা।

শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। শুরুতেই ধাক্কা। তানজিদ হাসান তামিমের বদলে খেলতে নামা ওপেনার নাইম শেখ ৭ বলে ৩ করেই সাজঘরে ফেরেন।

ফাহিম আশরাফের বলে হাঁটু গেড়ে উইকেটরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে মারতে চেয়েছিলেন নাইম। বল ব্যাটে লেগে জমা পড়ে উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে।

ইতিহাসগড়া সিরিজ জয় বাংলাদেশের
ইতিহাসগড়া সিরিজ জয় বাংলাদেশের

পঞ্চম ওভারে লিটন দাস বরাবরের মতো দায়িত্বজ্ঞানহীন শট খেলে উইকেট বিলিয়ে আসেন। তিনি সালমান মির্জার শিকার হন, ডিপ মিডউইকেটে ক্যাচ দিয়ে। বাংলাদেশ অধিনায়কের ব্যাট থেকে আসে ৯ বলে ৮ রান।

ওই ওভারেই দুই বল পর সালমান আগার থ্রোতে রানআউট হন তাওহিদ হৃদয় (০)। ২৫ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে মারকুটে পারভেজ হোসেন ইমনও আউট হয়ে যান।

অভিষিক্ত পেসার পারভেজ দানিয়েলের বলে মিডঅনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ইমন। ১৪ বলে একটি করে চার ও ছক্কায় ইমন করেন ১৩ রান। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারেই ৪ উইকেট হারিয়ে বসে টাইগাররা, তুলতে পারে মাত্র ২৯ রান।

সেই বিপর্যয়ে হাল ধরেন শেখ মেহেদী ও জাকের আলী। ৪৯ বলে ৫৩ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক ধাক্কা সামলে নেন তারা। শেষ পর্যন্ত মেহেদীর আউটে ভাঙে এই জুটি।

মোহাম্মদ নওয়াজকে আগের বলেই ছক্কা মেরেছিলেন। পরের বলে আবার চালাতে গিয়ে লংঅফ ফিল্ডারের হাতে ধরা পড়েন মেহেদী। ২৫ বলে দুটি করে চার ও ছক্কায় তার ব্যাট থেকে আসে ৩৩ রান।

সুবিধা করতে পারেননি শামীম পাটোয়ারী। ৪ বলে ১ করে অভিষিক্ত দানিয়েলের বলে বোল্ড হন ইনসাইড এজে। একশর আগে (৯৩ রানে) ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

তানজিম হাসান সাকিব ৪ বলে ৭ আর রিশাদ হোসেন ৪ বলে ৮ করে আউট হন। তবে এক প্রান্ত ধরে শেষ পর্যন্ত খেলে গেছেন জাকের আলী। ৪৮ বলে ১টি চার আর ৫টি ছক্কায় ৫৫ রান করে ইনিংসের শেষ বলে আউট হন জাকের।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পাকিস্তানকে হারিয়ে

ইতিহাসগড়া সিরিজ জয় বাংলাদেশের

সর্বশেষ আপডেট ১০:০০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫

বাংলাদেশের নিশ্চিত জয়ের মঞ্চ প্রস্তুত। এমন এক ম্যাচ প্রায় ঘুরিয়েই দিয়েছিলেন ফাহিম আশরাফ। চার-ছক্কায় পাকিস্তানকে জয়ের একদম দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছিলেন তিনি। ৭ বলে তখন দরকার মাত্র ১৩ রান। রিশাদ হোসেনের আগের বলেও ছক্কা মেরেছিলেন ফাহিম। পরের বলেই বোল্ড।

শেষ ওভারে পাকিস্তানের দরকার পড়ে ১৩ রান। মোস্তাফিজুর রহমানের করা ওই ওভারে প্রথম বলেই চার হাঁকিয়ে বুক ধড়ফড় বাড়িয়ে তোলেন আহমেদ দানিয়েল। পরের বলেও হাঁকিয়েছিলেন ছক্কার জন্য। তবে এবার মিডউইকেটে শামীম পাটোয়ারী ক্যাচ নেন। হাঁফ ছেড়ে বাঁচে বাংলাদেশ। উল্লাসে ফেটে পড়ে পুরো গ্যালারি।

মিরপুরে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে রুদ্ধশ্বাস এক লড়াইয়ে পাকিস্তানকে ৮ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথমবার পাকিস্তানের বিপক্ষে একের অধিক ম্যাচ খেলা টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে ইতিহাসও গড়েছে টাইগাররা।

এ নিয়ে টানা চারটি টি-টোয়েন্টি জিতেছে বাংলাদেশ। এই রেকর্ডও এবারই প্রথম। শ্রীলঙ্কায় শেষ দুই ম্যাচ জিতে ইতিহাস গড়ে প্রথমবার টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিজের করে নিয়েছিল টাইগাররা। এবার পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা দুই জয়।

প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৩৩ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ। জবাবে ১৯.২ ওভারে ১২৫ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান।

পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য ছিল ১৩৪ রানের। শেখ মেহেদীকে দিয়ে বোলিং উদ্বোধন করেন অধিনায়ক লিটন দাস। প্রথম ওভারের শেষ বলে দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে উইকেট হারায় পাকিস্তান। পারভেজ ইমন ডিপ পয়েন্টে ডাইভ দিয়ে বল থামান, রিশাদ হোসেন থ্রো করেন। স্টাম্প ভাঙেন লিটন। সাইম আইয়ুব ফেরেন ১ রান করে।

পরের ওভারে শরিফুল ইসলামের দুর্দান্ত সুইংয়ে এলবিডব্লিউ হন মোহাম্মদ হারিস, গোল্ডেন ডাক। আম্পায়ার আঙুল তুলে দিলে রিভিউ নিয়েছিলেন হারিস, তবে কাজ হয়নি। ৯ রানে ২ উইকেট হারায় পাকিস্তান।

গত ম্যাচে পাকিস্তানের হাল ধরা ফখর জামানও এবার পারেননি। শরিফুলের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফেরেন তিনি (৮ বলে ৮)। লেগ সাইডে ক্যাচ ধরেন উইকেটরক্ষক লিটন।

পঞ্চম ওভারে টানা দুই বলে দুর্দান্ত বাউন্সারে ব্যাটারদের পরাস্ত করেন তানজিম সাকিব। হাসান নেওয়াজ আর মোহাম্মদ নওয়াজ-দুই ব্যাটারই উইকেটরক্ষককে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ০ রানে। ১৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বলতে গেলে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে পাকিস্তান।

বিপদ দেখে মাটি কামড়ে থাকার চেষ্টা করেন অধিনায়ক সালমান আগা। ২৩ বল খেলে অবশেষে ধৈর্য হারান। ইনিংসের দশম ওভারে শেখ মেহেদীকে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে লংঅনে ক্যাচ হন সালমান।

রিশাদ হোসেনের করা পরের ওভারে আউট হতে পারতেন ফাহিম আশরাফ বা খুশদিল শাহ। ফাহিমের পায়ে বল লাগলে আঙুল তুলে দিয়েছিলেন আম্পায়ার। রিভিউ নেন ফাহিম। দেখা যায়, বল স্টাম্পের ওপরে যাচ্ছে।

এক বল পর রিভার্স সুইপ করেন খুশদিল শাহ। এবার ডিপ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে সহজ ক্যাচ ফেলে দেন পারভেজ ইমন। ১১ রানে জীবন পান খুশদিল। তবে বেশিদূর যেতে পারেননি। শেখ মেহেদী পরের ওভারেই এলবিডব্লিউ করে দেন খুশদিলকে (১৮ বলে ১৩)।

শেষ দিকে আব্বাস আফ্রিদি আর ফাহিম আশরাফের ব্যাটে আশা দেখছিল পাকিস্তান। ১৩ বলে ১৯ করা আব্বাসকে বোল্ড করেন শরিফুল ইসলাম। তবে ফাহিম আশরাফ দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত তার প্রতিরোধ ভাঙেন রিশাদ। ৩২ বলে ৪টি করে চার ও ছক্কায় ফাহিম করেন ৫১।

বাংলাদেশের শরিফুল ১৭ রানে ৩টি এবং শেখ মেহেদী ও তানজিম হাসান সাকিব নেন দুটি করে উইকেট।

এর আগে ২৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বসেছিল বাংলাদেশ। সেই বিপর্যয় থেকে শেখ মেহেদী ও জাকের আলীর লড়াকু জুটি। মেহেদী ৩৩ করে আউট হলেও জাকের আলী দলকে টেনে নিয়েছেন শেষ পর্যন্ত। ছক্কা মেরে ফিফটি পূরণ করা জাকেরের ব্যাটে ভর করে সম্মানজনক পুঁজি পর্যন্ত গেছে বাংলাদেশ। ইনিংসের শেষ বলে ১৩৩ রানে অলআউট হয় টাইগাররা।

শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। শুরুতেই ধাক্কা। তানজিদ হাসান তামিমের বদলে খেলতে নামা ওপেনার নাইম শেখ ৭ বলে ৩ করেই সাজঘরে ফেরেন।

ফাহিম আশরাফের বলে হাঁটু গেড়ে উইকেটরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে মারতে চেয়েছিলেন নাইম। বল ব্যাটে লেগে জমা পড়ে উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে।

ইতিহাসগড়া সিরিজ জয় বাংলাদেশের
ইতিহাসগড়া সিরিজ জয় বাংলাদেশের

পঞ্চম ওভারে লিটন দাস বরাবরের মতো দায়িত্বজ্ঞানহীন শট খেলে উইকেট বিলিয়ে আসেন। তিনি সালমান মির্জার শিকার হন, ডিপ মিডউইকেটে ক্যাচ দিয়ে। বাংলাদেশ অধিনায়কের ব্যাট থেকে আসে ৯ বলে ৮ রান।

ওই ওভারেই দুই বল পর সালমান আগার থ্রোতে রানআউট হন তাওহিদ হৃদয় (০)। ২৫ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে মারকুটে পারভেজ হোসেন ইমনও আউট হয়ে যান।

অভিষিক্ত পেসার পারভেজ দানিয়েলের বলে মিডঅনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ইমন। ১৪ বলে একটি করে চার ও ছক্কায় ইমন করেন ১৩ রান। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারেই ৪ উইকেট হারিয়ে বসে টাইগাররা, তুলতে পারে মাত্র ২৯ রান।

সেই বিপর্যয়ে হাল ধরেন শেখ মেহেদী ও জাকের আলী। ৪৯ বলে ৫৩ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক ধাক্কা সামলে নেন তারা। শেষ পর্যন্ত মেহেদীর আউটে ভাঙে এই জুটি।

মোহাম্মদ নওয়াজকে আগের বলেই ছক্কা মেরেছিলেন। পরের বলে আবার চালাতে গিয়ে লংঅফ ফিল্ডারের হাতে ধরা পড়েন মেহেদী। ২৫ বলে দুটি করে চার ও ছক্কায় তার ব্যাট থেকে আসে ৩৩ রান।

সুবিধা করতে পারেননি শামীম পাটোয়ারী। ৪ বলে ১ করে অভিষিক্ত দানিয়েলের বলে বোল্ড হন ইনসাইড এজে। একশর আগে (৯৩ রানে) ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

তানজিম হাসান সাকিব ৪ বলে ৭ আর রিশাদ হোসেন ৪ বলে ৮ করে আউট হন। তবে এক প্রান্ত ধরে শেষ পর্যন্ত খেলে গেছেন জাকের আলী। ৪৮ বলে ১টি চার আর ৫টি ছক্কায় ৫৫ রান করে ইনিংসের শেষ বলে আউট হন জাকের।