ঢাকা ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শীত মৌসুম

আসছে ১০ শৈত্যপ্রবাহ, কাঁপবে দেশ

নিজস্ব প্রতিবদেক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৫:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / 62

ফাইল ছবি

নভেম্বর ও জানুয়ারি মাসে অন্তত ১০টি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বিভিন্ন অঞ্চলে। এর মধ্যে তিনটি হবে তীব্র আকারের। আবহাওয়া অধিদপ্তর ৩ মাসব্যাপী (নভেম্বর-জানুয়ারি) পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়, চলতি শীতের মৌসুমে দেশে ৪-৭ টি মৃদু (৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে মাঝারি (৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এছাড়া, দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ২-৩ টি শৈত্যপ্রবাহ (৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস) তীব্র রূপ নিতে পারে। এবারের শীত স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা দীর্ঘ ও শীতল হতে পারে। শৈত্যপ্রবাহের পাশাপাশি কুয়াশা, বৃষ্টিপাত ও তাপমাত্রার ওঠানামা দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলবে।

অন্যদিকে নভেম্বর মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় সাগরে তিনটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি নিুচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। এ মাসেই দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমতে শুরু করবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, উত্তরাঞ্চল ও হিমালয়ঘেঁসা এলাকাগুলোতে এবার শীতের প্রভাব বেশি অনুভূত হতে পারে। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত হতে পারে মৌসুমের সবচেয়ে ঠান্ডা সময়। এ সময় দেশের বেশিরভাগ স্থানে মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বইবে। এর ফলে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলা পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, রংপুর, কুড়িগ্রাম, নওগাঁ, নাটোর ও রাজশাহী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আবহাওয়াবিদ মমিনুল ইসলাম বলেন, নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে স্বাভাবিক অপেক্ষা কিছুটা বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। সাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে দুটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এখন থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শীত মৌসুম

আসছে ১০ শৈত্যপ্রবাহ, কাঁপবে দেশ

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৫:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

নভেম্বর ও জানুয়ারি মাসে অন্তত ১০টি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বিভিন্ন অঞ্চলে। এর মধ্যে তিনটি হবে তীব্র আকারের। আবহাওয়া অধিদপ্তর ৩ মাসব্যাপী (নভেম্বর-জানুয়ারি) পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়, চলতি শীতের মৌসুমে দেশে ৪-৭ টি মৃদু (৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে মাঝারি (৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এছাড়া, দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ২-৩ টি শৈত্যপ্রবাহ (৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস) তীব্র রূপ নিতে পারে। এবারের শীত স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা দীর্ঘ ও শীতল হতে পারে। শৈত্যপ্রবাহের পাশাপাশি কুয়াশা, বৃষ্টিপাত ও তাপমাত্রার ওঠানামা দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলবে।

অন্যদিকে নভেম্বর মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় সাগরে তিনটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি নিুচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। এ মাসেই দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমতে শুরু করবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, উত্তরাঞ্চল ও হিমালয়ঘেঁসা এলাকাগুলোতে এবার শীতের প্রভাব বেশি অনুভূত হতে পারে। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত হতে পারে মৌসুমের সবচেয়ে ঠান্ডা সময়। এ সময় দেশের বেশিরভাগ স্থানে মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বইবে। এর ফলে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলা পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, রংপুর, কুড়িগ্রাম, নওগাঁ, নাটোর ও রাজশাহী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আবহাওয়াবিদ মমিনুল ইসলাম বলেন, নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে স্বাভাবিক অপেক্ষা কিছুটা বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। সাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে দুটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এখন থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে।