ঢাকা ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আহমদ রফিককে শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবদেক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৩৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫
  • / 159

আহমদ রফিককে শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা চিত্র। ছবি: সংগৃহীত

ভাষা সৈনিক আহমদ রফিককে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন সর্বস্তরের মানুষ। শনিবার (৪ অক্টোবর) সকাল থেকে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তার মরদেহে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলা একাডেমি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষ।

অনেকে তাকে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের এক আলোকবর্তিকা বলে বর্ণনা করেন। তারা বলেন, দেশের জন্য তার অবদান অনন্য, আগামী প্রজন্মকে সেই চেতনা ধারণ করতে হবে।

শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তার মরদেহ ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। জীবদ্দশায় তিনি মরণোত্তর দেহ চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণার জন্য দান করার অঙ্গীকার করেছিলেন।

তার নামে প্রতিষ্ঠিত রফিক ফাউন্ডেশন জানায়, কফিনটি শোকযাত্রার মাধ্যমে হাসপাতালে পৌঁছায়।

আহমদ রফিক ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, ভাষা সৈনিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের পথপ্রদর্শক। তার লেখালেখি ও চিন্তা জাতীয় আন্দোলনের ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়ে তিনি সংগ্রামের অগ্রভাগে দাঁড়িয়েছিলেন।

গত বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনির জটিলতা, আলঝেইমার্স ও পারকিনসন্সসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।

মৃত্যুর আগে আহমদ রফিক নিজ দেহ ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল মেডিকেল কলেজে দান করে গেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আহমদ রফিককে শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা

সর্বশেষ আপডেট ০১:৩৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫

ভাষা সৈনিক আহমদ রফিককে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন সর্বস্তরের মানুষ। শনিবার (৪ অক্টোবর) সকাল থেকে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তার মরদেহে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলা একাডেমি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষ।

অনেকে তাকে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের এক আলোকবর্তিকা বলে বর্ণনা করেন। তারা বলেন, দেশের জন্য তার অবদান অনন্য, আগামী প্রজন্মকে সেই চেতনা ধারণ করতে হবে।

শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তার মরদেহ ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। জীবদ্দশায় তিনি মরণোত্তর দেহ চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণার জন্য দান করার অঙ্গীকার করেছিলেন।

তার নামে প্রতিষ্ঠিত রফিক ফাউন্ডেশন জানায়, কফিনটি শোকযাত্রার মাধ্যমে হাসপাতালে পৌঁছায়।

আহমদ রফিক ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, ভাষা সৈনিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের পথপ্রদর্শক। তার লেখালেখি ও চিন্তা জাতীয় আন্দোলনের ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়ে তিনি সংগ্রামের অগ্রভাগে দাঁড়িয়েছিলেন।

গত বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনির জটিলতা, আলঝেইমার্স ও পারকিনসন্সসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।

মৃত্যুর আগে আহমদ রফিক নিজ দেহ ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল মেডিকেল কলেজে দান করে গেছেন।