ঢাকা ০১:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আসিফ মাহমুদের বিষয়ে কথা বলতে সাকিবের অনীহা

ক্রীড়া ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৩৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫
  • / 83

আসিফ মাহমুদের বিষয়ে কথা বলতে সাকিবের অনীহা

রাজনীতি সাকিব আল হাসানকে শুধু জাতীয় দল থেকে ছিটকে দেয়নি, দেশ থেকেও দূরে রেখেছে। মাথার ওপরে ঝুলছে খুনের মামলা। দেশে ফিরতে না পারার আক্ষেপে পুড়লেও মানিয়ে নিয়েছেন বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে। যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের সঙ্গে ভালো সময় কাটাচ্ছেন, খেলছেন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে। সমকাল-এর সঙ্গে সাক্ষাৎকারে এশিয়া কাপ, নিজের খেলা, পরিবারের সঙ্গে থাকতে পারার অনুভূতিগুলোও শেয়ার করেছেন।

প্রশ্ন: এশিয়া কাপে বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্স কেমন ছিল?

সাকিব: আমার মনে হয়, সব মিলিয়ে ভালো ক্রিকেট খেলেছে বাংলাদেশ। পাকিস্তান ম্যাচ বাদ দিলে পরিকল্পনা সঠিক ছিল। যে ধরনের পিচ ছিল, পাকিস্তান যে পরিস্থিতিতে ছিল ওখান থেকে ওদের ১৩৫ রান করা বেশি হয়ে গেছে। ৫০ রানে ৫ উইকেট, ১১ থেকে ১২ ওভার খেলা হয়ে গেছে, সেখান থেকে অত রান করতে দেওয়া উচিত হয়নি। আমার মনে হয়, ফিল্ডিংটা অনেক ভুগিয়েছে বাংলাদেশকে। ক্যাচগুলো না ফেললে পাকিস্তানের ৭০ রানে ৭ উইকেট হয়ে যেত। তখন ১০০ রানে অলআউট করা সম্ভব হতো। ওই রানে আটকে দেওয়া গেলে খেলাটাই ওদের (পাকিস্তান) হাতে থাকত না। ওই একটি ম্যাচে ভুল হয়েছে।

প্রশ্ন: লিটন ছন্দে ছিলেন। চোটের কারণে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে খেলতে পারেননি। তিনি থাকলে কি ফল অন্য রকম হতে পারত?

সাকিব: অধিনায়ক ছন্দে থাকলে দলের জন্য অনেক ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। অধিনায়কের ছন্দে থাকা গুরুত্বপূর্ণ। শেষ দুই ম্যাচে লিটন থাকলে ব্যাটিং লাইনআপটা ভালো থাকত। তখন অতটা শাফল করার প্রয়োজন হতো না। রেজাল্ট ইতিবাচক হতো কি হতো না, বলা কঠিন।

প্রশ্ন: ফেব্রুয়ারি-মার্চে ভারতে টি২০ বিশ্বকাপ। এর আগে তিনটি সিরিজ আছে– আফগানিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আয়ারল্যান্ড। এ ছাড়া বিপিএল হবে। বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য কি এগুলো যথেষ্ট?

সাকিব: এখন তো খেলার ভেতরেই আছে। এশিয়া কাপে ভালো একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা গেল। ফেব্রুয়ারি-মার্চে বিশ্বকাপ হলে তিন-চার মাস হাতে আছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ একটি ভালো দল টি২০ ম্যাচে। সেখানে একটা ভালো প্রস্তুতি হবে। আরও একটি বড় দলের বিপক্ষে সিরিজ আয়োজন করতে পারলে ভালো হবে। কারণ, বড় দলের বিপক্ষে মানসিক ও স্কিলের দিক থেকে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকে।

প্রশ্ন: আমেরিকায় বসেও নিশ্চয়ই বিসিবি নির্বাচনের উত্তাপ পাচ্ছেন?

সাকিব: আমি অত কিছু ফলো করিনি। আশা থাকবে, যারা আসবে, তারা বিসিবির ভালোর জন্য কাজ করবে। সবার প্রতি শুভকামনা।

প্রশ্ন: রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের প্রশ্ন উঠেছে। তামিম ইকবাল প্রকাশ্যে এই অভিযোগ তুলেছেন।

সাকিব: নির্বাচনের খবর খুব একটা দেখা বা পড়া হয় না। স্বাভাবিকভাবেই আমার জন্য বলা কঠিন আসলে কী হচ্ছে। এ বিষয়ে মন্তব্য না করাই ভালো। যেটা জানি না, সেখানে কিছু বলা ঠিক হবে না।

প্রশ্ন: আপনার খেলা নিয়ে জানতে চাই। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ এবং আমেরিকার আঞ্চলিক ক্রিকেটেও খেলছেন। কীভাবে প্রেরণা পাচ্ছেন? প্র্যাকটিসের সুযোগ তেমন একটা নেই।

সাকিব: খেলতে আমার ভালো লাগে। এ কারণে সব প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে এখনও খেলা হয়। সমস্যা থাকে, সেগুলো মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে পারছি কিনা, সেটি গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশ্ন: কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার সুযোগ আছে?

সাকিব: সামনে বেশ কিছু খেলা আছে। ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে খেলব। সব ঠিকঠাক থাকলে সেগুলো খেলা হবে।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের খেলা সরাসরি দেখতে না পাওয়ায় কোনো আক্ষেপ?

সাকিব: না, ও রকম না (হাসি)। অনেক দিন খেলেছি। বছরের পর বছর দলের সঙ্গেই তো ছিলাম। এত খেলার পর মিস করার বিষয় নেই আসলে (হাসি)। সময় থাকলে টিভিতে বা ইউটিউবে খেলা দেখি। সময় না থাকলে পরে স্কোর দেখা হয়, হাইলাইটস দেখি।

প্রশ্ন: সব সময় দেশে থাকতে চাইতেন, সেই আপনি দেড় বছর হয়ে গেল প্রবাসে। দেশের জন্য মন কাঁদে?

সাকিব: নিজের দেশে যেতে না পারলে তো খারাপ লাগেই। এটা খুবই স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। আসলে যখন যে পরিস্থিতি আসে, ওটার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া উত্তম। আমি সেভাবেই চলছি।

প্রশ্ন: আপনি বলেছিলেন, ক্রিকেটই আপনার ব্যবসা। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলে ভালো আয় হয়?

সাকিব: এত কিছু আসলে চিন্তা করি না। এখনও খেলতে ভালো লাগছে, তাই খেলছি।

সমকাল: খেলা ছাড়ার পর কোচিং বা পরামর্শক হবেন?

সাকিব: জানি না…। খেলা ছাড়ার পরে ক্রিকেটের সঙ্গে থাকার ইচ্ছা খুবই কম। বাকিটা পরে দেখব কী করব, না করব।

প্রশ্ন: এখন তো পরিবারকে অনেক সময় দিতে পারছেন। কেমন উপভোগ করেন?

সাকিব: হ্যাঁ, এখন অনেক সময় পরিবারের সঙ্গে থাকা হচ্ছে। আমার জন্য অনেক ভালো। বাচ্চাদের জন্য খুবই ভালো। কারণ, ওরা অনেকটা লম্বা সময় আমার সঙ্গে থাকতে পারেনি। আমিও ওদের সঙ্গে থাকতে পারিনি। সেই জায়গা থেকে এখন অনেক সময় থাকতে পারছি। পরিবারের এই সঙ্গ অনেক উপভোগ করি।

প্রশ্ন: আমেরিকাকে কি এখন আপন মনে হয়?

সাকিব: হ্যাঁ, ভালো লাগে যে জায়গাটায় আছি। এখানে সবকিছুই আছে।

প্রশ্ন: ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও আপনি নাম উহ্য রেখে পাল্টাপাল্টি স্ট্যাটাস দিচ্ছেন ফেসবুকে। দেশে এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এ ব্যাপারে কী বলবেন?

সাকিব: না, এ ব্যাপারে কোনো কথা বলব না।

প্রশ্ন: রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে আপত্তি নেই নিশ্চয়ই?

সাকিব: ওটাও থাক। রাজনৈতিক কথা বলে কী হবে? ক্রিকেটেই থাকি।

সূত্র: সমকাল

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আসিফ মাহমুদের বিষয়ে কথা বলতে সাকিবের অনীহা

সর্বশেষ আপডেট ০২:৩৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫

রাজনীতি সাকিব আল হাসানকে শুধু জাতীয় দল থেকে ছিটকে দেয়নি, দেশ থেকেও দূরে রেখেছে। মাথার ওপরে ঝুলছে খুনের মামলা। দেশে ফিরতে না পারার আক্ষেপে পুড়লেও মানিয়ে নিয়েছেন বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে। যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের সঙ্গে ভালো সময় কাটাচ্ছেন, খেলছেন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে। সমকাল-এর সঙ্গে সাক্ষাৎকারে এশিয়া কাপ, নিজের খেলা, পরিবারের সঙ্গে থাকতে পারার অনুভূতিগুলোও শেয়ার করেছেন।

প্রশ্ন: এশিয়া কাপে বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্স কেমন ছিল?

সাকিব: আমার মনে হয়, সব মিলিয়ে ভালো ক্রিকেট খেলেছে বাংলাদেশ। পাকিস্তান ম্যাচ বাদ দিলে পরিকল্পনা সঠিক ছিল। যে ধরনের পিচ ছিল, পাকিস্তান যে পরিস্থিতিতে ছিল ওখান থেকে ওদের ১৩৫ রান করা বেশি হয়ে গেছে। ৫০ রানে ৫ উইকেট, ১১ থেকে ১২ ওভার খেলা হয়ে গেছে, সেখান থেকে অত রান করতে দেওয়া উচিত হয়নি। আমার মনে হয়, ফিল্ডিংটা অনেক ভুগিয়েছে বাংলাদেশকে। ক্যাচগুলো না ফেললে পাকিস্তানের ৭০ রানে ৭ উইকেট হয়ে যেত। তখন ১০০ রানে অলআউট করা সম্ভব হতো। ওই রানে আটকে দেওয়া গেলে খেলাটাই ওদের (পাকিস্তান) হাতে থাকত না। ওই একটি ম্যাচে ভুল হয়েছে।

প্রশ্ন: লিটন ছন্দে ছিলেন। চোটের কারণে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে খেলতে পারেননি। তিনি থাকলে কি ফল অন্য রকম হতে পারত?

সাকিব: অধিনায়ক ছন্দে থাকলে দলের জন্য অনেক ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। অধিনায়কের ছন্দে থাকা গুরুত্বপূর্ণ। শেষ দুই ম্যাচে লিটন থাকলে ব্যাটিং লাইনআপটা ভালো থাকত। তখন অতটা শাফল করার প্রয়োজন হতো না। রেজাল্ট ইতিবাচক হতো কি হতো না, বলা কঠিন।

প্রশ্ন: ফেব্রুয়ারি-মার্চে ভারতে টি২০ বিশ্বকাপ। এর আগে তিনটি সিরিজ আছে– আফগানিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আয়ারল্যান্ড। এ ছাড়া বিপিএল হবে। বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য কি এগুলো যথেষ্ট?

সাকিব: এখন তো খেলার ভেতরেই আছে। এশিয়া কাপে ভালো একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা গেল। ফেব্রুয়ারি-মার্চে বিশ্বকাপ হলে তিন-চার মাস হাতে আছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ একটি ভালো দল টি২০ ম্যাচে। সেখানে একটা ভালো প্রস্তুতি হবে। আরও একটি বড় দলের বিপক্ষে সিরিজ আয়োজন করতে পারলে ভালো হবে। কারণ, বড় দলের বিপক্ষে মানসিক ও স্কিলের দিক থেকে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকে।

প্রশ্ন: আমেরিকায় বসেও নিশ্চয়ই বিসিবি নির্বাচনের উত্তাপ পাচ্ছেন?

সাকিব: আমি অত কিছু ফলো করিনি। আশা থাকবে, যারা আসবে, তারা বিসিবির ভালোর জন্য কাজ করবে। সবার প্রতি শুভকামনা।

প্রশ্ন: রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের প্রশ্ন উঠেছে। তামিম ইকবাল প্রকাশ্যে এই অভিযোগ তুলেছেন।

সাকিব: নির্বাচনের খবর খুব একটা দেখা বা পড়া হয় না। স্বাভাবিকভাবেই আমার জন্য বলা কঠিন আসলে কী হচ্ছে। এ বিষয়ে মন্তব্য না করাই ভালো। যেটা জানি না, সেখানে কিছু বলা ঠিক হবে না।

প্রশ্ন: আপনার খেলা নিয়ে জানতে চাই। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ এবং আমেরিকার আঞ্চলিক ক্রিকেটেও খেলছেন। কীভাবে প্রেরণা পাচ্ছেন? প্র্যাকটিসের সুযোগ তেমন একটা নেই।

সাকিব: খেলতে আমার ভালো লাগে। এ কারণে সব প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে এখনও খেলা হয়। সমস্যা থাকে, সেগুলো মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে পারছি কিনা, সেটি গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশ্ন: কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার সুযোগ আছে?

সাকিব: সামনে বেশ কিছু খেলা আছে। ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে খেলব। সব ঠিকঠাক থাকলে সেগুলো খেলা হবে।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের খেলা সরাসরি দেখতে না পাওয়ায় কোনো আক্ষেপ?

সাকিব: না, ও রকম না (হাসি)। অনেক দিন খেলেছি। বছরের পর বছর দলের সঙ্গেই তো ছিলাম। এত খেলার পর মিস করার বিষয় নেই আসলে (হাসি)। সময় থাকলে টিভিতে বা ইউটিউবে খেলা দেখি। সময় না থাকলে পরে স্কোর দেখা হয়, হাইলাইটস দেখি।

প্রশ্ন: সব সময় দেশে থাকতে চাইতেন, সেই আপনি দেড় বছর হয়ে গেল প্রবাসে। দেশের জন্য মন কাঁদে?

সাকিব: নিজের দেশে যেতে না পারলে তো খারাপ লাগেই। এটা খুবই স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। আসলে যখন যে পরিস্থিতি আসে, ওটার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া উত্তম। আমি সেভাবেই চলছি।

প্রশ্ন: আপনি বলেছিলেন, ক্রিকেটই আপনার ব্যবসা। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলে ভালো আয় হয়?

সাকিব: এত কিছু আসলে চিন্তা করি না। এখনও খেলতে ভালো লাগছে, তাই খেলছি।

সমকাল: খেলা ছাড়ার পর কোচিং বা পরামর্শক হবেন?

সাকিব: জানি না…। খেলা ছাড়ার পরে ক্রিকেটের সঙ্গে থাকার ইচ্ছা খুবই কম। বাকিটা পরে দেখব কী করব, না করব।

প্রশ্ন: এখন তো পরিবারকে অনেক সময় দিতে পারছেন। কেমন উপভোগ করেন?

সাকিব: হ্যাঁ, এখন অনেক সময় পরিবারের সঙ্গে থাকা হচ্ছে। আমার জন্য অনেক ভালো। বাচ্চাদের জন্য খুবই ভালো। কারণ, ওরা অনেকটা লম্বা সময় আমার সঙ্গে থাকতে পারেনি। আমিও ওদের সঙ্গে থাকতে পারিনি। সেই জায়গা থেকে এখন অনেক সময় থাকতে পারছি। পরিবারের এই সঙ্গ অনেক উপভোগ করি।

প্রশ্ন: আমেরিকাকে কি এখন আপন মনে হয়?

সাকিব: হ্যাঁ, ভালো লাগে যে জায়গাটায় আছি। এখানে সবকিছুই আছে।

প্রশ্ন: ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও আপনি নাম উহ্য রেখে পাল্টাপাল্টি স্ট্যাটাস দিচ্ছেন ফেসবুকে। দেশে এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এ ব্যাপারে কী বলবেন?

সাকিব: না, এ ব্যাপারে কোনো কথা বলব না।

প্রশ্ন: রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে আপত্তি নেই নিশ্চয়ই?

সাকিব: ওটাও থাক। রাজনৈতিক কথা বলে কী হবে? ক্রিকেটেই থাকি।

সূত্র: সমকাল