ঢাকা ০১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমরা সরকারের সম্পৃক্তবাদী, বিছিন্নবাদী নয়: আপ্রুমং মারমা

নিজস্ব প্রতিবদেক, বান্দরবান
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৫৬:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • / 158

বক্তব্য রাখছেন ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা আপ্রুমং মারমা। ছবি: প্রতিনিধি

পার্বত্য চট্টগ্রামের বেঁচে ও টিকিয়ে থাকতে গেলে আমাদের দরকার অধিকার, সে অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদেরকে হাতে হাত, কাধে কাধ মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। চুক্তির বাস্তবায়ন করতে হলে সরকারের পক্ষপাতিত্ব হয়ে থাকতে হবে। চুক্তির বাস্তবায়ন করতে পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক সংগঠন করতে পারবে না। পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করতে হলে সরকারের সম্পৃক্তবাদী হয়ে থাকবে হবে বিচ্ছিন্নবাদী হয়ে নয়।

সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে শহরের রয়েল হোটেলের কনফারেন্স রুমে প্রতিষ্ঠাতা মানবেন্দ্র নারায়ন লারমার ৪২তম প্রয়াত দিবসে এসব কথা বলেন ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা আপ্রুমং মারমা।

ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা আপ্রুমং মারমা বলেন, কেএনএফ, জেএসএস ও প্রসীত গ্রুপে ইউপিডিএফসহ নানা সংগঠন শান্তির চুক্তি বিরোধীতা করছেন। কোন কোন সংগঠন শায়িত্বশাসিত নিজেদের ল্যন্ড বলে দাবী করছেন। এইটা পার্বত্য চট্টগ্রামে অশান্তির বিরোধী তৈরী করছে। ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক থাকতে এই অশান্তি হতে দেয়া যাবে না। আমাদের পতাকা তলে আসুন পাহাড়ে কিভাবে শান্তি ফিরিয়ে আনা যায় সেটির জন্য ঐক্যবদ্ধ হোন। শুধু তাই নয় পার্বত্য চট্টগ্রামে যে চুক্তি হয়েছিল সে চুক্তির সম্পুর্ণ বাস্তবায়ন করতে হবে। এ চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য আমাদের কঠিন তম সংগ্রাম করতে হবে।

ইউপিডিএফ সভাপতি রামতন সাং বম মালেক বলেন, আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রধান সমস্যা হচ্ছে ভুমি বিরোধ। এ ভুমি বিরোধ নিষ্পতির জন্য একটি কমিশন গঠন করা হলেও আজ পর্যন্ত এ ভুমি কমিশনের কোন কার্যক্রম দেখতে পাই নাই। যার কারনে দিন দিন পাহাড়ে ভুমি বিরোধ বেড়েই যাচ্ছে। শুধু তাই নয় পাহাড়ী বাঙ্গালীদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইউপিডিএফ। তাই সকলকে সচেতনতার পাশপাশি ইউপিডিএফ কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

সংগঠনের নেতারা বক্তব্যে বলেন, পাহাড়ে অশান্তির মুল নেপথ্যে হল ইউপিডিএফ। তাদের কারণে পাহাড়ের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ খুনের শিকার হচ্ছে। কেননা ইউপিডিএফ দিন দিন বেপরোয়া হয়ে যাচ্ছে, তারা যেখানে সেখানে ঝামেলা করে যাচ্ছে। জনগনের সহযোগিতায় আমরা এতদুর এগিয়ে এসেছি। আমরা জনগনের পাশেই আছি, ভবিষ্যতেও পাশে থাকবো। পার্বত্য চট্টগ্রামের আপামর জনগনের জন্য কাজ করে যাওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

সভায় ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক কেন্দ্রীয় সদস্য জ্যেতিজ চাকমা, জেলা সাবেক সাধারণ সম্পাদক জুয়েল ত্রিপুরা, সদস্য বিকাশ চাকমা, লামা উপজেলা সভাপতি মংসুই প্রু মারমা,পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বর্ষা তংচঙ্গ্যাসহ ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আমরা সরকারের সম্পৃক্তবাদী, বিছিন্নবাদী নয়: আপ্রুমং মারমা

সর্বশেষ আপডেট ১২:৫৬:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

পার্বত্য চট্টগ্রামের বেঁচে ও টিকিয়ে থাকতে গেলে আমাদের দরকার অধিকার, সে অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদেরকে হাতে হাত, কাধে কাধ মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। চুক্তির বাস্তবায়ন করতে হলে সরকারের পক্ষপাতিত্ব হয়ে থাকতে হবে। চুক্তির বাস্তবায়ন করতে পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক সংগঠন করতে পারবে না। পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করতে হলে সরকারের সম্পৃক্তবাদী হয়ে থাকবে হবে বিচ্ছিন্নবাদী হয়ে নয়।

সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে শহরের রয়েল হোটেলের কনফারেন্স রুমে প্রতিষ্ঠাতা মানবেন্দ্র নারায়ন লারমার ৪২তম প্রয়াত দিবসে এসব কথা বলেন ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা আপ্রুমং মারমা।

ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা আপ্রুমং মারমা বলেন, কেএনএফ, জেএসএস ও প্রসীত গ্রুপে ইউপিডিএফসহ নানা সংগঠন শান্তির চুক্তি বিরোধীতা করছেন। কোন কোন সংগঠন শায়িত্বশাসিত নিজেদের ল্যন্ড বলে দাবী করছেন। এইটা পার্বত্য চট্টগ্রামে অশান্তির বিরোধী তৈরী করছে। ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক থাকতে এই অশান্তি হতে দেয়া যাবে না। আমাদের পতাকা তলে আসুন পাহাড়ে কিভাবে শান্তি ফিরিয়ে আনা যায় সেটির জন্য ঐক্যবদ্ধ হোন। শুধু তাই নয় পার্বত্য চট্টগ্রামে যে চুক্তি হয়েছিল সে চুক্তির সম্পুর্ণ বাস্তবায়ন করতে হবে। এ চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য আমাদের কঠিন তম সংগ্রাম করতে হবে।

ইউপিডিএফ সভাপতি রামতন সাং বম মালেক বলেন, আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রধান সমস্যা হচ্ছে ভুমি বিরোধ। এ ভুমি বিরোধ নিষ্পতির জন্য একটি কমিশন গঠন করা হলেও আজ পর্যন্ত এ ভুমি কমিশনের কোন কার্যক্রম দেখতে পাই নাই। যার কারনে দিন দিন পাহাড়ে ভুমি বিরোধ বেড়েই যাচ্ছে। শুধু তাই নয় পাহাড়ী বাঙ্গালীদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইউপিডিএফ। তাই সকলকে সচেতনতার পাশপাশি ইউপিডিএফ কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

সংগঠনের নেতারা বক্তব্যে বলেন, পাহাড়ে অশান্তির মুল নেপথ্যে হল ইউপিডিএফ। তাদের কারণে পাহাড়ের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ খুনের শিকার হচ্ছে। কেননা ইউপিডিএফ দিন দিন বেপরোয়া হয়ে যাচ্ছে, তারা যেখানে সেখানে ঝামেলা করে যাচ্ছে। জনগনের সহযোগিতায় আমরা এতদুর এগিয়ে এসেছি। আমরা জনগনের পাশেই আছি, ভবিষ্যতেও পাশে থাকবো। পার্বত্য চট্টগ্রামের আপামর জনগনের জন্য কাজ করে যাওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

সভায় ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক কেন্দ্রীয় সদস্য জ্যেতিজ চাকমা, জেলা সাবেক সাধারণ সম্পাদক জুয়েল ত্রিপুরা, সদস্য বিকাশ চাকমা, লামা উপজেলা সভাপতি মংসুই প্রু মারমা,পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বর্ষা তংচঙ্গ্যাসহ ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।