ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইউরোপের মন্ত্রীদের সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:০১:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
  • / 153

জেনেভায় ইউরোপের মন্ত্রীদের সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

ইসরায়েল-ইরান সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যেই ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। শুক্রবার (২০ জুন) জেনেভার একটি হোটেলে তিনি ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধানের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেন।

গত সপ্তাহে ইরানে ইসরায়েলি হামলার পর এটাই প্রথমবার সরাসরি কোনো বৈঠকে অংশ নিলেন পশ্চিমা ও ইরানি কর্মকর্তারা। আলোচনায় উত্তেজনা প্রশমনের পাশাপাশি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় কূটনৈতিক পথ খোলা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে আব্বাস আরাঘচি বলেন, “ইসরায়েল যদি হামলা অব্যাহত রাখে, আমি কোনো আলোচনায় বসব না।” তবে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে ‘সংলাপে’ আগ্রহ প্রকাশ করেন। যদিও তার ভাষায়, “এটা আনুষ্ঠানিক আলোচনা নয়, বরং মতবিনিময়ের সুযোগ মাত্র।”

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি এই বৈঠকে অংশ নিতে এর আগে ওয়াশিংটনে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে জেনেভায় পৌঁছান। তিনি বলেন, “আগামী দুই সপ্তাহ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কূটনৈতিক সমাধানের জন্য এখনও জানালা খোলা আছে, যদিও তা খুবই সংকীর্ণ।”

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই আলোচনার মাধ্যমে ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলো, যদিও মূল সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে ইসরায়েল-ইরান সংঘাতের পরবর্তী গতিপ্রবাহের ওপর।

সূত্র: আল জাজিরা

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইউরোপের মন্ত্রীদের সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

সর্বশেষ আপডেট ০৯:০১:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫

ইসরায়েল-ইরান সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যেই ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। শুক্রবার (২০ জুন) জেনেভার একটি হোটেলে তিনি ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধানের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেন।

গত সপ্তাহে ইরানে ইসরায়েলি হামলার পর এটাই প্রথমবার সরাসরি কোনো বৈঠকে অংশ নিলেন পশ্চিমা ও ইরানি কর্মকর্তারা। আলোচনায় উত্তেজনা প্রশমনের পাশাপাশি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় কূটনৈতিক পথ খোলা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে আব্বাস আরাঘচি বলেন, “ইসরায়েল যদি হামলা অব্যাহত রাখে, আমি কোনো আলোচনায় বসব না।” তবে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে ‘সংলাপে’ আগ্রহ প্রকাশ করেন। যদিও তার ভাষায়, “এটা আনুষ্ঠানিক আলোচনা নয়, বরং মতবিনিময়ের সুযোগ মাত্র।”

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি এই বৈঠকে অংশ নিতে এর আগে ওয়াশিংটনে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে জেনেভায় পৌঁছান। তিনি বলেন, “আগামী দুই সপ্তাহ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কূটনৈতিক সমাধানের জন্য এখনও জানালা খোলা আছে, যদিও তা খুবই সংকীর্ণ।”

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই আলোচনার মাধ্যমে ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলো, যদিও মূল সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে ইসরায়েল-ইরান সংঘাতের পরবর্তী গতিপ্রবাহের ওপর।

সূত্র: আল জাজিরা