ঢাকা ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘আরেকটি অভ্যুত্থান হলে অনেকগুলো বড় হেলিকপ্টার লাগতে পারে’

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৯:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / 107

মজিবুর রহমান মঞ্জু

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)-এর চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সকলেই একমত হলেও এর প্রক্রিয়াকে ঘিরে অহেতুক সাংবিধানিক বিতর্কে জটিলতা তৈরি করা হচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, এমন পরিস্থিতিতে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান ঘটতে পারে, যার ফলে গণরোষ থেকে বাঁচার জন্য জটিলতা সৃষ্টিকারীদের অনেকগুলো বড় হেলিকপ্টার প্রয়োজন হতে পারে।

রোববার (৫ অক্টোবর) ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজের সভাপতিত্বে ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দারের সঞ্চালনায় মঞ্জু এসব মন্তব্য করেন। সভায় এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব‍্যারিস্টার সানী আব্দুল হকও দলের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন।

মঞ্জু বলেন, সনদ চূড়ান্ত হওয়ার পর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে আইন ও সাংবিধানিক বিতর্ক বাড়ছে, অথচ অতীতে শেখ হাসিনা সংবিধানের দোহাই দিয়ে গণঅভ্যুত্থানের প্রয়োজন তৈরি করেছিলেন। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থান হলো জনগণের ইচ্ছার চূড়ান্ত প্রকাশ। এবি পার্টি সুপারিশ করেছে, জুলাই সনদ সংবিধান আদেশের মাধ্যমে জারি করা, ১০৬ অনুচ্ছেদের আলোকে সুপ্রিম কোর্টের মতামত গ্রহণ এবং জনগণের সমর্থন যাচাইয়ের জন্য গণভোট আয়োজন করা হোক।

ব্যারিস্টার সানী বলেন, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন পরবর্তী সংসদের ওপর ন্যস্ত করার প্রস্তাব অনুচিত। জুলাই অভ্যুত্থান রাষ্ট্রের কাঠামোর ভেতরে সংঘটিত হয়নি, তাই সংবিধানের ধারাবাহিকতা যুক্তি দুর্বল। এছাড়া, এই প্রক্রিয়া রাষ্ট্রীয় কাঠামোগত পরিবর্তন বিলম্বিত করতে পারে, যা কাম্য নয়। তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রশ্নটি আইনি নয়, বরং রাজনৈতিক; তাই জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা ছাড়া এর সফল বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

‘আরেকটি অভ্যুত্থান হলে অনেকগুলো বড় হেলিকপ্টার লাগতে পারে’

সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৯:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)-এর চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সকলেই একমত হলেও এর প্রক্রিয়াকে ঘিরে অহেতুক সাংবিধানিক বিতর্কে জটিলতা তৈরি করা হচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, এমন পরিস্থিতিতে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান ঘটতে পারে, যার ফলে গণরোষ থেকে বাঁচার জন্য জটিলতা সৃষ্টিকারীদের অনেকগুলো বড় হেলিকপ্টার প্রয়োজন হতে পারে।

রোববার (৫ অক্টোবর) ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজের সভাপতিত্বে ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দারের সঞ্চালনায় মঞ্জু এসব মন্তব্য করেন। সভায় এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব‍্যারিস্টার সানী আব্দুল হকও দলের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন।

মঞ্জু বলেন, সনদ চূড়ান্ত হওয়ার পর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে আইন ও সাংবিধানিক বিতর্ক বাড়ছে, অথচ অতীতে শেখ হাসিনা সংবিধানের দোহাই দিয়ে গণঅভ্যুত্থানের প্রয়োজন তৈরি করেছিলেন। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থান হলো জনগণের ইচ্ছার চূড়ান্ত প্রকাশ। এবি পার্টি সুপারিশ করেছে, জুলাই সনদ সংবিধান আদেশের মাধ্যমে জারি করা, ১০৬ অনুচ্ছেদের আলোকে সুপ্রিম কোর্টের মতামত গ্রহণ এবং জনগণের সমর্থন যাচাইয়ের জন্য গণভোট আয়োজন করা হোক।

ব্যারিস্টার সানী বলেন, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন পরবর্তী সংসদের ওপর ন্যস্ত করার প্রস্তাব অনুচিত। জুলাই অভ্যুত্থান রাষ্ট্রের কাঠামোর ভেতরে সংঘটিত হয়নি, তাই সংবিধানের ধারাবাহিকতা যুক্তি দুর্বল। এছাড়া, এই প্রক্রিয়া রাষ্ট্রীয় কাঠামোগত পরিবর্তন বিলম্বিত করতে পারে, যা কাম্য নয়। তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রশ্নটি আইনি নয়, বরং রাজনৈতিক; তাই জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা ছাড়া এর সফল বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।